ঢাকা , শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সরকারের ব্যর্থতার কারণে দেশে খুন, ধর্ষণ ও নাগরিক নিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে: আসিফ মাহমুদ পদত্যাগ করলেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি: আসছে বড় ঘোষণা? চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ: দায় স্বীকার করে আসামির জবানবন্দি যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ইরান: আইআরজিসি কমান্ডার রাসুলুল্লাহ পাকিস্তানে নতুন দল ‘তেলাপোকা’ আওয়ামী লীগের আত্মপ্রকাশ নাসীরুদ্দীনের ওপর হামলায় ছাত্রদলের ৮ নেতার বিরুদ্ধে মামলা ঝিনাইদহে থানায় ছাত্রদলের হামলার অভিযোগ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর অতীতেও নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন গ্রেপ্তার সোহেল রানা এনসিপিতে যুক্ত হলেন প্রায় দেড় হাজার নতুন সদস্য

রামিসা হত্যা: কালশীতে সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৭:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ফুঁসে উঠেছেন স্থানীয় জনতা। এ সময় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা।

 

শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যার পর থেকে কালশী রোডের ফুলকলি ও আধুনিকের মোড় এলাকায় সড়কে নেমে আন্দোলন করেন তারা। এতে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

 

বিক্ষোভে অংশ নেন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। তারা ‘জাস্টিস ফর রামিসা’, ‘ফাঁসি চাই’, ‘আমার বোন খুন হলো কেন?’, ‘অপরাধীর আস্তানা ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’ স্লোগান দিয়ে পুরো এলাকা মুখর করে তোলেন।

 

বিক্ষুব্ধ জনতা বলেন, শিশু রামিসা হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বিচারপ্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের দীর্ঘসূত্রতা মেনে নেওয়া হবে না।

 

তারা রামিসা হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই রায় কার্যকর করার দাবি জানান।

 

ধর্ষকের প্রকাশ্য মৃত্যুদণ্ডকে ‘মধ্যযুগীয়’ বলা ইসলামি মূল্যবোধের প্রতি অবজ্ঞা

তারা আরও অভিযোগ করে বলেন, দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও দীর্ঘসূত্রতার কারণেই একের পর এক নৃশংস ঘটনা ঘটছে। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

 

গত ১৯ মে (মঙ্গলবার) সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা করে গ্রেপ্তার সোহেল রানা। পরে পুলিশ এসে তার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি জাকির হোসেন ওরফে সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে এবং সোহেলের স্ত্রী স্বপ্নাকে ওই ফ্ল্যাট থেকে আটক করে পুলিশ। পরে আদালতে নিলে কারাগারে পাঠানো হয়। আদালতে সোহেল হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

 

এ ঘটনা দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফুঁসে ওঠে মানুষ। গত কয়েক দিন ধরে নানা রাজনৈতিক দল ও সংগঠন থেকে বিক্ষোভ ও আন্দোলন চলমান রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের ব্যর্থতার কারণে দেশে খুন, ধর্ষণ ও নাগরিক নিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে: আসিফ মাহমুদ

রামিসা হত্যা: কালশীতে সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

আপডেট সময় ১০:৩৭:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ফুঁসে উঠেছেন স্থানীয় জনতা। এ সময় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা।

 

শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যার পর থেকে কালশী রোডের ফুলকলি ও আধুনিকের মোড় এলাকায় সড়কে নেমে আন্দোলন করেন তারা। এতে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

 

বিক্ষোভে অংশ নেন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। তারা ‘জাস্টিস ফর রামিসা’, ‘ফাঁসি চাই’, ‘আমার বোন খুন হলো কেন?’, ‘অপরাধীর আস্তানা ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’ স্লোগান দিয়ে পুরো এলাকা মুখর করে তোলেন।

 

বিক্ষুব্ধ জনতা বলেন, শিশু রামিসা হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বিচারপ্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের দীর্ঘসূত্রতা মেনে নেওয়া হবে না।

 

তারা রামিসা হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই রায় কার্যকর করার দাবি জানান।

 

ধর্ষকের প্রকাশ্য মৃত্যুদণ্ডকে ‘মধ্যযুগীয়’ বলা ইসলামি মূল্যবোধের প্রতি অবজ্ঞা

তারা আরও অভিযোগ করে বলেন, দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও দীর্ঘসূত্রতার কারণেই একের পর এক নৃশংস ঘটনা ঘটছে। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

 

গত ১৯ মে (মঙ্গলবার) সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা করে গ্রেপ্তার সোহেল রানা। পরে পুলিশ এসে তার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি জাকির হোসেন ওরফে সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে এবং সোহেলের স্ত্রী স্বপ্নাকে ওই ফ্ল্যাট থেকে আটক করে পুলিশ। পরে আদালতে নিলে কারাগারে পাঠানো হয়। আদালতে সোহেল হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

 

এ ঘটনা দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফুঁসে ওঠে মানুষ। গত কয়েক দিন ধরে নানা রাজনৈতিক দল ও সংগঠন থেকে বিক্ষোভ ও আন্দোলন চলমান রয়েছে।