ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও দেশে ফিরলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ‘ঘরের বাজার’-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১৫ আগস্ট ঘিরে দেশব্যাপী র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা খালিদুজ্জামানের কর্মকাণ্ডকে ‘তৃতীয় শ্রেণির সস্তা রাজনীতি’ বললেন মির্জা গালিব মৃত্যুর আগে মাকে যা বলেছিলেন সালমান শাহ দেশে ফিরলেন ছাত্র আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তৃণমূলের রাজনীতি থেকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে বসতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল গভীর রাতে গৃহবধূর ঘরে জামায়াত নেতা, শ্বশুরের চিৎকারে ধরা কিছু মনে করবেন না বলে, বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে যা বললেন ওমর সানী দিন গোনা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী

যশোরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লোহার মালামাল বিক্রি করে টাকা ভাগের অভিযোগ স্থানীয় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫
  • ১৫৩৭ বার পড়া হয়েছে

যশোর সদরের দেয়াড়া ইউনিয়নের এফএমবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লোহার দরজা, জানালা ও রড বিক্রি করে লক্ষাধিক টাকা ভাগ করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির তিন নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা হলেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমির হোসেন, ইউনিয়ন যুব বিষয়ক সম্পাদক শাহ আলম সাগর এবং নেতা আমিন হোসেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ ভাঙার পর তার দরজা-জানালা, লোহার রডসহ অন্যান্য মালামাল বিক্রি করে ওই তিন নেতা অর্থ আত্মসাৎ করেন। এ কাজে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইশরাত জাহান ঝরনার সহযোগিতা থাকার অভিযোগও উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা দুঃখজনক। তারা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বিষয়টি নিয়ে শিক্ষকরা আতঙ্কে রয়েছেন, প্রকাশ্যে কিছু বলতে সাহস পাচ্ছেন না।

অভিযুক্ত আমির হোসেন বলেন, প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে মাত্র ২ হাজার টাকার সুড়কি বাড়ির রাস্তার জন্য নিয়েছেন এবং মালামাল বিক্রি করে ২৬ হাজার টাকা পাওয়া যায় বলে জানান। প্রধান শিক্ষককে ১০ হাজার টাকা দিতে চাইলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি বলে দাবি করেন।

অন্যদিকে, বিএনপি নেতা শাহ আলম সাগর বলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না এবং শুধু ওয়াশব্লকের কাজ দেখতে গিয়েছিলেন।

প্রধান শিক্ষক ইশরাত জাহান বলেন, একটি কক্ষের বরাদ্দ পাওয়ায় পুরনো ঘর ভেঙে ফেলা হয়। স্কুল বন্ধ থাকার সুযোগে আমির ও সাগর মালামাল নিয়ে যান। তারা বিক্রি করে ২৬ হাজার টাকা পেয়েছেন বলে জানান। পরে টাকা দিতে চাইলে তিনি তা নেননি এবং সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার সোহেল রানার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও দেশে ফিরলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

যশোরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লোহার মালামাল বিক্রি করে টাকা ভাগের অভিযোগ স্থানীয় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ০৯:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫

যশোর সদরের দেয়াড়া ইউনিয়নের এফএমবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লোহার দরজা, জানালা ও রড বিক্রি করে লক্ষাধিক টাকা ভাগ করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির তিন নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা হলেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমির হোসেন, ইউনিয়ন যুব বিষয়ক সম্পাদক শাহ আলম সাগর এবং নেতা আমিন হোসেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ ভাঙার পর তার দরজা-জানালা, লোহার রডসহ অন্যান্য মালামাল বিক্রি করে ওই তিন নেতা অর্থ আত্মসাৎ করেন। এ কাজে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইশরাত জাহান ঝরনার সহযোগিতা থাকার অভিযোগও উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা দুঃখজনক। তারা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বিষয়টি নিয়ে শিক্ষকরা আতঙ্কে রয়েছেন, প্রকাশ্যে কিছু বলতে সাহস পাচ্ছেন না।

অভিযুক্ত আমির হোসেন বলেন, প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে মাত্র ২ হাজার টাকার সুড়কি বাড়ির রাস্তার জন্য নিয়েছেন এবং মালামাল বিক্রি করে ২৬ হাজার টাকা পাওয়া যায় বলে জানান। প্রধান শিক্ষককে ১০ হাজার টাকা দিতে চাইলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি বলে দাবি করেন।

অন্যদিকে, বিএনপি নেতা শাহ আলম সাগর বলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না এবং শুধু ওয়াশব্লকের কাজ দেখতে গিয়েছিলেন।

প্রধান শিক্ষক ইশরাত জাহান বলেন, একটি কক্ষের বরাদ্দ পাওয়ায় পুরনো ঘর ভেঙে ফেলা হয়। স্কুল বন্ধ থাকার সুযোগে আমির ও সাগর মালামাল নিয়ে যান। তারা বিক্রি করে ২৬ হাজার টাকা পেয়েছেন বলে জানান। পরে টাকা দিতে চাইলে তিনি তা নেননি এবং সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার সোহেল রানার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।