ঢাকা , রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মনোনীত, কৃতজ্ঞতা জানিয়ে যা বললেন অলি আহমদ বিপিএলে দল নিতে চায় এলপিএল চ্যাম্পিয়ন ‘গল গ্যালান্টস’ দুই মাসের মধ্যে দেশের সব ইউনিটে কমিটি পুনর্গঠন করবে এনসিপি বিমানবন্দর থেকে সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন আটক জামায়াত কখনো সিদ্ধান্তে স্থির থাকতে পারে না: রাষ্ট্রপতির প্রার্থীতা নিয়ে রাশেদ খান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি ছাড়া কেউ মনোনয়নপত্র নেননি: ইসি সচিব হঠাৎ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে দেখলেন দায়িত্ব অবহেলা, সিভিল সার্জনকে বদলির নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বহিষ্কৃত গাজী নজরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন কি না জানালেন শিশির মনির ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রপতি পদে হতে যাচ্ছে ভোট দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে: ভারতীয় হাইকমিশনার

পুলিশের সঙ্গে টাকা ভাগ-বাঁটোয়ারা করে স্থানীয় বিএনপি নেতারা: রুমিন ফারহানা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • ১২৮ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের অর্থ ভাগবাটোয়ারা এবং সুবিধা আদায়ের অভিযোগ প্রায়ই গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত হয়। এই অভিযোগগুলোর মধ্যে চাঁদাবাজি, মামলার রফাদফা এবং সরকারি ত্রাণসামগ্রী বিতরণে অনিয়ম অন্যতম। পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের টাকা ভাগবাটোয়ারা ও মামলা বাণিজ্য সংক্রান্ত সাম্প্রতিক এক আলোচনায় এমন তথ্য তুলে ধরেছেন বর্তমান স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। সম্প্রতি এক বেসরকারি টিভি চ্যানেলে তিনি এই মন্তব্য করেছেন।

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে পুলিশের সরাসরি যোগাযোগ থাকে। স্থানীয় এই নেতারা পুলিশের সঙ্গে যোগসাজশে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে মামলায় কাদের আসামি করা হবে এবং কীভাবে করা হবে, তা নির্ধারণ করেন। তিনি বলেন, হাম নিয়ে যখন আমি প্রশ্ন তুললাম আমাকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বললেনএটা নিয়ে এত কথা বলা যাবে না, ভয় পেয়ে যাবে। ভয় পেলে ইমিউনিটি নষ্ট হয়ে যায়। আমি বললাম আমরা কি ৩০০ জন হামের রোগীর সামনে কথা বলতেছি। সরকার যখন বাটপারি করে যে সরকারই হোক এটা খুব মজা লাগে আমার। যে সরকার বালুর মধ্যে মুখ বুঝে মনে করে কেউ দেখে না, কেউ বুঝে না।

রুমিন ফারহানা বলেন, পুলিশের সঙ্গে টাকা পয়সা লোকাল বিএনপির লিডাররা ভাগ বাটোয়ারা করে বাণিজ্য করার জন্য ভয় দেখানো হয় ফোন দিয়ে। নাম কিন্তু দিয়ে দিব টাকা না দিলে। এত টাকা দিতে হবে। তিনি বলেন, আপনি যা করে যাবেন তার কয়েক গুণ আপনার ওপরে ফিরে আসবে। দীর্ঘদিন একদলীয় শাসন দেখেছি। এখনো তার ধারাবাহিকতা চলছে। তখন বিএনপি জামাতকে খেলার মাঠের বাইরে রেখে একরকমভাবে সংসদকে সাজানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখন আওয়ামী লীগ এবং বাম দলগুলোকে বাইরে রেখে আরেকভাবে সংসদকে চালানো হচ্ছে। বাংলাদেশ আজকে যেই অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে, সেই প্রেক্ষাপটে এই ধরনের একটি সংগঠন তৈরি করা এবং সেই সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব আমাদের প্রত্যেকের আমরা যারা আদালত পাড়ায় কাজ করি দীর্ঘ সময় কাজ করেছি। একই সঙ্গে আমরা যারা রাজনীতির মাঠে সক্রিয় আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব হবে এই সংগঠনের মতন সংগঠনকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া এবং তারা যাতে স্বাধীনভাবে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারে।

