ঢাকা , শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাজধানীতে একদিনে সাত এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব পারমাণবিক পরিবারে প্রবেশ করল বাংলাদেশ ৩৩ মাস পর ভারতীয় কারাগার থেকে দেশে ফিরলেন ৩ বাংলাদেশি সিরাজগঞ্জে বিএনপি নেতার বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন বিএনপি নেতা বাচ্চু রাজধানীর ৮ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ উনি যে জেলায় যান সে জেলাতেই বিয়ে করেন: সাবেক ওসির ষষ্ঠ স্ত্রী সরকারি জমিতে গণঅধিকারের অফিস নির্মাণে বাধা, সংঘর্ষে ১৫ জন আহত রাজধানীর ৪ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, বাদ যায়নি থানা এলাকাও বাংলাদেশসহ প্রত্যেককে ১২৩ কোটি টাকা করে দেওয়ার দাবিতে ইনফান্তিনোকে চিঠি ইয়েমেন যুদ্ধে ‘ধরাশায়ী’, ৪ দেশের কাছে ‘ভাড়ায়’ সৈন্য চায় সৌদি

ডুবে যাচ্ছে ভারত, এবার ফারাক্কার সব গেইট খুলে দিতে চান বিহারের মুখ্যমন্ত্রী 

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:২৩:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতে গঙ্গা নদীর পানি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকায় বিহারে তৈরি হয়েছে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি। রাজ্যটি প্লাবিত হওয়ার মুখে পলি জমা ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ থমকে যাওয়াকে দায়ী করে ফারাক্কা ব্যারাজের সব কটি গেট অবিলম্বে খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদনে জানা যায়, রোববার (২৩ আগস্ট) পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলে ফারাক্কার সব কটি জলকপাট খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানান সম্রাট চৌধুরী। তিনি জানান, উজান থেকে নেমে আসা পানির চাপে বিহারের একাধিক অঞ্চল পানির নিচে চলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। ফারাক্কার সব গেট খুলে দিলে গঙ্গার পানিপ্রবাহ দ্রুত স্বাভাবিক হবে এবং বিহারের চরম বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সহজ হবে। 

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী উল্লেখ করেন, বিহারে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। শুভেন্দু অধিকারী এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

এদিকে ফারাক্কা বাঁধকে কেন্দ্র করে উজানভাটির পানিপ্রবাহ ও পলি জমার এ সংকটের মধ্যেই ১৯৯৬ সালের ভারতবাংলাদেশ গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন বিহার থেকে নির্বাচিত জনতা দলইউনাইটেডের (জেডিইউ) সংসদ সদস্য সঞ্জয় ঝা। আগামী ডিসেম্বরে এই চুক্তির ৩০ বছর পূর্ণ হতে চলায় কেন্দ্রকে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।

সঞ্জয় ঝা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নব্বইয়ের দশকে চুক্তিটি করার সময় বিহারের পানিনিষ্কাশন ও সার্বিক স্বার্থকে উপেক্ষা করা হয়েছিল। আগামী ডিসেম্বরে চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে চলায় বিহারের স্থানীয় স্বার্থ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণকে গুরুত্ব না দিয়ে যেন গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ নবায়ন করা না হয়, সে বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন এই সংসদ সদস্য।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে একদিনে সাত এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন

ডুবে যাচ্ছে ভারত, এবার ফারাক্কার সব গেইট খুলে দিতে চান বিহারের মুখ্যমন্ত্রী 

আপডেট সময় ০১:২৩:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

এবার ভারতে গঙ্গা নদীর পানি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকায় বিহারে তৈরি হয়েছে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি। রাজ্যটি প্লাবিত হওয়ার মুখে পলি জমা ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ থমকে যাওয়াকে দায়ী করে ফারাক্কা ব্যারাজের সব কটি গেট অবিলম্বে খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদনে জানা যায়, রোববার (২৩ আগস্ট) পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলে ফারাক্কার সব কটি জলকপাট খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানান সম্রাট চৌধুরী। তিনি জানান, উজান থেকে নেমে আসা পানির চাপে বিহারের একাধিক অঞ্চল পানির নিচে চলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। ফারাক্কার সব গেট খুলে দিলে গঙ্গার পানিপ্রবাহ দ্রুত স্বাভাবিক হবে এবং বিহারের চরম বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সহজ হবে। 

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী উল্লেখ করেন, বিহারে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। শুভেন্দু অধিকারী এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

এদিকে ফারাক্কা বাঁধকে কেন্দ্র করে উজানভাটির পানিপ্রবাহ ও পলি জমার এ সংকটের মধ্যেই ১৯৯৬ সালের ভারতবাংলাদেশ গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন বিহার থেকে নির্বাচিত জনতা দলইউনাইটেডের (জেডিইউ) সংসদ সদস্য সঞ্জয় ঝা। আগামী ডিসেম্বরে এই চুক্তির ৩০ বছর পূর্ণ হতে চলায় কেন্দ্রকে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।

সঞ্জয় ঝা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নব্বইয়ের দশকে চুক্তিটি করার সময় বিহারের পানিনিষ্কাশন ও সার্বিক স্বার্থকে উপেক্ষা করা হয়েছিল। আগামী ডিসেম্বরে চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে চলায় বিহারের স্থানীয় স্বার্থ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণকে গুরুত্ব না দিয়ে যেন গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ নবায়ন করা না হয়, সে বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন এই সংসদ সদস্য।