ঢাকা , শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যশোরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা পলাশসহ চারজনকে সেনাবাহিনীর অভিযানে আটক দিনের শুরুতে যে দোয়া পড়তেন নবিজি (সা.) ফিফা শান্তি পুরস্কার পাচ্ছেন ট্রাম্প যে আমলে দারিদ্র্য দূর হয় রাজনীতিতে ইসলাম মানে শুধু নাম নয়, কাজের মধ্যেও থাকতে হবে” বিএনপির এ্যানি নির্বাচনে অংশ নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত বিএনপি: বড় বিপর্যয় না হলে অংশগ্রহণের ঘোষণা রিজভীর বাংলাদেশে পাথর মেরে মানুষ হত্যার রাজনীতি আর চলবে না: জাহিদুল ইসলাম ‘এনসিপি নেতা আব্দুল হান্নান মাসউদ ও ছাত্রশক্তির শ্যামলী সুলতানা জেদনীর শুভ বিবাহ সম্পন্ন’ বিএনপির ২৭২ মনোনয়ন নিয়ে ক্ষোভ,১২ দলীয় জোটের জরুরি সংবাদ সম্মেলন সোমবার “কুরআনের বাংলাদেশ গড়তেই আমাদের লড়াই,চট্টগ্রামে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান”

বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় জামিনে কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আরও ৩৫ সাবেক সদস্য

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ১২৯ বার পড়া হয়েছে

 

বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বিডিআরের সাবেক ৩৫ সদস্য। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর পর্যায়ক্রমে তারা কারাগার থেকে বের হন। মুক্তির মুহূর্তে কারাফটকের সামনে উপস্থিত ছিলেন তাদের স্বজনরা।

গত বৃহস্পতিবার আদালত মোট ৫৩ জনের জামিন মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১ জন, পার্ট-১ থেকে ২ জন এবং পার্ট-২ থেকে ৩২ জনকে আজ মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

কারাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, দুপুরে জামিনের কাগজপত্র পৌঁছানোর পর তা যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যায় তাদের মুক্ত করা হয়। কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আল মামুন বলেন, প্রয়োজনীয় যাচাই শেষে একজন সাবেক বিডিআর সদস্যকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে পার্ট-১ এর সিনিয়র জেল সুপার আবু নূর মো. রেজা এবং পার্ট-২ এর সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন ২ জন ও ৩২ জন সাবেক সদস্যের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মুক্তিপ্রাপ্ত আব্দুল্লাহ আল মামুনের বড় বোন কামরুন্নাহার বলেন, “অনেক সময় মনে হয়েছে হয়তো ভাইকে আর ফিরে পাবো না। আজ তাকে সামনে পেয়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাই। বাবার মৃত্যুর পর মা ভেঙে পড়েছেন, এখন ভাইকে তাকে কাছে দিতে পারলে স্বস্তি পাবো। ভেতরে যারা আছে তারাও যেন দ্রুত মুক্তি পায়।”

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে ভয়াবহ বিদ্রোহের ঘটনায় ৭৪ জন নিহত হয়, যার মধ্যে ৫৭ জন ছিলেন সেনা কর্মকর্তা। পরবর্তী সময়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় ২০১৩ সালে বিচারিক আদালত ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। খালাস পান ২৭৮ জন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা পলাশসহ চারজনকে সেনাবাহিনীর অভিযানে আটক

বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় জামিনে কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আরও ৩৫ সাবেক সদস্য

আপডেট সময় ১০:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

 

বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বিডিআরের সাবেক ৩৫ সদস্য। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর পর্যায়ক্রমে তারা কারাগার থেকে বের হন। মুক্তির মুহূর্তে কারাফটকের সামনে উপস্থিত ছিলেন তাদের স্বজনরা।

গত বৃহস্পতিবার আদালত মোট ৫৩ জনের জামিন মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১ জন, পার্ট-১ থেকে ২ জন এবং পার্ট-২ থেকে ৩২ জনকে আজ মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

কারাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, দুপুরে জামিনের কাগজপত্র পৌঁছানোর পর তা যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যায় তাদের মুক্ত করা হয়। কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আল মামুন বলেন, প্রয়োজনীয় যাচাই শেষে একজন সাবেক বিডিআর সদস্যকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে পার্ট-১ এর সিনিয়র জেল সুপার আবু নূর মো. রেজা এবং পার্ট-২ এর সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন ২ জন ও ৩২ জন সাবেক সদস্যের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মুক্তিপ্রাপ্ত আব্দুল্লাহ আল মামুনের বড় বোন কামরুন্নাহার বলেন, “অনেক সময় মনে হয়েছে হয়তো ভাইকে আর ফিরে পাবো না। আজ তাকে সামনে পেয়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাই। বাবার মৃত্যুর পর মা ভেঙে পড়েছেন, এখন ভাইকে তাকে কাছে দিতে পারলে স্বস্তি পাবো। ভেতরে যারা আছে তারাও যেন দ্রুত মুক্তি পায়।”

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে ভয়াবহ বিদ্রোহের ঘটনায় ৭৪ জন নিহত হয়, যার মধ্যে ৫৭ জন ছিলেন সেনা কর্মকর্তা। পরবর্তী সময়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় ২০১৩ সালে বিচারিক আদালত ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। খালাস পান ২৭৮ জন।