ঢাকা , রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বঙ্গভবনে সপরিবারে নতুন রাষ্ট্রপতি ‘আমার ৯ বিয়ের তথ্য মিথ্যা, কোনো পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত নই’ আমাদের আর কোনো বিদেশি বাহিনী দরকার নেই: ইরাকি প্রেসিডেন্ট আপনাকে বিয়ে করে যদি জান্নাতে যেতে পারিঃ ইসলামি বক্তা মিছবাহের দশম স্ত্রী হতে চায় অ্যাথিনা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ যে পথে হেঁটেছে, বর্তমান সরকারও একই পথে হাঁটছেঃ জামায়াত আমির ‘হত্যা শেষে বাসাতেই গোসল করেন খুনিরা, খান খেজুর ও শসা’ গুদাম ভেঙে ১০ হাজার কেজি সার নিয়ে গেল বিক্ষুব্দ কৃষক মজুত থাকা সরকারি স্যালাইন না দেওয়ায় রোগীকে টাকা ফেরত দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী কোরআন ও সুন্নাহতে এর কোনো ভিত্তি নেই: ঈদে মিলাদুন্নবী নিয়ে মক্কার ইমাম খাল খননের উদ্বৃত্ত ১ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

মজুত থাকা সরকারি স্যালাইন না দেওয়ায় রোগীকে টাকা ফেরত দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৪৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

এবার নওগাঁ সদর হাসপাতালে সরকারি স্যালাইন মজুত থাকা সত্ত্বেও তা রোগীদের না দিয়ে বাইর থেকে কিনতে বাধ্য করার তথ্য পেয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। রোবার (২৩ আগস্ট) সকালে হাসপাতালটিতে হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে এই অনিয়মের প্রমাণ পান তিনি। মজুত থাকা সত্ত্বেও রোগীকে বাইরে থেকে স্যালাইন কিনতে বলায় এক নার্সের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। ওই সময়ে ওই রোগীকে বাইরে থেকে কেনা স্যালাইনের ২০০ টাকা ফেরত দেন মন্ত্রী।

পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, ফার্মেসি, রান্নাঘর ও শৌচাগার ঘুরে দেখেন এবং সরাসরি ভর্তি থাকা রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় ডাক্তার দ্বীন মোহাম্মদ সোহেল নামে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিভিল সার্জনকে নির্দেশ দেওয়া হয়। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হাসপাতালে পর্যাপ্ত সরকারি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বাইরে থেকে ওষুধ ও স্যালাইন কিনতে বলা বরদাস্ত করা হবে না। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

বেসরকারি চিকিৎসাসেবা খাতের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বিগত ১৭ বছরে দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো বিপুল সংখ্যক লাইসেন্সবিহীন ও অবৈধ প্রাইভেট ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে উঠেছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই কোনো প্রকার কাগজপত্র ছাড়া পরিচালিত এসব অবৈধ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। দেশব্যাপী নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে এবং অনিয়মের প্রমাণ পেলে জরিমানাসহ প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হচ্ছে।

এ সময় দেশের জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজগুলোর সেবা বৃদ্ধিতে ডায়ালাইসিস সুবিধা সম্প্রসারণের বিষয়েও কথা বলেন তিনি। প্রতিটি জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে ডায়ালাইসিস সুবিধা বৃদ্ধির যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা দ্রুত বাস্তবায়নে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের বিষয়টি জানতে পেরে হাসপাতালে আসেন নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আখতারুজ্জামান এবং সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলাম। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী উপস্থিত কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং হাসপাতালের সেবার মান শতভাগ নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গভবনে সপরিবারে নতুন রাষ্ট্রপতি

মজুত থাকা সরকারি স্যালাইন না দেওয়ায় রোগীকে টাকা ফেরত দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:৪৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

এবার নওগাঁ সদর হাসপাতালে সরকারি স্যালাইন মজুত থাকা সত্ত্বেও তা রোগীদের না দিয়ে বাইর থেকে কিনতে বাধ্য করার তথ্য পেয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। রোবার (২৩ আগস্ট) সকালে হাসপাতালটিতে হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে এই অনিয়মের প্রমাণ পান তিনি। মজুত থাকা সত্ত্বেও রোগীকে বাইরে থেকে স্যালাইন কিনতে বলায় এক নার্সের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। ওই সময়ে ওই রোগীকে বাইরে থেকে কেনা স্যালাইনের ২০০ টাকা ফেরত দেন মন্ত্রী।

পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, ফার্মেসি, রান্নাঘর ও শৌচাগার ঘুরে দেখেন এবং সরাসরি ভর্তি থাকা রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় ডাক্তার দ্বীন মোহাম্মদ সোহেল নামে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিভিল সার্জনকে নির্দেশ দেওয়া হয়। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হাসপাতালে পর্যাপ্ত সরকারি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বাইরে থেকে ওষুধ ও স্যালাইন কিনতে বলা বরদাস্ত করা হবে না। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

বেসরকারি চিকিৎসাসেবা খাতের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বিগত ১৭ বছরে দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো বিপুল সংখ্যক লাইসেন্সবিহীন ও অবৈধ প্রাইভেট ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে উঠেছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই কোনো প্রকার কাগজপত্র ছাড়া পরিচালিত এসব অবৈধ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। দেশব্যাপী নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে এবং অনিয়মের প্রমাণ পেলে জরিমানাসহ প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হচ্ছে।

এ সময় দেশের জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজগুলোর সেবা বৃদ্ধিতে ডায়ালাইসিস সুবিধা সম্প্রসারণের বিষয়েও কথা বলেন তিনি। প্রতিটি জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে ডায়ালাইসিস সুবিধা বৃদ্ধির যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা দ্রুত বাস্তবায়নে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের বিষয়টি জানতে পেরে হাসপাতালে আসেন নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আখতারুজ্জামান এবং সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলাম। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী উপস্থিত কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং হাসপাতালের সেবার মান শতভাগ নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।