রুমিন ফারহানা বলেন, দেশের স্বার্থে সেটা নিশ্চিত করা। আমরা জানি রাষ্ট্রের তিনটা স্তম্ভনির্বাহী বিভাগ, বিচার বিভাগ ও আইন বিভাগ। নির্বাহী বিভাগ এবং আইন বিভাগ মোটামুটি একই রকম। কারণ নির্বাহী বিভাগের যিনি প্রধান তিনি আইনসভার প্রধান হন। এক অর্থে তাকে সংসদ নেতা বলা হয়। যিনি প্রধানমন্ত্রী, তিনিই সংসদ নেতা। বাকি থাকে কেবল বিচার বিভাগ এবং সে কারণেই দেখা যায় নির্বাহী বিভাগ বলেন, আর রাজনৈতিক দল বলেন, তাদের প্রধান লক্ষ্য থাকে কি করে বিচার বিভাগের ওপর পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা যায়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মনোনীত, কৃতজ্ঞতা জানিয়ে যা বললেন অলি আহমদ

পুলিশের সঙ্গে টাকা ভাগ-বাঁটোয়ারা করে স্থানীয় বিএনপি নেতারা: রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় ০৩:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের অর্থ ভাগবাটোয়ারা এবং সুবিধা আদায়ের অভিযোগ প্রায়ই গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত হয়। এই অভিযোগগুলোর মধ্যে চাঁদাবাজি, মামলার রফাদফা এবং সরকারি ত্রাণসামগ্রী বিতরণে অনিয়ম অন্যতম। পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের টাকা ভাগবাটোয়ারা ও মামলা বাণিজ্য সংক্রান্ত সাম্প্রতিক এক আলোচনায় এমন তথ্য তুলে ধরেছেন বর্তমান স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। সম্প্রতি এক বেসরকারি টিভি চ্যানেলে তিনি এই মন্তব্য করেছেন।

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে পুলিশের সরাসরি যোগাযোগ থাকে। স্থানীয় এই নেতারা পুলিশের সঙ্গে যোগসাজশে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে মামলায় কাদের আসামি করা হবে এবং কীভাবে করা হবে, তা নির্ধারণ করেন। তিনি বলেন, হাম নিয়ে যখন আমি প্রশ্ন তুললাম আমাকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বললেনএটা নিয়ে এত কথা বলা যাবে না, ভয় পেয়ে যাবে। ভয় পেলে ইমিউনিটি নষ্ট হয়ে যায়। আমি বললাম আমরা কি ৩০০ জন হামের রোগীর সামনে কথা বলতেছি। সরকার যখন বাটপারি করে যে সরকারই হোক এটা খুব মজা লাগে আমার। যে সরকার বালুর মধ্যে মুখ বুঝে মনে করে কেউ দেখে না, কেউ বুঝে না।

রুমিন ফারহানা বলেন, পুলিশের সঙ্গে টাকা পয়সা লোকাল বিএনপির লিডাররা ভাগ বাটোয়ারা করে বাণিজ্য করার জন্য ভয় দেখানো হয় ফোন দিয়ে। নাম কিন্তু দিয়ে দিব টাকা না দিলে। এত টাকা দিতে হবে। তিনি বলেন, আপনি যা করে যাবেন তার কয়েক গুণ আপনার ওপরে ফিরে আসবে। দীর্ঘদিন একদলীয় শাসন দেখেছি। এখনো তার ধারাবাহিকতা চলছে। তখন বিএনপি জামাতকে খেলার মাঠের বাইরে রেখে একরকমভাবে সংসদকে সাজানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখন আওয়ামী লীগ এবং বাম দলগুলোকে বাইরে রেখে আরেকভাবে সংসদকে চালানো হচ্ছে। বাংলাদেশ আজকে যেই অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে, সেই প্রেক্ষাপটে এই ধরনের একটি সংগঠন তৈরি করা এবং সেই সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব আমাদের প্রত্যেকের আমরা যারা আদালত পাড়ায় কাজ করি দীর্ঘ সময় কাজ করেছি। একই সঙ্গে আমরা যারা রাজনীতির মাঠে সক্রিয় আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব হবে এই সংগঠনের মতন সংগঠনকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া এবং তারা যাতে স্বাধীনভাবে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারে।

রুমিন ফারহানা বলেন, দেশের স্বার্থে সেটা নিশ্চিত করা। আমরা জানি রাষ্ট্রের তিনটা স্তম্ভনির্বাহী বিভাগ, বিচার বিভাগ ও আইন বিভাগ। নির্বাহী বিভাগ এবং আইন বিভাগ মোটামুটি একই রকম। কারণ নির্বাহী বিভাগের যিনি প্রধান তিনি আইনসভার প্রধান হন। এক অর্থে তাকে সংসদ নেতা বলা হয়। যিনি প্রধানমন্ত্রী, তিনিই সংসদ নেতা। বাকি থাকে কেবল বিচার বিভাগ এবং সে কারণেই দেখা যায় নির্বাহী বিভাগ বলেন, আর রাজনৈতিক দল বলেন, তাদের প্রধান লক্ষ্য থাকে কি করে বিচার বিভাগের ওপর পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা যায়।