দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী সফর শেষে প্রত্যেককে মৃত্যুর মধ্যদিয়ে চিরকালের আবাসস্থলে প্রবেশ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আখিরাতে যারা নিজেদের জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করতে পারবে, তারাই মূলত সফল হিসেবে বিবেচিত হবেন।
পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘প্রত্যেক প্রাণিকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে এবং কিয়ামতের দিন তাদের পূর্ণমাত্রায় বিনিময় দেয়া হবে। যে ব্যক্তিকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করা হলো এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হলো, অবশ্যই সে ব্যক্তি সফলকাম হলো, কেননা পার্থিব জীবন ছলনার বস্তু ছাড়া আর কিছুই নয়। (সুরা ইমরান, আয়াত: ১৮৫)
তবে যারা আখিরাতে সফলকাম হতে পারবে না, তাদের জন্য আছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। তারা হবেন জাহান্নামের স্থায়ী বাসিন্দা। এজন্য পরকালে সফল হতে মহান আল্লাহর হুকুম যেমন মেনে চলা জরুরি, তেমনি সব ধরনের গুনাহ থেকে বেঁচে থেকে রাসুল (সা.) এর আদর্শ ও তাঁর দেখানো পথ অনুসরণও জরুরি।
সবকিছুর অনিষ্ট থেকে বাঁচতে প্রতিদিন যে আমল করবেন
খোদ মহান রব ঘোষণা দিয়েছেন, ‘হে নবী আপনি তাদের বলে দিন- যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাসো, তাহলে আমার অনুসরণ করো, আল্লাহ তোমাদের ভালবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। আর আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’ (সুরা আল-ইমরান, আয়াত: ৩১)।
এজন্য বিভিন্ন সময়ে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) যেমন উম্মতদের নানা বিষয়ে আদেশ-নিষেধের কথা জানিয়েছেন, তেমনি বাতলে দিয়েছেন মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জনের পথও। এর মধ্যে একটি হাদিসে ৩ শ্রেণির মানুষের কথা এসেছে, পরকালে যাদের ঠিকানা হবে জাহান্নাম।
ইবনু উমার (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসটি হলো- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- ৩ শ্রেণির লোকের জন্য আল্লাহ তা’আলা জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন। সর্বদা মদ্যপায়ী, পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান এবং দাইয়ূস (পাপাচারের মতো কাজে যে পরিবারকে বাধা দেয় না)। (মেশকাত, ৩৬৫৫)

ডেস্ক রিপোর্ট 

























