ঢাকা , বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মারা গেলেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফিক নেওয়াজ প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে স্মরণীয় অভ্যর্থনা জানানো হবে: দীনেশ ত্রিবেদী কলকাতা নিউ মার্কেটের পাশের হোটেলে ভয়াবহ আগুনে নিহত ৯, সবাই হতে পারেন বাংলাদেশি ভারতে মুসলিম যুবকের পরিবারের জন্য ৪ দফা দাবি ককরোচদের নুরের চরিত্র জাতির সামনে উন্মোচনের ঘোষণা সাংবাদিক ইলিয়াসের সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফিক নেওয়াজ আর নেই এনএসআই পরিচয়ে মাদক উদ্ধারে গিয়ে যুবক আটক জনসভায় প্রকাশ্যে ছাত্রলীগের নাম উল্লেখ করে বিতর্কে ইউএনও আগ্নেয়াস্ত্র হাতে মহড়া: সেই বাপ্পিকে ছেড়ে দেওয়ায় থানা ঘেরাও, সড়ক অবরোধ রাজশাহীতে চলন্ত ট্রেন থেকে তেল চুরি, তদন্ত কমিটি গঠন

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২০৯ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীর জামিন পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) শুনানি শেষে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীর এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি।

এদিন আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন করে বলেন, আনিস আলমগীর সম্পূর্ণ নির্দোষ ও নিরপরাধ ব্যক্তি, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক। মামলার ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ষড়যন্ত্র ও হয়রানির উদ্দেশ্যেই তাকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। এজাহারে তার নাম থাকলেও তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ নেই এবং তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সদস্য নন।

শুনানিতে আরও বলা হয়, আনিস আলমগীর একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক। মামলায় উল্লিখিত ধারাগুলোর কোনোটিই তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এসব যুক্তি বিবেচনায় নিয়ে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্সের সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের পাশাপাশি অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকেও আসামি করা হয়। গত ১৫ ডিসেম্বর আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর তার অনুসারীরা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন টকশোতে নিষিদ্ধ সংগঠন পুনর্বাসনের প্রপাগান্ডা চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মারা গেলেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফিক নেওয়াজ

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন

আপডেট সময় ০৮:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীর জামিন পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) শুনানি শেষে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীর এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি।

এদিন আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন করে বলেন, আনিস আলমগীর সম্পূর্ণ নির্দোষ ও নিরপরাধ ব্যক্তি, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক। মামলার ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ষড়যন্ত্র ও হয়রানির উদ্দেশ্যেই তাকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। এজাহারে তার নাম থাকলেও তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ নেই এবং তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সদস্য নন।

শুনানিতে আরও বলা হয়, আনিস আলমগীর একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক। মামলায় উল্লিখিত ধারাগুলোর কোনোটিই তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এসব যুক্তি বিবেচনায় নিয়ে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্সের সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের পাশাপাশি অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকেও আসামি করা হয়। গত ১৫ ডিসেম্বর আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর তার অনুসারীরা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন টকশোতে নিষিদ্ধ সংগঠন পুনর্বাসনের প্রপাগান্ডা চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।