ঢাকা , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অতিথি না করায় ১৪৪ ধারা জারির মাইকিং, সেই ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার শোষণের শিকল ভাঙতে শিক্ষিত ও সচেতন হতে হবে: সারজিস ’২৭ সালে তিস্তা মহাপরিকল্পনার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী: ত্রাণমন্ত্রী ছাত্রদলের গণতান্ত্রিক চর্চা নিয়ে প্রশ্ন সাবেক শিবির সভাপতির ২০৩০ সালের আগে সব ধর্মীয় উপাসনালয় সম্মানিভাতার আওতায় আসবে: রাষ্ট্রপতি স্বাধীনতা যুদ্ধের বাঁশি বাজিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান: রিজভী ইরান তাদের সামরিক বাহিনীর বড় একটি অংশকে বেতন দিতে পারছে না-দাবি ট্রাম্পের রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যা করা হয় যেভাবে, উঠে এলো সিদ্ধার্থের বর্ণনায় দেশে নতুন কোনো ফ্যাসিবাদ কায়েম হতে দেব না: শফিকুর রহমান মেহেরপুর র‍্যাব-১২ এর অভিযানে ৬৫২ বোতল ভারতীয় সিরাপসহ যুবক আটক, ১৬ লাখ টাকা জব্দ

বাঘায় চাঁদাবাজির অভিযোগ: বিএনপি ইউপি সভাপতি রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে তিন লাখ টাকা আদায়ের দাবি, সাংবাদিককে গালিগালাজ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:০৮:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩৭৬ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে স্থানীয় কিটনাশক ব্যবসায়ী মো. রবিউল হাসান তাকে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও আদায়ের অভিযোগ করেছেন। রবিউল অভিযোগ করেন, পূর্বের জের মামলার আপস-মীমাংসা সত্ত্বেও রেজাউল করিম আগের শত্রুতার জেরে পুনরায় তিন লাখ টাকা চাঁদা চান।

ভুক্তভোগী জানান, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে রেজাউল করিম বারবার তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং ওই হুমকির অডিও তার মোবাইলে সংরক্ষিত রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ইতোমধ্যে ব্যাংকের মাধ্যমে এক লাখ টাকার চেক ও দুই লাখ টাকার নগদ গ্রহণ করা হয়েছে; চেকটি রূপালী ব্যাংক বাউসা শাখা থেকে তাঁর ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয় এবং তা স্থানীয় ইউপি সদস্য আখের মেম্বার নগদায়ন করেছেন। রবিউল দাবি করেন, রেজাউল প্রকাশ্যে বলেছে—‘এক লাখ পঁচাশি হাজার টাকা দিয়ে পিস্তল কিনেছি শুধু তোর জন্য’—এমন কথাও বলা হয়েছে; তাই তিনি অভিযুক্তের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র থাকার আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন।

রবিউল আরও বলেন, এই পরিস্থিতির কারণে তিনি বর্তমানে দোকান খুলতে পারছেন না এবং প্রায় ১৫ দিন ধরে গৃহবন্দি রয়েছেন; অভিযুক্তর ভয় দেখিয়ে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিতে তিনি ভীত ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

যখন সাংবাদিকরা বিষয়টি জানতে চান, তখন অভিযোগ আছে যে রেজাউল করিম সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলেছিলেন—“চাঁদা নিয়েছি, আপনার কাছ থেকেও নেবো।”

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী রবিউলের কথামতে ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ ও নিন্দার ছায়া রয়েছে। আইনগত পদক্ষেপ না নেয়ার বিষয়টি স্পষ্ট নয়; ঘটনার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগতভাবে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা জানা যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অতিথি না করায় ১৪৪ ধারা জারির মাইকিং, সেই ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

বাঘায় চাঁদাবাজির অভিযোগ: বিএনপি ইউপি সভাপতি রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে তিন লাখ টাকা আদায়ের দাবি, সাংবাদিককে গালিগালাজ

আপডেট সময় ০৭:০৮:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে স্থানীয় কিটনাশক ব্যবসায়ী মো. রবিউল হাসান তাকে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও আদায়ের অভিযোগ করেছেন। রবিউল অভিযোগ করেন, পূর্বের জের মামলার আপস-মীমাংসা সত্ত্বেও রেজাউল করিম আগের শত্রুতার জেরে পুনরায় তিন লাখ টাকা চাঁদা চান।

ভুক্তভোগী জানান, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে রেজাউল করিম বারবার তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং ওই হুমকির অডিও তার মোবাইলে সংরক্ষিত রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ইতোমধ্যে ব্যাংকের মাধ্যমে এক লাখ টাকার চেক ও দুই লাখ টাকার নগদ গ্রহণ করা হয়েছে; চেকটি রূপালী ব্যাংক বাউসা শাখা থেকে তাঁর ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয় এবং তা স্থানীয় ইউপি সদস্য আখের মেম্বার নগদায়ন করেছেন। রবিউল দাবি করেন, রেজাউল প্রকাশ্যে বলেছে—‘এক লাখ পঁচাশি হাজার টাকা দিয়ে পিস্তল কিনেছি শুধু তোর জন্য’—এমন কথাও বলা হয়েছে; তাই তিনি অভিযুক্তের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র থাকার আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন।

রবিউল আরও বলেন, এই পরিস্থিতির কারণে তিনি বর্তমানে দোকান খুলতে পারছেন না এবং প্রায় ১৫ দিন ধরে গৃহবন্দি রয়েছেন; অভিযুক্তর ভয় দেখিয়ে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিতে তিনি ভীত ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

যখন সাংবাদিকরা বিষয়টি জানতে চান, তখন অভিযোগ আছে যে রেজাউল করিম সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলেছিলেন—“চাঁদা নিয়েছি, আপনার কাছ থেকেও নেবো।”

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী রবিউলের কথামতে ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ ও নিন্দার ছায়া রয়েছে। আইনগত পদক্ষেপ না নেয়ার বিষয়টি স্পষ্ট নয়; ঘটনার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগতভাবে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা জানা যায়নি।