ঢাকা , শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নৌকা প্রতীক নিয়ে এত ভয় কেন: গোলাম মাওলা রনি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৮:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫
  • ৩৫৫ বার পড়া হয়েছে

নৌকা নিয়ে এত ভয় কেন বলে প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দল। এই দলটির কার্যক্রম এই মুহূর্তে নিষিদ্ধ। তবে দলটিকে এখনো একটি নিষিদ্ধ দলে পরিণত করা হয়নি। কিন্তু এদের যে ছাত্রসংগঠনটি, এটিকে আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং এই দলের যে প্রতীক নির্বাচনী প্রতীক নৌকা, সেটা বাদ দেওয়া হয়েছে।

‘তো এই অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে, নৌকার বিরুদ্ধে যে ন্যারেটিভ তৈরি হয়েছে; সেটার ভবিষ্যৎ কী হতে পারে। এটার ভবিষ্যৎ কোন পর্যায়ে যাবে সেটি প্রসঙ্গ ভিন্ন হলেও বর্তমান জমানায় নৌকা, ধানের শীষ, আওয়ামী লীগ—এগুলোকে ভুলিয়ে দিলে আমাদের পুরো জাতিসত্তার একটা বিবর্তন হবে। আমাদের রুচি, আভিজাত্য, ইতিহাসবোধ, কৃষ্টি-কালচার- সব কিছুর একটা রেভল্যুশন হয়ে যাবে।

যেটা হয়েছিল ফ্রান্স রেভল্যুশনের মাধ্যমে। এর মাধ্যমে পুরো জাতির মস্তিষ্ক থেকে হাজার বছরের ইতিহাসকে ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিল।’ ‘ফলে এখানে যে অভ্যুত্থানটা হয়েছে, এটাকে যদি বিপ্লবে রূপান্তরিত করা যায়, মুজিববাদকে কবর দেওয়া যায়, আওয়ামী লীগের ইতিহাসকে মোছা যায়, নৌকাকে যদি মুছে দেওয়া যায়, তার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের আবহমান বাংলার ইতিহাস, যেটার সঙ্গে আওয়ামী লীগের ইতিহাস রয়েছে, সেগুলো ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় অনেক কিছু হতে পারে। এখন বাংলাদেশ আসলেই একটা টার্নিং পয়েন্টে আছে।

আমি শুধু নিরপেক্ষভাবে পুরো ঘটনাটা বর্ণনা করলাম। এটার ভবিষ্যৎটা কী হবে আমি নিজেও জানি না এবং কোনটা ভালো হবে তা-ও জানি না।’।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নৌকা প্রতীক নিয়ে এত ভয় কেন: গোলাম মাওলা রনি

আপডেট সময় ১১:৩৮:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫

নৌকা নিয়ে এত ভয় কেন বলে প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দল। এই দলটির কার্যক্রম এই মুহূর্তে নিষিদ্ধ। তবে দলটিকে এখনো একটি নিষিদ্ধ দলে পরিণত করা হয়নি। কিন্তু এদের যে ছাত্রসংগঠনটি, এটিকে আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং এই দলের যে প্রতীক নির্বাচনী প্রতীক নৌকা, সেটা বাদ দেওয়া হয়েছে।

‘তো এই অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে, নৌকার বিরুদ্ধে যে ন্যারেটিভ তৈরি হয়েছে; সেটার ভবিষ্যৎ কী হতে পারে। এটার ভবিষ্যৎ কোন পর্যায়ে যাবে সেটি প্রসঙ্গ ভিন্ন হলেও বর্তমান জমানায় নৌকা, ধানের শীষ, আওয়ামী লীগ—এগুলোকে ভুলিয়ে দিলে আমাদের পুরো জাতিসত্তার একটা বিবর্তন হবে। আমাদের রুচি, আভিজাত্য, ইতিহাসবোধ, কৃষ্টি-কালচার- সব কিছুর একটা রেভল্যুশন হয়ে যাবে।

যেটা হয়েছিল ফ্রান্স রেভল্যুশনের মাধ্যমে। এর মাধ্যমে পুরো জাতির মস্তিষ্ক থেকে হাজার বছরের ইতিহাসকে ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিল।’ ‘ফলে এখানে যে অভ্যুত্থানটা হয়েছে, এটাকে যদি বিপ্লবে রূপান্তরিত করা যায়, মুজিববাদকে কবর দেওয়া যায়, আওয়ামী লীগের ইতিহাসকে মোছা যায়, নৌকাকে যদি মুছে দেওয়া যায়, তার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের আবহমান বাংলার ইতিহাস, যেটার সঙ্গে আওয়ামী লীগের ইতিহাস রয়েছে, সেগুলো ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় অনেক কিছু হতে পারে। এখন বাংলাদেশ আসলেই একটা টার্নিং পয়েন্টে আছে।

আমি শুধু নিরপেক্ষভাবে পুরো ঘটনাটা বর্ণনা করলাম। এটার ভবিষ্যৎটা কী হবে আমি নিজেও জানি না এবং কোনটা ভালো হবে তা-ও জানি না।’।