সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে জামায়াতে ইসলামী দলকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন নারী শক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন।
একইসঙ্গে ভুক্তভোগী কিশোরীর নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে নিজের ফেসবুক পোস্টে এ শঙ্কা প্রকাশ করেন মনিরা শারমিন।
এনসিপি নেত্রী লেখেন, ‘নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় জামায়াতের সাতক্ষীরা ৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু ক্ষমতাকে ব্যবহার করে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে একজন অপ্রাপ্ত বয়ষ্কা কিশোরীকে নাটকীয় বিয়ের মাধ্যমে নিজের সম্মান রক্ষা করার অপরাধের শাস্তি কি? এমপি থাকার নৈতিক যোগ্যতা তার আছে? প্রশ্ন রাখলাম।’
তিনি লেখেন, ‘গতকাল থেকে যে কয়টা মিডিয়াতে কথা বলার সুযোগ হয়েছে প্রতিটা জায়গায় এই একটা কথা বলার চেষ্টা করেছি যে, ২য় স্ত্রী বলে দাবি করা কিশোরীকে যেভাবে ফ্রেম করা হয়েছে, তাতে তার সামাজিক ও পারিবারিক জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠবে। তার ব্যক্তিগত তথ্য পাবলিক করা হয়েছে। এই কিশোরীকে সামাজিকভাবে হয়রানি হওয়ার সুযোগ তৈরিতে আমরা রসদ জুগিয়েছি। মেয়েটা যে অরক্ষিত হল, এই দায়ভার কে নেবে?’
মনিরা শারমিন আরও লেখেন, ‘আমি মেয়েটির অধিকারের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে বিএনপির কর্মী সমর্থকদের কাছ থেকে অশ্রাব্য ভাষায় গালমন্দ শুনেছি। আবার কেন এনসিপির জোটে থেকেও জোটসঙ্গীর বিরুদ্ধে বলছি এই নিয়ে জামায়াত-শিবিরের কর্মী সমর্থকদের অশ্রাব্য গালি গালাজ হজম করলাম। এইসব নৈতিকতা বিবর্জিত কর্মী সমর্থক লইয়া এ জাতি কোথায় যাবে? কই এখন নারীবাদীরা কই? অবশ্য এই মেয়েটা তো এলিট সোসাইটিতে বিলং করে না, দরিদ্র পরিবারের। তার রাইট অব প্রাইভেসি বিঘ্নিত হলে সুশীল সমাজ বা নারীবাদীদের কোন অসুবিধা নাই।’

ডেস্ক রিপোর্ট 


















