ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নেতানিয়াহুর ভাষণ বর্জন করে কাসেম সোলাইমানির ছবি রেখে গেল ইরান আল্লাহর আইন যারা চায়, তাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী অগ্রগামী: জামায়াত আমির ইউক্রেনে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইসরায়েলি কিশোরসহ নিহত ৫ সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক জিয়া মঞ্চের ’জিয়া’ গ্রেপ্তার ইয়াবা দিয়ে বাবা ও মেয়েকে ফাঁসাতে গিয়ে এসআই প্রত্যাহার তুরস্কের নারী প্রতিনিধিদলের সাথে জামায়াতের মতবিনিময় ও সেমিনার নরসিংদী শহরে মদের দোকান বন্ধের দাবি স্থানীয়দের, তালা দিল যুবদল-ছাত্রদল ভেরিফিকেশনের নামে মেধাবীদের হয়রানির দায় সরকারকেই নিতে হবে: জামায়াত টাঙ্গাইলে মাদক ব্যবসায়ির বাড়ি ভেঙে দিল এলাকাবাসী

জাতীয় পার্টির সম্মেলন নিয়ে দ্বিধা, উত্তেজনা—রাজনীতি ছাড়ার ইঙ্গিত জি এম কাদেরের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
  • ৭৪০ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় সম্মেলন ঘিরে দলটির অভ্যন্তরে দেখা দিয়েছে চরম বিভক্তি, উৎকণ্ঠা এবং নেতৃত্ব সংকট। আসন্ন ২৮ জুনের কেন্দ্রীয় সম্মেলন আয়োজন নিয়ে শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব আরও প্রকট হয়েছে। দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদের স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, তিনি প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠা নেতাদের সঙ্গে আর কোনো আপস করবেন না।

এক বিবৃতিতে জি এম কাদের বলেন, “আমি ওনাদের সঙ্গে আর রাজনীতি করতে চাই না। তাঁরা শেখ হাসিনার সময়েও অনেক যন্ত্রণা দিয়েছেন, আবার এখনো সেটি শুরু করেছেন। তারা যা ইচ্ছা করুক। প্রয়োজনে রাজনীতি ছেড়ে দেব, নীতি ছাড়ব না।” তার এ বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে যে, দলীয় কোন্দল নিরসন না হলে তিনি রাজনীতি থেকেও সরে দাঁড়াতে পারেন।

জাতীয় পার্টির ভেতরে চলমান বিরোধের কেন্দ্রে রয়েছেন দলের দুই জ্যেষ্ঠ নেতা—আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার। দলীয় সূত্র জানায়, তাদের নেতৃত্বেই ২৮ জুন সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। এমনকি জাতীয় পার্টি থেকে বেরিয়ে যাওয়া কিছু সাবেক শীর্ষ নেতাকেও ওই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জেলার নেতাদের সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ শুরু হয়েছে।

সম্মেলনের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে দলীয় গঠনতন্ত্রের ২০ ধারার (ক) উপধারা সংশোধন করা। এর মাধ্যমে ‘একক ও কর্তৃত্ববাদী’ নেতৃত্ব বাতিল করে যৌথ নেতৃত্ব চালুর প্রস্তাব রয়েছে। ফলে, এই সম্মেলন জি এম কাদেরের একক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একটি সংগঠিত অবস্থান হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

এদিকে রাজধানীর কাকরাইলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেই সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও এখনো প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি মেলেনি।

অন্যদিকে, জি এম কাদের তার পক্ষ থেকে ২৮ জুনের সম্মেলন স্থগিত ঘোষণা করেছেন। তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত স্থান চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের হল বরাদ্দ বাতিল হয়ে গেছে—এই কারণেই সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে বলে তার দাবি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নেতানিয়াহুর ভাষণ বর্জন করে কাসেম সোলাইমানির ছবি রেখে গেল ইরান

জাতীয় পার্টির সম্মেলন নিয়ে দ্বিধা, উত্তেজনা—রাজনীতি ছাড়ার ইঙ্গিত জি এম কাদেরের

আপডেট সময় ০৩:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় সম্মেলন ঘিরে দলটির অভ্যন্তরে দেখা দিয়েছে চরম বিভক্তি, উৎকণ্ঠা এবং নেতৃত্ব সংকট। আসন্ন ২৮ জুনের কেন্দ্রীয় সম্মেলন আয়োজন নিয়ে শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব আরও প্রকট হয়েছে। দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদের স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, তিনি প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠা নেতাদের সঙ্গে আর কোনো আপস করবেন না।

এক বিবৃতিতে জি এম কাদের বলেন, “আমি ওনাদের সঙ্গে আর রাজনীতি করতে চাই না। তাঁরা শেখ হাসিনার সময়েও অনেক যন্ত্রণা দিয়েছেন, আবার এখনো সেটি শুরু করেছেন। তারা যা ইচ্ছা করুক। প্রয়োজনে রাজনীতি ছেড়ে দেব, নীতি ছাড়ব না।” তার এ বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে যে, দলীয় কোন্দল নিরসন না হলে তিনি রাজনীতি থেকেও সরে দাঁড়াতে পারেন।

জাতীয় পার্টির ভেতরে চলমান বিরোধের কেন্দ্রে রয়েছেন দলের দুই জ্যেষ্ঠ নেতা—আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার। দলীয় সূত্র জানায়, তাদের নেতৃত্বেই ২৮ জুন সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। এমনকি জাতীয় পার্টি থেকে বেরিয়ে যাওয়া কিছু সাবেক শীর্ষ নেতাকেও ওই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জেলার নেতাদের সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ শুরু হয়েছে।

সম্মেলনের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে দলীয় গঠনতন্ত্রের ২০ ধারার (ক) উপধারা সংশোধন করা। এর মাধ্যমে ‘একক ও কর্তৃত্ববাদী’ নেতৃত্ব বাতিল করে যৌথ নেতৃত্ব চালুর প্রস্তাব রয়েছে। ফলে, এই সম্মেলন জি এম কাদেরের একক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একটি সংগঠিত অবস্থান হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

এদিকে রাজধানীর কাকরাইলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেই সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও এখনো প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি মেলেনি।

অন্যদিকে, জি এম কাদের তার পক্ষ থেকে ২৮ জুনের সম্মেলন স্থগিত ঘোষণা করেছেন। তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত স্থান চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের হল বরাদ্দ বাতিল হয়ে গেছে—এই কারণেই সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে বলে তার দাবি।