ঢাকা , শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাজধানীতে একদিনে সাত এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব পারমাণবিক পরিবারে প্রবেশ করল বাংলাদেশ ৩৩ মাস পর ভারতীয় কারাগার থেকে দেশে ফিরলেন ৩ বাংলাদেশি সিরাজগঞ্জে বিএনপি নেতার বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন বিএনপি নেতা বাচ্চু রাজধানীর ৮ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ উনি যে জেলায় যান সে জেলাতেই বিয়ে করেন: সাবেক ওসির ষষ্ঠ স্ত্রী সরকারি জমিতে গণঅধিকারের অফিস নির্মাণে বাধা, সংঘর্ষে ১৫ জন আহত রাজধানীর ৪ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, বাদ যায়নি থানা এলাকাও বাংলাদেশসহ প্রত্যেককে ১২৩ কোটি টাকা করে দেওয়ার দাবিতে ইনফান্তিনোকে চিঠি ইয়েমেন যুদ্ধে ‘ধরাশায়ী’, ৪ দেশের কাছে ‘ভাড়ায়’ সৈন্য চায় সৌদি

ইরানের ওপর চূড়ান্ত সংঘাতের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ তেহরানের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪২:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানের ওপর আগামী দিনে এমন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে যা তাদের জন্যঅর্থনৈতিক ডিডেহিসেবে গণ্য হবে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এক নিবন্ধে এই হুমকি দেওয়ার পর এর কড়া জবাব দিয়েছে তেহরান। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট সতর্ক করে বলেন, তেহরানের অর্থনৈতিক জীবনের প্রতিটি পথ কেটে দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য। যেসব দেশ বা প্রতিষ্ঠান ইরান থেকে জ্বালানি তেল কেনা ও পরিবহনে সহায়তা করছে অথবা ব্যাংক ব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ বাণিজ্যে চোখ বুজে আছে, তাদেরও মারাত্মক অর্থনৈতিক পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলে যুক্তরাষ্ট্র হুমকি দিয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সএ তিনি দাবি করেন, ওয়াশিংটন ইতোমধ্যে ইরানের প্রায় শতভাগ সামরিক সক্ষমতা ও পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রকাশ্য হুমকির কড়া জবাব দিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই জানান, দ্বিতীয় পর্যায়ের এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী এবং জাতিসংঘের প্রতিটি সার্বভৌম দেশের ওপর নিজস্ব ক্ষমতা চাপিয়ে দেওয়ার মতো চেষ্টা। একই সঙ্গে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মহসিন রেজাই এক বার্তায় কড়া সতর্কবার্তা জারি করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই অর্থনৈতিক যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে পারস্য উপসাগর বা হরমুজ প্রণালী দিয়ে এক ফোটা তেলও বিদেশে রপ্তানি হতে দেবে না ইরান। মার্কিনদের এই অর্থনৈতিক অভিযানে যে দেশই অংশ নেবে বা সমর্থন জোগাবে, ইরান সেটিকে সরাসরি নিজেদের বিরুদ্ধেযুদ্ধ ঘোষণাহিসেবে ধরে নেবে।

উল্লেখ্য, টানা প্রায় ছয় মাস ধরে চলতে থাকা এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে কোনো ধরনের শান্তির পথ তৈরি হয়নি। বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালীতে অনুমোদনহীন যেকোনো ট্যাংকার ভেড়ানোর ওপর তেহরানের কঠোর নিষেধাজ্ঞার ফলে তেল পরিবহন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। 

যদিও বিশ্বের বৃহত্তম তেল আমদানিকারক চীন ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান উভয় পক্ষকেই আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ স্বীকার করেছেন যে সামরিক শক্তির পাশাপাশি এই অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে বাণিজ্যিক প্রবাহ অব্যাহত থাকা আবশ্যক। সূত্র: এনডিটিভি

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে একদিনে সাত এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন

ইরানের ওপর চূড়ান্ত সংঘাতের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ তেহরানের

আপডেট সময় ০১:৪২:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

এবার ইরানের ওপর আগামী দিনে এমন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে যা তাদের জন্যঅর্থনৈতিক ডিডেহিসেবে গণ্য হবে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এক নিবন্ধে এই হুমকি দেওয়ার পর এর কড়া জবাব দিয়েছে তেহরান। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট সতর্ক করে বলেন, তেহরানের অর্থনৈতিক জীবনের প্রতিটি পথ কেটে দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য। যেসব দেশ বা প্রতিষ্ঠান ইরান থেকে জ্বালানি তেল কেনা ও পরিবহনে সহায়তা করছে অথবা ব্যাংক ব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ বাণিজ্যে চোখ বুজে আছে, তাদেরও মারাত্মক অর্থনৈতিক পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলে যুক্তরাষ্ট্র হুমকি দিয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সএ তিনি দাবি করেন, ওয়াশিংটন ইতোমধ্যে ইরানের প্রায় শতভাগ সামরিক সক্ষমতা ও পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রকাশ্য হুমকির কড়া জবাব দিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই জানান, দ্বিতীয় পর্যায়ের এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী এবং জাতিসংঘের প্রতিটি সার্বভৌম দেশের ওপর নিজস্ব ক্ষমতা চাপিয়ে দেওয়ার মতো চেষ্টা। একই সঙ্গে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মহসিন রেজাই এক বার্তায় কড়া সতর্কবার্তা জারি করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই অর্থনৈতিক যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে পারস্য উপসাগর বা হরমুজ প্রণালী দিয়ে এক ফোটা তেলও বিদেশে রপ্তানি হতে দেবে না ইরান। মার্কিনদের এই অর্থনৈতিক অভিযানে যে দেশই অংশ নেবে বা সমর্থন জোগাবে, ইরান সেটিকে সরাসরি নিজেদের বিরুদ্ধেযুদ্ধ ঘোষণাহিসেবে ধরে নেবে।

উল্লেখ্য, টানা প্রায় ছয় মাস ধরে চলতে থাকা এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে কোনো ধরনের শান্তির পথ তৈরি হয়নি। বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালীতে অনুমোদনহীন যেকোনো ট্যাংকার ভেড়ানোর ওপর তেহরানের কঠোর নিষেধাজ্ঞার ফলে তেল পরিবহন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। 

যদিও বিশ্বের বৃহত্তম তেল আমদানিকারক চীন ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান উভয় পক্ষকেই আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ স্বীকার করেছেন যে সামরিক শক্তির পাশাপাশি এই অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে বাণিজ্যিক প্রবাহ অব্যাহত থাকা আবশ্যক। সূত্র: এনডিটিভি