ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাহারায় তৃষ্ণায় প্রাণ গেল ৪৯ জনের, বিকল ট্রাকে আটকা ছিলেন যাত্রীরা দ্রুত হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিতের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভ মিছিল ৩ কোটি টাকার ‘ডিল’ অভিযোগের জেরে ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ ‘রাজপথ ছাড়ব না’, নোয়াখালী সমাবেশে ছাত্রলীগ নেতার হুঁশিয়ারি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে চট্টগ্রামে যুবলীগের বিক্ষোভ, ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই শনাক্তে পুলিশের অভিযান বলের মধ্যেই নজরদারি, ধরা পড়বে অফসাইড – ২০২৬ বিশ্বকাপে যে মহিষের চুল আঁচড়াতেও ছিল ট্রাম্প স্টাইল, এখন তাকে দেখে চিনতেই কষ্ট! এবার কন্যা সন্তানের বাবা-মা হলেন শাকিব-বুবলী জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: তিতুমীর

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১২৭ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীর জামিন পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) শুনানি শেষে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীর এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি।

এদিন আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন করে বলেন, আনিস আলমগীর সম্পূর্ণ নির্দোষ ও নিরপরাধ ব্যক্তি, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক। মামলার ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ষড়যন্ত্র ও হয়রানির উদ্দেশ্যেই তাকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। এজাহারে তার নাম থাকলেও তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ নেই এবং তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সদস্য নন।

শুনানিতে আরও বলা হয়, আনিস আলমগীর একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক। মামলায় উল্লিখিত ধারাগুলোর কোনোটিই তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এসব যুক্তি বিবেচনায় নিয়ে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্সের সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের পাশাপাশি অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকেও আসামি করা হয়। গত ১৫ ডিসেম্বর আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর তার অনুসারীরা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন টকশোতে নিষিদ্ধ সংগঠন পুনর্বাসনের প্রপাগান্ডা চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সাহারায় তৃষ্ণায় প্রাণ গেল ৪৯ জনের, বিকল ট্রাকে আটকা ছিলেন যাত্রীরা

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন

আপডেট সময় ০৮:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীর জামিন পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) শুনানি শেষে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীর এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি।

এদিন আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন করে বলেন, আনিস আলমগীর সম্পূর্ণ নির্দোষ ও নিরপরাধ ব্যক্তি, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক। মামলার ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ষড়যন্ত্র ও হয়রানির উদ্দেশ্যেই তাকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। এজাহারে তার নাম থাকলেও তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ নেই এবং তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সদস্য নন।

শুনানিতে আরও বলা হয়, আনিস আলমগীর একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক। মামলায় উল্লিখিত ধারাগুলোর কোনোটিই তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এসব যুক্তি বিবেচনায় নিয়ে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্সের সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের পাশাপাশি অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকেও আসামি করা হয়। গত ১৫ ডিসেম্বর আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর তার অনুসারীরা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন টকশোতে নিষিদ্ধ সংগঠন পুনর্বাসনের প্রপাগান্ডা চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।