ঢাকা , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঢাকায় ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৬৪ এআইয়ের অপব্যবহার ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপের কথা ভাবছে সরকার ছুটির দিনেও অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস, দূষিত শহরের তালিকায় চতুর্থ ভাইরাল অডিওর ঘটনায় সাবেক ওসি রাকিবুলকে ডিবিতে জিজ্ঞাসাবাদ সরকারকেই পরিষ্কার করতে হবে তারা মালয়েশিয়া এজেন্সি সিন্ডিকেটে জড়িত নয়: জামায়াত আমির ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি রাকিবুল ডিবি হেফাজতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকে জামিন না দেওয়ায় জেল সুপারকে শোকজ বিচারকের তারেক রহমানের শুভেচ্ছা পেয়ে ধন্যবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদি জিন্নাহর বাবা মাছ বিক্রেতা ছিলেন: ফজলুর রহমান মাহবুবা হাকিমের হলফনামায় তথ্য গোপন নয়, ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল’

এআইয়ের অপব্যবহার ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপের কথা ভাবছে সরকার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪৭:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। ডিপফেক তৈরি করে মানুষকে হয়রানি, ভুয়া তথ্য ছড়ানো এবং শিশুদের লক্ষ্য করে বিভিন্ন অপতৎপরতার ঘটনায় এ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার কর্মকর্তারা বলছেন, অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেও এআই ব্যবহার করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই দিয়ে তৈরি ভুয়া ছবি, ভিডিও, অডিও ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অভিযোগও রয়েছে।

নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, এ ধরনের অপতৎপরতা দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এআই ব্যবহার করে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সরকারের নীতিনির্ধারক ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআইয়ের অপব্যবহারের মাধ্যমে তৈরি ভুয়া ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কনটেন্ট সামাজিক সম্প্রীতি ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ কারণে প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা সংশোধন আইন কার্যকরভাবে প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে এসেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, দেশে সাইবার অপরাধ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশ ও পুলিশের রেঞ্জ সদর দপ্তরগুলোতে আধুনিক সাইবার নিরাপত্তা ইউনিট ও গবেষণাগার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার ঠেকানোর পাশাপাশি নাগরিকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সাইবার অধিকারও নিশ্চিত করতে হবে। ভুয়া তথ্য, মানহানিকর কনটেন্ট, অনলাইন হয়রানি ও প্রতারণা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৬৪

এআইয়ের অপব্যবহার ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপের কথা ভাবছে সরকার

আপডেট সময় ০১:৪৭:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। ডিপফেক তৈরি করে মানুষকে হয়রানি, ভুয়া তথ্য ছড়ানো এবং শিশুদের লক্ষ্য করে বিভিন্ন অপতৎপরতার ঘটনায় এ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার কর্মকর্তারা বলছেন, অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেও এআই ব্যবহার করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই দিয়ে তৈরি ভুয়া ছবি, ভিডিও, অডিও ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অভিযোগও রয়েছে।

নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, এ ধরনের অপতৎপরতা দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এআই ব্যবহার করে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সরকারের নীতিনির্ধারক ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআইয়ের অপব্যবহারের মাধ্যমে তৈরি ভুয়া ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কনটেন্ট সামাজিক সম্প্রীতি ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ কারণে প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা সংশোধন আইন কার্যকরভাবে প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে এসেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, দেশে সাইবার অপরাধ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশ ও পুলিশের রেঞ্জ সদর দপ্তরগুলোতে আধুনিক সাইবার নিরাপত্তা ইউনিট ও গবেষণাগার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার ঠেকানোর পাশাপাশি নাগরিকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সাইবার অধিকারও নিশ্চিত করতে হবে। ভুয়া তথ্য, মানহানিকর কনটেন্ট, অনলাইন হয়রানি ও প্রতারণা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।