ঢাকা , রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
তফসিল এ সপ্তাহেই, ভোটের সময় বাড়বে এক ঘণ্টা: ইসি সানাউল্লাহ টাকা, প্রভাবশালী মামা-খালু-শ্বশুর না থাকলে রাজনীতি কইরেন না: দুধ দিয়ে গোসল যুবদল নেতার নিজ এলাকায় বিক্ষুব্ধ জনতার স্লোগান ‘ফুয়াদের দুই গালে জুতা মারো তালে তালে’ ভয়াবহ হামলায় একদিনে ১৪৫০ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত বিকেলে এনসিপিসহ তিন দলের নতুন জোটের ঘোষণা ঘরে ঢুকে মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা শেখ হাসিনাকে উদ্ধারে বিমানঘাঁটি ও কমান্ডো প্লাটুন প্রস্তুত রেখেছিল ভারত ছাত্রের মাকে কুপ্রস্তা, জামায়াত নেতা সাময়িক বহিষ্কার সাইবার যুদ্ধে হেরে গেলে পরাজিত হতে হবে: মির্জা ফখরুল প্রকাশ্যে নদী থেকে মাটি লুট করছেন বিএনপি নেতা মাহফুজ

বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১৫, মিছিলে গুলির অভিযোগ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৪৩:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৬৯ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল রক্তক্ষয়ী রূপ নিয়েছে। শনিবার (২২ নভেম্বর) বিকেলে ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদার নেতৃত্বে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রচার মিছিলকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে হামলা ও গুলির অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি নেতা–কর্মীদের।

বিকেলে বাজিতপুর পৌর ও উপজেলা বিএনপির ব্যানারে মিছিলটি বের হয়। বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতা–কর্মীরা সদরের কোর্ট মাঠমুখী মিছিলে যোগ দিতে আসার পথে ফায়ার সার্ভিস মোড়, মথুরাপুর মোড়, সরিষাপুর ও হালিমপুরসহ একাধিক পয়েন্টে গুলি ছোড়া ও পথরোধ করে মারধরের ঘটনা ঘটে।

সরারচর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরান অভিযোগ করেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনিরের অনুসারীরা মিছিলে পৌঁছানোর পথেই তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনিসহ কয়েকজন আহত হন।
গাজিরচর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন মিয়ার দাবি, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের অনুসারীরা তাদের মিছিলে হামলা করে।

জেলা যুবদলের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট শাহ আলম বলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সমর্থনে সৈয়দ এহসানুল হুদার নেতৃত্বে মিছিল আয়োজন করা হলেও উপজেলা বিএনপির দুটি শীর্ষপদের অনুসারীরা পথে পথে সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

সৈয়দ এহসানুল হুদা অভিযোগ করেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের লোকজন ‘সন্ত্রাসী কায়দায়’ মিছিলে গুলি চালিয়েছে এবং হামলা করেছে। তিনি জানান, এ ঘটনায় মামলা করা হবে।

অন্যদিকে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “বড় কোনো সংঘাত হয়নি, আমাদের কেউ ঘটনাস্থলে ছিল না।”

বাজিতপুর থানার ওসি মো. মুরাদ হোসেন বলেন, কিছু গণ্ডগোলের খবর পাওয়া গেছে। তবে এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

তফসিল এ সপ্তাহেই, ভোটের সময় বাড়বে এক ঘণ্টা: ইসি সানাউল্লাহ

বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১৫, মিছিলে গুলির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৯:৪৩:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল রক্তক্ষয়ী রূপ নিয়েছে। শনিবার (২২ নভেম্বর) বিকেলে ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদার নেতৃত্বে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রচার মিছিলকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে হামলা ও গুলির অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি নেতা–কর্মীদের।

বিকেলে বাজিতপুর পৌর ও উপজেলা বিএনপির ব্যানারে মিছিলটি বের হয়। বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতা–কর্মীরা সদরের কোর্ট মাঠমুখী মিছিলে যোগ দিতে আসার পথে ফায়ার সার্ভিস মোড়, মথুরাপুর মোড়, সরিষাপুর ও হালিমপুরসহ একাধিক পয়েন্টে গুলি ছোড়া ও পথরোধ করে মারধরের ঘটনা ঘটে।

সরারচর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরান অভিযোগ করেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনিরের অনুসারীরা মিছিলে পৌঁছানোর পথেই তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনিসহ কয়েকজন আহত হন।
গাজিরচর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন মিয়ার দাবি, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের অনুসারীরা তাদের মিছিলে হামলা করে।

জেলা যুবদলের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট শাহ আলম বলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সমর্থনে সৈয়দ এহসানুল হুদার নেতৃত্বে মিছিল আয়োজন করা হলেও উপজেলা বিএনপির দুটি শীর্ষপদের অনুসারীরা পথে পথে সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

সৈয়দ এহসানুল হুদা অভিযোগ করেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের লোকজন ‘সন্ত্রাসী কায়দায়’ মিছিলে গুলি চালিয়েছে এবং হামলা করেছে। তিনি জানান, এ ঘটনায় মামলা করা হবে।

অন্যদিকে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “বড় কোনো সংঘাত হয়নি, আমাদের কেউ ঘটনাস্থলে ছিল না।”

বাজিতপুর থানার ওসি মো. মুরাদ হোসেন বলেন, কিছু গণ্ডগোলের খবর পাওয়া গেছে। তবে এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।