আজ শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে নরসিংদীতে আঘাত হানা ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কমপক্ষে পাঁচজন নিহত এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। শক্তিশালী এই কম্পনে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বাড়িঘর, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নরসিংদী সদর উপজেলার চিনিশপুর ইউনিয়নের গাবতলি গ্রামে ভবনের দেয়াল ধসে ৮ বছরের শিশু হাফেজ ওমর ফারুক মারা যায়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার বাবা দেলোয়ার হোসেনও মৃত্যুবরণ করেন।
শিবপুরের জয়নগর ইউনিয়নের আজকিতলা গ্রামে গাছ থেকে পড়ে ফোরকান (৩৫) নামে এক ব্যক্তি প্রাণ হারান। এছাড়া পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের কাজম আলী (৭৫) এবং ডাঙ্গা ইউনিয়নের নাসির উদ্দীন (৬৫) ভূমিকম্পে আহত হয়ে মারা যান।
ভূমিকম্পের প্রভাবে নরসিংদী শহরসহ পলাশ, শিবপুর, রায়পুরা, মনোহরদী, বেলাবো ও মাধবদী এলাকায় অসংখ্য ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে; কোথাও কোথাও ভবন হেলে পড়েছে। পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এছাড়া পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চারটি আবাসিক ভবনেও ফাটল সৃষ্টি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) জানায়, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদী সদর থেকে ১৪ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























