ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমরা ব্রাজিলিয়ানরাও তোমাদের ভালোবাসি‘ জার্মান সেই গণিতবিদকে এক হাত নিলেন নেইমার যাঁরা বাংলাদেশ চাননি, তাঁদের কেন রাষ্ট্রপতি–প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছিলেন: বিএনপিকে পরওয়ার শেখ পরিবারের ৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তন না করায় সিনেট থেকে ডাকসু নেতাদের ওয়াকআউট সংসদে ‘ঋণখেলাপি’ প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত এমপির প্রশ্ন, যা বললেন স্পিকার মেসিকে বিশেষ উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিলেন কেপ ভার্দের প্রেসিডেন্ট মাদক কারবারিকে এআই দিয়ে ব্রাজিলের জার্সি পরানো সেই এসআইকে শোকজ চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগে কাঞ্চন পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বহিষ্কার ইকরার আত্মহত্যা: দুই দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে যাহের আলভী গোপালগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ২৫

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৫৩ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীর জামিন পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) শুনানি শেষে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীর এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি।

এদিন আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন করে বলেন, আনিস আলমগীর সম্পূর্ণ নির্দোষ ও নিরপরাধ ব্যক্তি, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক। মামলার ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ষড়যন্ত্র ও হয়রানির উদ্দেশ্যেই তাকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। এজাহারে তার নাম থাকলেও তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ নেই এবং তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সদস্য নন।

শুনানিতে আরও বলা হয়, আনিস আলমগীর একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক। মামলায় উল্লিখিত ধারাগুলোর কোনোটিই তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এসব যুক্তি বিবেচনায় নিয়ে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্সের সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের পাশাপাশি অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকেও আসামি করা হয়। গত ১৫ ডিসেম্বর আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর তার অনুসারীরা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন টকশোতে নিষিদ্ধ সংগঠন পুনর্বাসনের প্রপাগান্ডা চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমরা ব্রাজিলিয়ানরাও তোমাদের ভালোবাসি‘

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন

আপডেট সময় ০৮:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীর জামিন পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) শুনানি শেষে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীর এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি।

এদিন আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন করে বলেন, আনিস আলমগীর সম্পূর্ণ নির্দোষ ও নিরপরাধ ব্যক্তি, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক। মামলার ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ষড়যন্ত্র ও হয়রানির উদ্দেশ্যেই তাকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। এজাহারে তার নাম থাকলেও তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ নেই এবং তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সদস্য নন।

শুনানিতে আরও বলা হয়, আনিস আলমগীর একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক। মামলায় উল্লিখিত ধারাগুলোর কোনোটিই তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এসব যুক্তি বিবেচনায় নিয়ে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্সের সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের পাশাপাশি অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকেও আসামি করা হয়। গত ১৫ ডিসেম্বর আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর তার অনুসারীরা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন টকশোতে নিষিদ্ধ সংগঠন পুনর্বাসনের প্রপাগান্ডা চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।