ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দেশে ফিরলেন না মেসি-ডি পলসহ ৭ ফুটবলার ইরানের বিরুদ্ধে ফের পূর্ণমাত্রায় যুদ্ধ করার মতো ক্ষেপণাস্ত্র নেই যুক্তরাষ্ট্রের ২০৩০ বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত, তবুও বাছাইপর্ব খেলতে হবে আর্জেন্টিনাকে সিসি টিভি লাগান ড্রাইভার, নেপথ্যে ১০ লাখ চাঁদা দাবি: ভাইরাল সেই ভিডিও নিয়ে জামায়াত এমপির বিবৃতি আগামী বছরের হজের দুই প্যাকেজ ঘোষণা, কমল বিমান ভাড়া এক অদম্য মুসলিম নারীর ত্যাগেই আজকের লামিনে ইয়ামাল ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগানে উত্তাল দিল্লি, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা জামায়াত এমপির ভিডিও ভাইরাল, নারীকে ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ দাবি এবার সৌদি আরবের ওপর সামুদ্রিক অবরোধের ঘোষণা ইয়েমেনের দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন পাঞ্জাব কৃষকরা

জামায়াতের অধিকাংশ এমপি অধ্যাপক জাফর ইকবালের মতো: রাশেদ খান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪২:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ১৭১ বার পড়া হয়েছে

এবার বিএনপি নেতা রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামীর অধিকাংশ সংসদ সদস্যের বর্তমান ভূমিকা অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের সঙ্গে তুলনীয়। তার ভাষ্য, যারা সরাসরি আন্দোলনসংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন না, তারা এখন আন্দোলনের ইতিহাস ও সংস্কার নিয়ে সবচেয়ে বেশি কথা বলছেন। আজ বুধবার (২৪ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় বয়স ও সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অধ্যাপক জাফর ইকবাল যুদ্ধে অংশ নেননি। তবে স্বাধীনতার পর তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের অন্যতম বড় কণ্ঠে পরিণত হন। এমন পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল যে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদেরও জাফর ইকবালের কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনতে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর জামায়াতের কিছু নেতা ও সমর্থকের অবস্থাও একই ধরনের হয়েছে। তার ভাষ্য, গত ১৭ বছরে যারা কখনো মাঠের আন্দোলনে ছিলেন না, তাদের কাছ থেকেই এখন জুলাই আন্দোলনের গল্প শুনতে হচ্ছে।

রাশেদ খানের অভিযোগ, যারা কোনোদিন রাজপথে নেমে শেখ হাসিনাকে স্বৈরাচার বলেননি বা রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি তোলেননি, তারাই এখন সবচেয়ে বেশি সংস্কার ও জুলাই আন্দোলনের কথা বলছেন। এতে এসব শব্দের গুরুত্ব হ্রাস পাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জামায়াতের নারী সংসদ সদস্যদের কাউকেই রাজপথে দেখেননি বলে দাবি করেন বিএনপির এ নেতা। একই সঙ্গে তিনি বলেন, জামায়াতের অধিকাংশ পুরুষ সংসদ সদস্যও আন্দোলনসংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন না।

একজন সংসদ সদস্য প্রার্থীর প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, তাকে মানুষ চিনেছেমাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বীহিসেবে। কিন্তু ৫ আগস্টের আগে তার রাজনৈতিক ভূমিকা দৃশ্যমান ছিল না বলে দাবি করেন তিনি। ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খান বলেন, ‘এরা হলো অধ্যাপক জাফর ইকবালের মতো। যুদ্ধ শেষে যুদ্ধের ইতিহাস লেখক বা কথক, যুদ্ধের সংগঠক নয়। এদের মুখে নতুন বিপ্লবের হুংকার শোনা, আর জাফর ইকবালের লেখা বিপ্লবের ইতিহাস পড়া প্রায় একইরকম।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে ফিরলেন না মেসি-ডি পলসহ ৭ ফুটবলার

জামায়াতের অধিকাংশ এমপি অধ্যাপক জাফর ইকবালের মতো: রাশেদ খান

আপডেট সময় ০১:৪২:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

এবার বিএনপি নেতা রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামীর অধিকাংশ সংসদ সদস্যের বর্তমান ভূমিকা অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের সঙ্গে তুলনীয়। তার ভাষ্য, যারা সরাসরি আন্দোলনসংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন না, তারা এখন আন্দোলনের ইতিহাস ও সংস্কার নিয়ে সবচেয়ে বেশি কথা বলছেন। আজ বুধবার (২৪ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় বয়স ও সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অধ্যাপক জাফর ইকবাল যুদ্ধে অংশ নেননি। তবে স্বাধীনতার পর তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের অন্যতম বড় কণ্ঠে পরিণত হন। এমন পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল যে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদেরও জাফর ইকবালের কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনতে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর জামায়াতের কিছু নেতা ও সমর্থকের অবস্থাও একই ধরনের হয়েছে। তার ভাষ্য, গত ১৭ বছরে যারা কখনো মাঠের আন্দোলনে ছিলেন না, তাদের কাছ থেকেই এখন জুলাই আন্দোলনের গল্প শুনতে হচ্ছে।

রাশেদ খানের অভিযোগ, যারা কোনোদিন রাজপথে নেমে শেখ হাসিনাকে স্বৈরাচার বলেননি বা রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি তোলেননি, তারাই এখন সবচেয়ে বেশি সংস্কার ও জুলাই আন্দোলনের কথা বলছেন। এতে এসব শব্দের গুরুত্ব হ্রাস পাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জামায়াতের নারী সংসদ সদস্যদের কাউকেই রাজপথে দেখেননি বলে দাবি করেন বিএনপির এ নেতা। একই সঙ্গে তিনি বলেন, জামায়াতের অধিকাংশ পুরুষ সংসদ সদস্যও আন্দোলনসংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন না।

একজন সংসদ সদস্য প্রার্থীর প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, তাকে মানুষ চিনেছেমাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বীহিসেবে। কিন্তু ৫ আগস্টের আগে তার রাজনৈতিক ভূমিকা দৃশ্যমান ছিল না বলে দাবি করেন তিনি। ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খান বলেন, ‘এরা হলো অধ্যাপক জাফর ইকবালের মতো। যুদ্ধ শেষে যুদ্ধের ইতিহাস লেখক বা কথক, যুদ্ধের সংগঠক নয়। এদের মুখে নতুন বিপ্লবের হুংকার শোনা, আর জাফর ইকবালের লেখা বিপ্লবের ইতিহাস পড়া প্রায় একইরকম।