বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কখনও তাদের সিদ্ধান্তে স্থির থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহাকরী রাশেদ খান। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করায় জামায়াত–এনসিপিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। আজ রবিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন রাশেদ খান। ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, জামায়াত কখনোই সিদ্ধান্তে স্থির থাকতে পারে না, সেটার প্রমাণ তারা আবারও দিলো রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির আগে প্রার্থী ঘোষণা করে।
এর আগে জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষরের সময়েও জামায়াত সিদ্ধান্ত পাল্টিয়েছে বলে অভিযোগ করেন রাশেদ খান। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী দল প্রার্থী দেবে না—এমন সংবাদের পর রাশেদ খান প্রশ্ন তুলেছিলেন, জাতীয় নির্বাচনে ক্ষমতায় যেতে পারবে না বুঝতে পেরেও কি জামায়াত–এনসিপি নির্বাচন বর্জন করেছিল?
নির্বাচনে জয়ের চেয়ে অংশগ্রহণ করা গণতান্ত্রিক সৌন্দর্যের অংশ জানিয়ে রাশেদ বলেন, ঠিক জাতীয় নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা বিরোধী দলের দায়িত্ব। বিরোধী দল হিসেবে ফাংশন করতে হলে, হেরে যাওয়ার নিশ্চিত সম্ভাবনা থাকলেও নির্বাচনী প্রক্রিয়াগুলোতে অংশগ্রহণ করতে হবে। এটাই সংসদীয় রাজনীতি। এই রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করায় জামায়াত–এনসিপিকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আজ রবিবার দুপুরে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করে ১১ দলীয় জোট। জোটের বৈঠক শেষে জোটের অন্যতম শরিক দল এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জানান, দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।
১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্ণেল (অব.) অলি আহমদকে নিয়ে রাশেদ খান ওই পোস্টে লিখেছেন, আমার ধারণা, কর্ণেল অলি আহমদ হয়তো জামায়াত–এনসিপির কাছেও বারডেন হয়ে যাচ্ছে। এজন্য তাকে কৌশলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী করে জোটের নেতৃত্ব থেকে বিদায় জানাল। অলি আহমদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ের সম্ভবনা নেই। আবার প্রার্থী হওয়ার পর আর জাতীয় রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে না বলেও জানান রাশেদ খান।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























