ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রংপুর বিভাগকে বাজেট বৈষম্যের মধ্যে রাখা যাবে না: আখতার হোসেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান বিজেপি মন্ত্রীর জুলাই কোনো নির্দিষ্ট দলের নয় : রিজভী দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে এবার মুখ খুললেন রাহুল গান্ধী শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার ধর্ষণের অভিযোগে যুবককে গণপিটুনি ও পুরুষাঙ্গে মরিচের গুঁড়া লাগালো এলাকাবাসী মাদক-চাঁদাবাজদের ধরিয়ে দিলে লাখ টাকা পুরস্কার দিল্লির আন্দোলন ঘিরে কঙ্গনার কড়া সমালোচনা আর্জেন্টিনাকে কাঁদানো ফেরান তোরেসের জীবনের গল্প আর্জেন্টিনার হারে মেসির পাশে দাঁড়ালেন অমিতাভ বচ্চন

জামায়াতের অধিকাংশ এমপি অধ্যাপক জাফর ইকবালের মতো: রাশেদ খান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪২:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ১৭০ বার পড়া হয়েছে

এবার বিএনপি নেতা রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামীর অধিকাংশ সংসদ সদস্যের বর্তমান ভূমিকা অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের সঙ্গে তুলনীয়। তার ভাষ্য, যারা সরাসরি আন্দোলনসংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন না, তারা এখন আন্দোলনের ইতিহাস ও সংস্কার নিয়ে সবচেয়ে বেশি কথা বলছেন। আজ বুধবার (২৪ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় বয়স ও সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অধ্যাপক জাফর ইকবাল যুদ্ধে অংশ নেননি। তবে স্বাধীনতার পর তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের অন্যতম বড় কণ্ঠে পরিণত হন। এমন পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল যে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদেরও জাফর ইকবালের কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনতে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর জামায়াতের কিছু নেতা ও সমর্থকের অবস্থাও একই ধরনের হয়েছে। তার ভাষ্য, গত ১৭ বছরে যারা কখনো মাঠের আন্দোলনে ছিলেন না, তাদের কাছ থেকেই এখন জুলাই আন্দোলনের গল্প শুনতে হচ্ছে।

রাশেদ খানের অভিযোগ, যারা কোনোদিন রাজপথে নেমে শেখ হাসিনাকে স্বৈরাচার বলেননি বা রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি তোলেননি, তারাই এখন সবচেয়ে বেশি সংস্কার ও জুলাই আন্দোলনের কথা বলছেন। এতে এসব শব্দের গুরুত্ব হ্রাস পাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জামায়াতের নারী সংসদ সদস্যদের কাউকেই রাজপথে দেখেননি বলে দাবি করেন বিএনপির এ নেতা। একই সঙ্গে তিনি বলেন, জামায়াতের অধিকাংশ পুরুষ সংসদ সদস্যও আন্দোলনসংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন না।

একজন সংসদ সদস্য প্রার্থীর প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, তাকে মানুষ চিনেছেমাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বীহিসেবে। কিন্তু ৫ আগস্টের আগে তার রাজনৈতিক ভূমিকা দৃশ্যমান ছিল না বলে দাবি করেন তিনি। ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খান বলেন, ‘এরা হলো অধ্যাপক জাফর ইকবালের মতো। যুদ্ধ শেষে যুদ্ধের ইতিহাস লেখক বা কথক, যুদ্ধের সংগঠক নয়। এদের মুখে নতুন বিপ্লবের হুংকার শোনা, আর জাফর ইকবালের লেখা বিপ্লবের ইতিহাস পড়া প্রায় একইরকম।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুর বিভাগকে বাজেট বৈষম্যের মধ্যে রাখা যাবে না: আখতার হোসেন

জামায়াতের অধিকাংশ এমপি অধ্যাপক জাফর ইকবালের মতো: রাশেদ খান

আপডেট সময় ০১:৪২:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

এবার বিএনপি নেতা রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামীর অধিকাংশ সংসদ সদস্যের বর্তমান ভূমিকা অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের সঙ্গে তুলনীয়। তার ভাষ্য, যারা সরাসরি আন্দোলনসংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন না, তারা এখন আন্দোলনের ইতিহাস ও সংস্কার নিয়ে সবচেয়ে বেশি কথা বলছেন। আজ বুধবার (২৪ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় বয়স ও সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অধ্যাপক জাফর ইকবাল যুদ্ধে অংশ নেননি। তবে স্বাধীনতার পর তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের অন্যতম বড় কণ্ঠে পরিণত হন। এমন পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল যে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদেরও জাফর ইকবালের কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনতে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর জামায়াতের কিছু নেতা ও সমর্থকের অবস্থাও একই ধরনের হয়েছে। তার ভাষ্য, গত ১৭ বছরে যারা কখনো মাঠের আন্দোলনে ছিলেন না, তাদের কাছ থেকেই এখন জুলাই আন্দোলনের গল্প শুনতে হচ্ছে।

রাশেদ খানের অভিযোগ, যারা কোনোদিন রাজপথে নেমে শেখ হাসিনাকে স্বৈরাচার বলেননি বা রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি তোলেননি, তারাই এখন সবচেয়ে বেশি সংস্কার ও জুলাই আন্দোলনের কথা বলছেন। এতে এসব শব্দের গুরুত্ব হ্রাস পাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জামায়াতের নারী সংসদ সদস্যদের কাউকেই রাজপথে দেখেননি বলে দাবি করেন বিএনপির এ নেতা। একই সঙ্গে তিনি বলেন, জামায়াতের অধিকাংশ পুরুষ সংসদ সদস্যও আন্দোলনসংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন না।

একজন সংসদ সদস্য প্রার্থীর প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, তাকে মানুষ চিনেছেমাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বীহিসেবে। কিন্তু ৫ আগস্টের আগে তার রাজনৈতিক ভূমিকা দৃশ্যমান ছিল না বলে দাবি করেন তিনি। ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খান বলেন, ‘এরা হলো অধ্যাপক জাফর ইকবালের মতো। যুদ্ধ শেষে যুদ্ধের ইতিহাস লেখক বা কথক, যুদ্ধের সংগঠক নয়। এদের মুখে নতুন বিপ্লবের হুংকার শোনা, আর জাফর ইকবালের লেখা বিপ্লবের ইতিহাস পড়া প্রায় একইরকম।