ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মসজিদের মাইকে ঘোষণা, পুলিশের কাছ থেকে বিএনপি নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি আবারও আ. লীগের ফাঁদে পড়েছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন বাংলাদেশে যৌথ ড্রোন কারখানা গড়তে চায় তুরস্ক তুরস্ক বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু: জামায়াত আমির ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোনে মার্কিন নৌবহরকে সতর্কবার্তা দিল ইরান লালমনিরহাটের তিন সীমান্তে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি-জনতার বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ কলকাতার মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ হাকিম, টালমাটাল তৃণমূলে নতুন ধাক্কা রাজনীতিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল নওগাঁ সীমান্তে গভীর রাতে ১৭ জনকে পুশইন, মুখোমুখি বিজিবি-বিএসএফ

রবিবার থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির ডাক প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:১০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে

এবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগ ও পদায়ন না হওয়ায় রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়েছেন প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার প্রার্থী। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১১টা থেকে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনেলাগাতার অবস্থান কর্মসূচিপালন করবেন তারা। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রার্থীরা এই ঘোষণা দেন। এর আগে কর্তৃপক্ষকে দেয়া ১০ দিনের আল্টিমেটাম প্রত্যাহার করে সরাসরি আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা জানান, গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়। ফলাফল প্রকাশের পর নিয়ম অনুযায়ী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদ ও ডোপ টেস্ট রিপোর্টসহ যাবতীয় নথিপত্র জমা দিলেও আড়াই মাসেও নিয়োগপত্র পাননি তারা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিয়োগের আশায় অনেক প্রার্থী আগের বেসরকারি চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। এখন নিয়োগ ঝুলে থাকায় তারা পরিবার নিয়ে চরম আর্থিক ও মানসিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। প্রার্থীদের অভিযোগ, গত ২২ এপ্রিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে এক ধরনেরদোদুল্যমানঅবস্থা দেখা গেছে, যা তাদের উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

আন্দোলনকারীদের দাবি, গত ১ মার্চের মধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সব মূল সনদ যাচাই ও পরিচিতি প্রতিপাদন শেষ হয়েছে। সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও নিয়োগপত্র না দেয়াকে তারা কর্তৃপক্ষেরপ্রহসনহিসেবে দেখছেন। এর প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে সংবাদ সম্মেলন করে আগে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় গত ৯ জানুয়ারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীর মধ্যে থেকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন ১৪ হাজার ৩৮৪ জন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত সরকারের আমলে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছিল। প্রার্থীরা জানান, তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ২৬ এপ্রিল থেকে শাহবাগে সুশৃঙ্খলভাবে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু হবে। নিয়োগ ও পদায়ন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মসজিদের মাইকে ঘোষণা, পুলিশের কাছ থেকে বিএনপি নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

রবিবার থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির ডাক প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের

আপডেট সময় ০৩:১০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

এবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগ ও পদায়ন না হওয়ায় রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়েছেন প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার প্রার্থী। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১১টা থেকে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনেলাগাতার অবস্থান কর্মসূচিপালন করবেন তারা। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রার্থীরা এই ঘোষণা দেন। এর আগে কর্তৃপক্ষকে দেয়া ১০ দিনের আল্টিমেটাম প্রত্যাহার করে সরাসরি আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা জানান, গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়। ফলাফল প্রকাশের পর নিয়ম অনুযায়ী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদ ও ডোপ টেস্ট রিপোর্টসহ যাবতীয় নথিপত্র জমা দিলেও আড়াই মাসেও নিয়োগপত্র পাননি তারা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিয়োগের আশায় অনেক প্রার্থী আগের বেসরকারি চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। এখন নিয়োগ ঝুলে থাকায় তারা পরিবার নিয়ে চরম আর্থিক ও মানসিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। প্রার্থীদের অভিযোগ, গত ২২ এপ্রিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে এক ধরনেরদোদুল্যমানঅবস্থা দেখা গেছে, যা তাদের উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

আন্দোলনকারীদের দাবি, গত ১ মার্চের মধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সব মূল সনদ যাচাই ও পরিচিতি প্রতিপাদন শেষ হয়েছে। সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও নিয়োগপত্র না দেয়াকে তারা কর্তৃপক্ষেরপ্রহসনহিসেবে দেখছেন। এর প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে সংবাদ সম্মেলন করে আগে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় গত ৯ জানুয়ারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীর মধ্যে থেকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন ১৪ হাজার ৩৮৪ জন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত সরকারের আমলে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছিল। প্রার্থীরা জানান, তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ২৬ এপ্রিল থেকে শাহবাগে সুশৃঙ্খলভাবে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু হবে। নিয়োগ ও পদায়ন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন।