নতুন মৌসুমে মাঠে নামার আগেই নিজের চেহারায় বড়সড় পরিবর্তন এনেছেন আর্লিং হালান্ড। ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকারের পরিচিত লম্বা চুল আর নেই, চুল ছেঁটে নিয়েছেন একেবারে ছোট করে। তবে হালান্ডের এই নতুন রূপ যতটা পছন্দ হয়েছে তার নিজের, ততটা যেন মনঃপূত হয়নি দীর্ঘদিনের সঙ্গী ইসাবেল হাভগসেং জোহানসেনের। চুল কাটতে দেখে আবেগ সামলাতে না পেরে তার মন্তব্য, ‘আমার তো কান্না পাচ্ছে।’
গত চার বছর ধরে লম্বা সোনালি চুলই ছিল হালান্ডের পরিচয়ের অন্যতম অংশ। অনেকটা ভাইকিং যোদ্ধাদের আদলে রাখা সেই চুলের কারণেই মাঠে আলাদা করে নজর কাড়তেন সিটি তারকা। কিন্তু নতুন মৌসুমের প্রথম ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা আগে সেই চেহারাতেই এল বড় পরিবর্তন।
রোববার (২৩ আগস্ট) নিজের ইউটিউব চ্যানেল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন লুকের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন হালান্ড। সেখানে দেখা যায়, মাথার চুল বেশ ছোট করে ফেলেছেন তিনি। বোর্নমাউথের বিপক্ষে প্রিমিয়ার লিগের প্রথম ম্যাচে নামার আগে এই নতুন চেহারাতেই হাজির হন ২৬ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার।
হালান্ডের চুল কাটার পুরো প্রক্রিয়ার কিছু মুহূর্তও ধরা পড়েছে ভিডিওতে। সেখানে তার দীর্ঘদিনের সঙ্গী জোহানসেনকে বেশ অবাক হতে দেখা যায়। একপর্যায়ে কাটা চুল হাতে নিয়ে বিস্ময়ে বলে ওঠেন, ‘ও মাই গড!’ এরপরই জানান, এই পরিবর্তন দেখে তার কান্না পাচ্ছে।
এখানেই শেষ নয়, নতুন চেহারা দেখে জোহানসেনের মনে হয়েছে, ঘুম থেকে উঠে হয়তো হালান্ডকে চিনতেই কষ্ট হবে। মজা করে তিনি বলেন, সকালে ঘুম ভেঙে তার মনে হতে পারে, পাশে অন্য কেউ শুয়ে আছে।
তবে প্রেমিকার এমন প্রতিক্রিয়ায় খুব একটা বিচলিত নন হালান্ড। বরং নিজের নতুন চেহারা নিয়ে তিনি বেশ সন্তুষ্ট। দীর্ঘ চুলের বদলে এবার নিজেকে আরও ‘রাফ অ্যান্ড টাফ’ লুকে দেখতে চেয়েছেন এই তারকা।
মাঠের বাইরে চেহারায় এই বড় পরিবর্তন এলেও মাঠে হালান্ডের কাজ অবশ্য একই, গোল করা। নতুন চুলে নতুন মৌসুমের প্রথম ম্যাচে সেই কাজেই নেমেছিলেন তিনি। যদিও মৌসুমের প্রথম ম্যাচে বোর্নমাউথের সঙ্গে তিনি কোনো গোল না পেলেও তার দল জিতেছে ২-১ গোলে। এবার দেখার বিষয় নতুন লুকের সঙ্গে নতুন মৌসুমটাও কতটা স্মরণীয় করে তুলতে পারেন এই নরওয়েজিয়ান গোলমেশিন।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















