ঢাকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভুয়া বিল দেখিয়ে ৬৪ লাখ টাকা নিয়েছেন উপদেষ্টা ফারুকী: মাসুদ কামাল আর হামলা নয়, ইরানের ওপর দীর্ঘমেয়াদী নৌ-অবরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রাম্প ইরানের পরমাণু অস্ত্র থাকা উচিত নয়, রাজা চার্লসও আমার সঙ্গে একমত: ট্রাম্প গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শক হিসেবে যোগ দিয়েছেন অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ বজ্রাঘাতে কোল থেকে ছিটকে পড়ে ছোট্ট সাফিয়া, প্রাণ গেল বাবার চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে ২ বছরের শিশুকে বাঁচালেন বাবা টাকা তুলতে বোনের কঙ্কাল কাঁধে নিয়ে ব্যাংকে হাজির ভাই বরিশালে বজ্রপাতে শিক্ষকসহ ১৬ শিক্ষার্থী আহত গাজা যুদ্ধ শুরুর পর ১৮ শতাধিক শিশু ধরে নিয়ে গেছে ইসরায়েল রূপপুর কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ মিলবে ৬০ বছর

জাতীয় পার্টির সম্মেলন নিয়ে দ্বিধা, উত্তেজনা—রাজনীতি ছাড়ার ইঙ্গিত জি এম কাদেরের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
  • ৫৯৫ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় সম্মেলন ঘিরে দলটির অভ্যন্তরে দেখা দিয়েছে চরম বিভক্তি, উৎকণ্ঠা এবং নেতৃত্ব সংকট। আসন্ন ২৮ জুনের কেন্দ্রীয় সম্মেলন আয়োজন নিয়ে শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব আরও প্রকট হয়েছে। দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদের স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, তিনি প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠা নেতাদের সঙ্গে আর কোনো আপস করবেন না।

এক বিবৃতিতে জি এম কাদের বলেন, “আমি ওনাদের সঙ্গে আর রাজনীতি করতে চাই না। তাঁরা শেখ হাসিনার সময়েও অনেক যন্ত্রণা দিয়েছেন, আবার এখনো সেটি শুরু করেছেন। তারা যা ইচ্ছা করুক। প্রয়োজনে রাজনীতি ছেড়ে দেব, নীতি ছাড়ব না।” তার এ বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে যে, দলীয় কোন্দল নিরসন না হলে তিনি রাজনীতি থেকেও সরে দাঁড়াতে পারেন।

জাতীয় পার্টির ভেতরে চলমান বিরোধের কেন্দ্রে রয়েছেন দলের দুই জ্যেষ্ঠ নেতা—আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার। দলীয় সূত্র জানায়, তাদের নেতৃত্বেই ২৮ জুন সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। এমনকি জাতীয় পার্টি থেকে বেরিয়ে যাওয়া কিছু সাবেক শীর্ষ নেতাকেও ওই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জেলার নেতাদের সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ শুরু হয়েছে।

সম্মেলনের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে দলীয় গঠনতন্ত্রের ২০ ধারার (ক) উপধারা সংশোধন করা। এর মাধ্যমে ‘একক ও কর্তৃত্ববাদী’ নেতৃত্ব বাতিল করে যৌথ নেতৃত্ব চালুর প্রস্তাব রয়েছে। ফলে, এই সম্মেলন জি এম কাদেরের একক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একটি সংগঠিত অবস্থান হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

এদিকে রাজধানীর কাকরাইলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেই সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও এখনো প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি মেলেনি।

অন্যদিকে, জি এম কাদের তার পক্ষ থেকে ২৮ জুনের সম্মেলন স্থগিত ঘোষণা করেছেন। তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত স্থান চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের হল বরাদ্দ বাতিল হয়ে গেছে—এই কারণেই সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে বলে তার দাবি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভুয়া বিল দেখিয়ে ৬৪ লাখ টাকা নিয়েছেন উপদেষ্টা ফারুকী: মাসুদ কামাল

জাতীয় পার্টির সম্মেলন নিয়ে দ্বিধা, উত্তেজনা—রাজনীতি ছাড়ার ইঙ্গিত জি এম কাদেরের

আপডেট সময় ০৩:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় সম্মেলন ঘিরে দলটির অভ্যন্তরে দেখা দিয়েছে চরম বিভক্তি, উৎকণ্ঠা এবং নেতৃত্ব সংকট। আসন্ন ২৮ জুনের কেন্দ্রীয় সম্মেলন আয়োজন নিয়ে শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব আরও প্রকট হয়েছে। দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদের স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, তিনি প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠা নেতাদের সঙ্গে আর কোনো আপস করবেন না।

এক বিবৃতিতে জি এম কাদের বলেন, “আমি ওনাদের সঙ্গে আর রাজনীতি করতে চাই না। তাঁরা শেখ হাসিনার সময়েও অনেক যন্ত্রণা দিয়েছেন, আবার এখনো সেটি শুরু করেছেন। তারা যা ইচ্ছা করুক। প্রয়োজনে রাজনীতি ছেড়ে দেব, নীতি ছাড়ব না।” তার এ বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে যে, দলীয় কোন্দল নিরসন না হলে তিনি রাজনীতি থেকেও সরে দাঁড়াতে পারেন।

জাতীয় পার্টির ভেতরে চলমান বিরোধের কেন্দ্রে রয়েছেন দলের দুই জ্যেষ্ঠ নেতা—আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার। দলীয় সূত্র জানায়, তাদের নেতৃত্বেই ২৮ জুন সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। এমনকি জাতীয় পার্টি থেকে বেরিয়ে যাওয়া কিছু সাবেক শীর্ষ নেতাকেও ওই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জেলার নেতাদের সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ শুরু হয়েছে।

সম্মেলনের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে দলীয় গঠনতন্ত্রের ২০ ধারার (ক) উপধারা সংশোধন করা। এর মাধ্যমে ‘একক ও কর্তৃত্ববাদী’ নেতৃত্ব বাতিল করে যৌথ নেতৃত্ব চালুর প্রস্তাব রয়েছে। ফলে, এই সম্মেলন জি এম কাদেরের একক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একটি সংগঠিত অবস্থান হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

এদিকে রাজধানীর কাকরাইলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেই সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও এখনো প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি মেলেনি।

অন্যদিকে, জি এম কাদের তার পক্ষ থেকে ২৮ জুনের সম্মেলন স্থগিত ঘোষণা করেছেন। তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত স্থান চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের হল বরাদ্দ বাতিল হয়ে গেছে—এই কারণেই সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে বলে তার দাবি।