ঢাকা , রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরানের ‘ভয়ংকর অস্ত্রের’ অনুকরণ করছে পুরো বিশ্ব শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো দক্ষিণ এশিয়ার ৩ দেশ একজনকে কুপিয়ে হত্যা করেছি, লাশ নিয়ে যান তুরাগে কার লাশ’ পোস্ট করে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ গোলাম মাওলা রনির বিরুদ্ধে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীকে ঘিরে ছাত্রদলে বিভক্তি বগুড়ায় বেশি বরাদ্দ অস্বীকার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের টেকনাফ সীমান্তে কালেমা লেখা সাদা পতাকা টাঙানো নিয়ে আলোচনা, খোঁজ নিচ্ছে প্রশাসন ‘হাদি হত্যার বিচার’ চেয়ে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে চিঠি সব রেকর্ড ভাঙল পাগলা মসজিদের দান, মিলল প্রায় ১৬ কোটি টাকা ২০ বছরের সংসার জীবনের ইতি টানলেন জনপ্রিয় চিকিৎসক দম্পতি সুষমা-কুশল

বাংলাদেশের এলডিসি মর্যাদা উত্তরণে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার পূর্ণ সমর্থন চাইছেন প্রফেসর ইউনূস

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:১৬:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থাকে (ডব্লিউটিও) বাংলাদেশের জন্য একটি মসৃণ রূপান্তর নিশ্চিত করার জন্য তার পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। কারণ, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মর্যাদা থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

 

প্রফেসর ইউনূস নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে ৮০তম সাধারণ পরিষদের সাইডলাইনে ডব্লিউটিও মহাপরিচালক ড. এনগোজি ওকোনজো-ইওয়েলার সঙ্গে বৈঠকের সময় এই বিষয়টি উত্থাপন করেন।

 

 

তিনি আসন্ন ডব্লিউটিও মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে বিশ্ব বাণিজ্য সংগঠনের মহাপরিচালককে ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মহাপরিচালক তার সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

 

 

বাংলাদেশ ২০২৬ সালের শেষের দিকে এলডিসি থেকে গ্র্যাজুয়েশন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

তাদের আলোচনা দীর্ঘ প্রত্যাশিত ডব্লিউটিও সংস্কার এবং বর্তমান বৈশ্বিক বাণিজ্য চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কেও ছিল।

 

জবাবে ড. ওকোনজো-ইওয়েলা জোর দিয়ে বলেন, ‘ব্যাপক উদ্বেগ সত্ত্বেও বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য স্থিতিস্থাপক রয়েছে। বিশ্ব বাণিজ্যের প্রায় ৭৫ শতাংশ এখনও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয়।’

 

ডব্লিউটিও প্রধান জেনেভাভিত্তিক সংস্থার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের সমর্থন কামনা করেন। তিনি বলেন, ‘ডব্লিউটিওকে অবশ্যই সংস্কার করতে হবে। আমি আপনার সক্রিয় সম্পৃক্ততা চাই। আমি এখানে আপনাদের নেতৃত্ব চাই।’

 

 

প্রফেসর ইউনূস ডব্লিউটিওর ব্যাপক সংস্কারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘দ্রুত বিকশিত বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবেশে কার্যকরভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য সংস্থাটিকে অবশ্যই মানিয়ে নিতে হবে।’ তিনি ‘চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার সময় এসেছে’ উল্লেখ করে বলেন, ‘বাংলাদেশ অর্থবহ পরিবর্তনের সমর্থনে সোচ্চার হতে প্রস্তুত।’

 

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি ও পরিবহন উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফি সিদ্দিকী, এসডিজি সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের ‘ভয়ংকর অস্ত্রের’ অনুকরণ করছে পুরো বিশ্ব

বাংলাদেশের এলডিসি মর্যাদা উত্তরণে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার পূর্ণ সমর্থন চাইছেন প্রফেসর ইউনূস

আপডেট সময় ০১:১৬:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থাকে (ডব্লিউটিও) বাংলাদেশের জন্য একটি মসৃণ রূপান্তর নিশ্চিত করার জন্য তার পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। কারণ, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মর্যাদা থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

 

প্রফেসর ইউনূস নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে ৮০তম সাধারণ পরিষদের সাইডলাইনে ডব্লিউটিও মহাপরিচালক ড. এনগোজি ওকোনজো-ইওয়েলার সঙ্গে বৈঠকের সময় এই বিষয়টি উত্থাপন করেন।

 

 

তিনি আসন্ন ডব্লিউটিও মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে বিশ্ব বাণিজ্য সংগঠনের মহাপরিচালককে ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মহাপরিচালক তার সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

 

 

বাংলাদেশ ২০২৬ সালের শেষের দিকে এলডিসি থেকে গ্র্যাজুয়েশন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

তাদের আলোচনা দীর্ঘ প্রত্যাশিত ডব্লিউটিও সংস্কার এবং বর্তমান বৈশ্বিক বাণিজ্য চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কেও ছিল।

 

জবাবে ড. ওকোনজো-ইওয়েলা জোর দিয়ে বলেন, ‘ব্যাপক উদ্বেগ সত্ত্বেও বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য স্থিতিস্থাপক রয়েছে। বিশ্ব বাণিজ্যের প্রায় ৭৫ শতাংশ এখনও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয়।’

 

ডব্লিউটিও প্রধান জেনেভাভিত্তিক সংস্থার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের সমর্থন কামনা করেন। তিনি বলেন, ‘ডব্লিউটিওকে অবশ্যই সংস্কার করতে হবে। আমি আপনার সক্রিয় সম্পৃক্ততা চাই। আমি এখানে আপনাদের নেতৃত্ব চাই।’

 

 

প্রফেসর ইউনূস ডব্লিউটিওর ব্যাপক সংস্কারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘দ্রুত বিকশিত বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবেশে কার্যকরভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য সংস্থাটিকে অবশ্যই মানিয়ে নিতে হবে।’ তিনি ‘চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার সময় এসেছে’ উল্লেখ করে বলেন, ‘বাংলাদেশ অর্থবহ পরিবর্তনের সমর্থনে সোচ্চার হতে প্রস্তুত।’

 

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি ও পরিবহন উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফি সিদ্দিকী, এসডিজি সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদ।