ঢাকা , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে শুধু ঘুসি মেরেছি, খুন তো করিনি: স্বামী আকাশ সৌদি আরবে মিসাইল আতঙ্কে নরসিংদীর সৌরভের মৃত্যু মক্কায় হামলার সাইরেন: মুসলিম উম্মাহর জন্য বড় সতর্কবার্তা বললেন মুফতি তাকি উসমানি এবার আন্তর্জাতিক জলসীমায় পাকিস্তান-ভারত রণতরির সংঘর্ষ গেটের চাবি বাসায় রেখে এলেন কর্মকর্তা, কাঁটাতারের বেড়া টপকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ঢুকলেন এমপি রামপালের ২ নম্বর ইউনিট বন্ধে বাড়ছে লোডশেডিং, মেরামতে এখনো পৌঁছাননি ভারতীয় প্রকৌশলী ব্রিকস সম্মেলনে না গিয়ে তারেক রহমান দেশকে সম্মানিত করেছেন: রিজভী সেপ্টেম্বরসহ আগামী ৩ মাস ডেঙ্গু পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, যাত্রা শুরু করল এসআরবি বিদ্যুতের সুইচ ভারতের হাতে, যে কোনো সময় বন্ধ করতে পারে: রিজভী

যশোরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লোহার মালামাল বিক্রি করে টাকা ভাগের অভিযোগ স্থানীয় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫
  • ১৫৫৭ বার পড়া হয়েছে

যশোর সদরের দেয়াড়া ইউনিয়নের এফএমবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লোহার দরজা, জানালা ও রড বিক্রি করে লক্ষাধিক টাকা ভাগ করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির তিন নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা হলেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমির হোসেন, ইউনিয়ন যুব বিষয়ক সম্পাদক শাহ আলম সাগর এবং নেতা আমিন হোসেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ ভাঙার পর তার দরজা-জানালা, লোহার রডসহ অন্যান্য মালামাল বিক্রি করে ওই তিন নেতা অর্থ আত্মসাৎ করেন। এ কাজে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইশরাত জাহান ঝরনার সহযোগিতা থাকার অভিযোগও উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা দুঃখজনক। তারা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বিষয়টি নিয়ে শিক্ষকরা আতঙ্কে রয়েছেন, প্রকাশ্যে কিছু বলতে সাহস পাচ্ছেন না।

অভিযুক্ত আমির হোসেন বলেন, প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে মাত্র ২ হাজার টাকার সুড়কি বাড়ির রাস্তার জন্য নিয়েছেন এবং মালামাল বিক্রি করে ২৬ হাজার টাকা পাওয়া যায় বলে জানান। প্রধান শিক্ষককে ১০ হাজার টাকা দিতে চাইলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি বলে দাবি করেন।

অন্যদিকে, বিএনপি নেতা শাহ আলম সাগর বলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না এবং শুধু ওয়াশব্লকের কাজ দেখতে গিয়েছিলেন।

প্রধান শিক্ষক ইশরাত জাহান বলেন, একটি কক্ষের বরাদ্দ পাওয়ায় পুরনো ঘর ভেঙে ফেলা হয়। স্কুল বন্ধ থাকার সুযোগে আমির ও সাগর মালামাল নিয়ে যান। তারা বিক্রি করে ২৬ হাজার টাকা পেয়েছেন বলে জানান। পরে টাকা দিতে চাইলে তিনি তা নেননি এবং সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার সোহেল রানার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে শুধু ঘুসি মেরেছি, খুন তো করিনি: স্বামী আকাশ

যশোরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লোহার মালামাল বিক্রি করে টাকা ভাগের অভিযোগ স্থানীয় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ০৯:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫

যশোর সদরের দেয়াড়া ইউনিয়নের এফএমবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লোহার দরজা, জানালা ও রড বিক্রি করে লক্ষাধিক টাকা ভাগ করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির তিন নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা হলেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমির হোসেন, ইউনিয়ন যুব বিষয়ক সম্পাদক শাহ আলম সাগর এবং নেতা আমিন হোসেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ ভাঙার পর তার দরজা-জানালা, লোহার রডসহ অন্যান্য মালামাল বিক্রি করে ওই তিন নেতা অর্থ আত্মসাৎ করেন। এ কাজে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইশরাত জাহান ঝরনার সহযোগিতা থাকার অভিযোগও উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা দুঃখজনক। তারা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বিষয়টি নিয়ে শিক্ষকরা আতঙ্কে রয়েছেন, প্রকাশ্যে কিছু বলতে সাহস পাচ্ছেন না।

অভিযুক্ত আমির হোসেন বলেন, প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে মাত্র ২ হাজার টাকার সুড়কি বাড়ির রাস্তার জন্য নিয়েছেন এবং মালামাল বিক্রি করে ২৬ হাজার টাকা পাওয়া যায় বলে জানান। প্রধান শিক্ষককে ১০ হাজার টাকা দিতে চাইলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি বলে দাবি করেন।

অন্যদিকে, বিএনপি নেতা শাহ আলম সাগর বলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না এবং শুধু ওয়াশব্লকের কাজ দেখতে গিয়েছিলেন।

প্রধান শিক্ষক ইশরাত জাহান বলেন, একটি কক্ষের বরাদ্দ পাওয়ায় পুরনো ঘর ভেঙে ফেলা হয়। স্কুল বন্ধ থাকার সুযোগে আমির ও সাগর মালামাল নিয়ে যান। তারা বিক্রি করে ২৬ হাজার টাকা পেয়েছেন বলে জানান। পরে টাকা দিতে চাইলে তিনি তা নেননি এবং সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার সোহেল রানার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।