ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শাহজালাল (রহ.) মাজারে ৫ লাখ টাকা দিলেন ডিসি সারওয়ার মেসিকে বিয়ে করতে চান ১০০ বছর বয়সী নারী ক্লাব বিশ্বকাপ চলাকালেই পুরনো ঠিকানায় ফিরলেন থিয়াগো সিলভা মালয়েশিয়া সফর নিয়ে সন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, আতিথেয়তার প্রশংসা আওয়ামী লীগ এমন প্রবলভাবে আছে যা আগে কখনো ছিল না: শাওন আওয়ামী লীগকে জনগণের রক্তচোষা, এদের আর সুযোগ দেওয়া হবে না: জামায়াত এমপি সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ, তদন্ত কমিটি গঠন জামায়াতের এক ম্যাচেই ৪ গিনেস বুকে রেকর্ড গড়লেন মেসি চুক্তি প্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়াল ইরান, উত্তপ্ত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি বয়কট করে সভাকক্ষ ছাড়লো ইরান

ইসির আচরণবিধিতে দ্বৈত নীতি ও অস্পষ্টতা: পোস্টার নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন শিশির মনির

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:১৯:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৮৫ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আয়োজিত সংলাপে প্রণীত আচরণবিধির বেশ কিছু অসঙ্গতি ও অস্পষ্টতা তুলে ধরেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রতিনিধিদলের সদস্য শিশির মনির। বিশেষভাবে পোস্টার ব্যবহারের নীতি, শাস্তি আরোপের এখতিয়ার এবং নির্বাচনী অভিযোগ নিষ্পত্তির সময়সীমা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত সংলাপে শিশির মনির বলেন, আচরণবিধির ৭-এর ‘ক’ উপধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে—“কোনো প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না”, অথচ একই ধারার ‘ঘ’ উপধারায় পোস্টারসহ বিভিন্ন প্রচারসামগ্রী অপসারণে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
তার প্রশ্ন—“একদিকে পোস্টার নিষিদ্ধ করছেন, আবার অন্যদিকে পোস্টার সরানো নিয়েও বিধান দিচ্ছেন—এ দ্বন্দ্ব কেন? এতে ইসির দ্বৈত নীতি স্পষ্ট হয়।”

শাস্তি আরোপের বিধানেও অস্পষ্টতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শিশির মনির বলেন, “আচরণবিধিতে কে শাস্তি আরোপ করবে তা স্পষ্ট নয়। কোনো প্রার্থীর অপরাধে তার রাজনৈতিক দলও দায়ী হলে দলকে শাস্তির আওতায় আনার বিধান থাকা উচিত।”

নির্বাচন-পূর্ব অভিযোগ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, “অভিযোগ জমা দেওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই নিষ্পত্তি করতে হবে। নাহলে প্রার্থীরা আদালতের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হবে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলবে।”

এছাড়া আচরণবিধি পাঠ প্রার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক করার দাবি জানান তিনি। বর্তমানে রিটার্নিং বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার উপস্থিতিতে আচরণবিধি পাঠ করা ঐচ্ছিক।
এ প্রসঙ্গে শিশির মনির বলেন, “ইশতেহার ও আচরণবিধি পাঠ বাধ্যতামূলক হলে নতুন প্রজন্মের কাছে একটি গঠনমূলক ও শিক্ষণীয় নির্বাচন সংস্কৃতি গড়ে উঠবে।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শাহজালাল (রহ.) মাজারে ৫ লাখ টাকা দিলেন ডিসি সারওয়ার

ইসির আচরণবিধিতে দ্বৈত নীতি ও অস্পষ্টতা: পোস্টার নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন শিশির মনির

আপডেট সময় ০২:১৯:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আয়োজিত সংলাপে প্রণীত আচরণবিধির বেশ কিছু অসঙ্গতি ও অস্পষ্টতা তুলে ধরেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রতিনিধিদলের সদস্য শিশির মনির। বিশেষভাবে পোস্টার ব্যবহারের নীতি, শাস্তি আরোপের এখতিয়ার এবং নির্বাচনী অভিযোগ নিষ্পত্তির সময়সীমা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত সংলাপে শিশির মনির বলেন, আচরণবিধির ৭-এর ‘ক’ উপধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে—“কোনো প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না”, অথচ একই ধারার ‘ঘ’ উপধারায় পোস্টারসহ বিভিন্ন প্রচারসামগ্রী অপসারণে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
তার প্রশ্ন—“একদিকে পোস্টার নিষিদ্ধ করছেন, আবার অন্যদিকে পোস্টার সরানো নিয়েও বিধান দিচ্ছেন—এ দ্বন্দ্ব কেন? এতে ইসির দ্বৈত নীতি স্পষ্ট হয়।”

শাস্তি আরোপের বিধানেও অস্পষ্টতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শিশির মনির বলেন, “আচরণবিধিতে কে শাস্তি আরোপ করবে তা স্পষ্ট নয়। কোনো প্রার্থীর অপরাধে তার রাজনৈতিক দলও দায়ী হলে দলকে শাস্তির আওতায় আনার বিধান থাকা উচিত।”

নির্বাচন-পূর্ব অভিযোগ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, “অভিযোগ জমা দেওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই নিষ্পত্তি করতে হবে। নাহলে প্রার্থীরা আদালতের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হবে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলবে।”

এছাড়া আচরণবিধি পাঠ প্রার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক করার দাবি জানান তিনি। বর্তমানে রিটার্নিং বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার উপস্থিতিতে আচরণবিধি পাঠ করা ঐচ্ছিক।
এ প্রসঙ্গে শিশির মনির বলেন, “ইশতেহার ও আচরণবিধি পাঠ বাধ্যতামূলক হলে নতুন প্রজন্মের কাছে একটি গঠনমূলক ও শিক্ষণীয় নির্বাচন সংস্কৃতি গড়ে উঠবে।”