ঢাকা , সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আমরা আবারও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি: নাহিদ ইসলাম নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তেল আবিবের রাস্তায় নেমে এল হাজার হাজার মানুষ ২ মাসের মধ্যে তেল শোধন ক্ষমতা ৮০ শতাংশে ফেরাতে চায় ইরান জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজির মাধ্যমে সংসদে যাত্রা শুরু করেছে বিএনপি: জামায়াতে আমির এসএসসি পরীক্ষার হল পরিদর্শনে এমপিরা যেতে পারবেন না: শিক্ষামন্ত্রী জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে কোনো দলের ব্যানারে দেখতে চাই না: সারজিস আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়লো ইরানি প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাসঘাতকতা ও বিদ্বেষের কথা আমরা ভুলব না: ইরান সরকারের সিদ্ধান্তেই ইন্টারনেট বন্ধ হয়: জয়-পলকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন আইএসপিএবি সভাপতি ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন

জাতীয় পার্টির সম্মেলন নিয়ে দ্বিধা, উত্তেজনা—রাজনীতি ছাড়ার ইঙ্গিত জি এম কাদেরের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
  • ৫৭০ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় সম্মেলন ঘিরে দলটির অভ্যন্তরে দেখা দিয়েছে চরম বিভক্তি, উৎকণ্ঠা এবং নেতৃত্ব সংকট। আসন্ন ২৮ জুনের কেন্দ্রীয় সম্মেলন আয়োজন নিয়ে শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব আরও প্রকট হয়েছে। দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদের স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, তিনি প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠা নেতাদের সঙ্গে আর কোনো আপস করবেন না।

এক বিবৃতিতে জি এম কাদের বলেন, “আমি ওনাদের সঙ্গে আর রাজনীতি করতে চাই না। তাঁরা শেখ হাসিনার সময়েও অনেক যন্ত্রণা দিয়েছেন, আবার এখনো সেটি শুরু করেছেন। তারা যা ইচ্ছা করুক। প্রয়োজনে রাজনীতি ছেড়ে দেব, নীতি ছাড়ব না।” তার এ বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে যে, দলীয় কোন্দল নিরসন না হলে তিনি রাজনীতি থেকেও সরে দাঁড়াতে পারেন।

জাতীয় পার্টির ভেতরে চলমান বিরোধের কেন্দ্রে রয়েছেন দলের দুই জ্যেষ্ঠ নেতা—আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার। দলীয় সূত্র জানায়, তাদের নেতৃত্বেই ২৮ জুন সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। এমনকি জাতীয় পার্টি থেকে বেরিয়ে যাওয়া কিছু সাবেক শীর্ষ নেতাকেও ওই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জেলার নেতাদের সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ শুরু হয়েছে।

সম্মেলনের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে দলীয় গঠনতন্ত্রের ২০ ধারার (ক) উপধারা সংশোধন করা। এর মাধ্যমে ‘একক ও কর্তৃত্ববাদী’ নেতৃত্ব বাতিল করে যৌথ নেতৃত্ব চালুর প্রস্তাব রয়েছে। ফলে, এই সম্মেলন জি এম কাদেরের একক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একটি সংগঠিত অবস্থান হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

এদিকে রাজধানীর কাকরাইলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেই সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও এখনো প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি মেলেনি।

অন্যদিকে, জি এম কাদের তার পক্ষ থেকে ২৮ জুনের সম্মেলন স্থগিত ঘোষণা করেছেন। তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত স্থান চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের হল বরাদ্দ বাতিল হয়ে গেছে—এই কারণেই সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে বলে তার দাবি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা আবারও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় পার্টির সম্মেলন নিয়ে দ্বিধা, উত্তেজনা—রাজনীতি ছাড়ার ইঙ্গিত জি এম কাদেরের

আপডেট সময় ০৩:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় সম্মেলন ঘিরে দলটির অভ্যন্তরে দেখা দিয়েছে চরম বিভক্তি, উৎকণ্ঠা এবং নেতৃত্ব সংকট। আসন্ন ২৮ জুনের কেন্দ্রীয় সম্মেলন আয়োজন নিয়ে শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব আরও প্রকট হয়েছে। দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদের স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, তিনি প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠা নেতাদের সঙ্গে আর কোনো আপস করবেন না।

এক বিবৃতিতে জি এম কাদের বলেন, “আমি ওনাদের সঙ্গে আর রাজনীতি করতে চাই না। তাঁরা শেখ হাসিনার সময়েও অনেক যন্ত্রণা দিয়েছেন, আবার এখনো সেটি শুরু করেছেন। তারা যা ইচ্ছা করুক। প্রয়োজনে রাজনীতি ছেড়ে দেব, নীতি ছাড়ব না।” তার এ বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে যে, দলীয় কোন্দল নিরসন না হলে তিনি রাজনীতি থেকেও সরে দাঁড়াতে পারেন।

জাতীয় পার্টির ভেতরে চলমান বিরোধের কেন্দ্রে রয়েছেন দলের দুই জ্যেষ্ঠ নেতা—আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার। দলীয় সূত্র জানায়, তাদের নেতৃত্বেই ২৮ জুন সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। এমনকি জাতীয় পার্টি থেকে বেরিয়ে যাওয়া কিছু সাবেক শীর্ষ নেতাকেও ওই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জেলার নেতাদের সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ শুরু হয়েছে।

সম্মেলনের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে দলীয় গঠনতন্ত্রের ২০ ধারার (ক) উপধারা সংশোধন করা। এর মাধ্যমে ‘একক ও কর্তৃত্ববাদী’ নেতৃত্ব বাতিল করে যৌথ নেতৃত্ব চালুর প্রস্তাব রয়েছে। ফলে, এই সম্মেলন জি এম কাদেরের একক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একটি সংগঠিত অবস্থান হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

এদিকে রাজধানীর কাকরাইলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেই সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও এখনো প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি মেলেনি।

অন্যদিকে, জি এম কাদের তার পক্ষ থেকে ২৮ জুনের সম্মেলন স্থগিত ঘোষণা করেছেন। তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত স্থান চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের হল বরাদ্দ বাতিল হয়ে গেছে—এই কারণেই সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে বলে তার দাবি।