ঢাকা , সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাদিকে হত্যার প্রতিবাদে সাত দেশের ভারতীয় দূতাবাসের সামনে শিখদের বিক্ষোভ আজ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৯১৫ বার পড়া হয়েছে

এবার ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই বিপ্লবের অন্যতম সংগঠক শহীদ শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার প্রতিবাদে সাতটি দেশের ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে পাঞ্জাবের স্বাধীনতাকামী শিখ সম্প্রদায়ের একাংশ। আজ বুধবার ওইসব দেশের স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় ভারতীয় দূতাবাসগুলোর সামনে বিক্ষোভ করবেন তারা। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা শিখস ফর জাস্টিসের (এসএফজে) জেনারেল কাউন্সেল গুরপতওয়ান্ত সিং পান্নুন এক ভিডিও বার্তায় এই ঘোষণা দেন।

পান্নুন জানান, ঢাকা, পাকিস্তানের ইসলামাবাদ, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন, যুক্তরাজ্যের লন্ডন, ইতালির মিলান, কানাডার টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভার এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি শহরে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে এই বিক্ষোভ করবে শিখ জনগোষ্ঠী। এ সময় কনস্যুলেটগুলো বন্ধ করার দাবি জানাবেন তারা।

হাদি হত্যার প্রধান আসামির ৮ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধহাদি হত্যার প্রধান আসামির ৮ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
শিখ নেতা পান্নুন বলেন, ‘বুধবার নিজ নিজ স্থানীয় সময় অনুযায়ী দুপুর ১২টায় আমরা ভারতীয় কনস্যুলেটগুলো বন্ধ করার কর্মসূচি পালন করব, যাতে বাংলাদেশে ছাত্রনেতাদের বিরুদ্ধে ভারতের সরকারের হত্যার পরিকল্পনাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরা যায় এবং মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার বিষয়টি বিশ্ববাসীর সামনে আসে।’

তিনি বলেন, ‘শিখস ফর জাস্টিস বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের গুপ্তহত্যার পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরতে যাচ্ছে। ভারত ইতোমধ্যেই ওসমান হাদিকে হত্যা করেছে। আমরা কর্মসূচি হিসেবে ভারতীয় দূতাবাসগুলো বন্ধ করে দেওয়ার ডাক দিয়েছি। কারণ এগুলোকে আমরা ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র-এর কেন্দ্র বলে মনে করি। এখান থেকেই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করা হয়।’

এই শিখ নেতা বলেন, ‘একইভাবে আমরা ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে দায়ী করছি। তিনিই ওসমান হাদিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন, হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছেন। এই দূতাবাস থেকেই হত্যাকাণ্ড, গুপ্তচরবৃত্তি ও নজরদারির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ কারণে আমরা ঢাকা, ইসলামাবাদ, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন, যুক্তরাজ্যের লন্ডন, ইতালির মিলান, কানাডার টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভার এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি থেকে একযোগে কর্মসূচির ডাক দিচ্ছি।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানের নিজস্ব প্রযুক্তির ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ

হাদিকে হত্যার প্রতিবাদে সাত দেশের ভারতীয় দূতাবাসের সামনে শিখদের বিক্ষোভ আজ

আপডেট সময় ০৯:৫৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই বিপ্লবের অন্যতম সংগঠক শহীদ শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার প্রতিবাদে সাতটি দেশের ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে পাঞ্জাবের স্বাধীনতাকামী শিখ সম্প্রদায়ের একাংশ। আজ বুধবার ওইসব দেশের স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় ভারতীয় দূতাবাসগুলোর সামনে বিক্ষোভ করবেন তারা। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা শিখস ফর জাস্টিসের (এসএফজে) জেনারেল কাউন্সেল গুরপতওয়ান্ত সিং পান্নুন এক ভিডিও বার্তায় এই ঘোষণা দেন।

পান্নুন জানান, ঢাকা, পাকিস্তানের ইসলামাবাদ, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন, যুক্তরাজ্যের লন্ডন, ইতালির মিলান, কানাডার টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভার এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি শহরে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে এই বিক্ষোভ করবে শিখ জনগোষ্ঠী। এ সময় কনস্যুলেটগুলো বন্ধ করার দাবি জানাবেন তারা।

হাদি হত্যার প্রধান আসামির ৮ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধহাদি হত্যার প্রধান আসামির ৮ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
শিখ নেতা পান্নুন বলেন, ‘বুধবার নিজ নিজ স্থানীয় সময় অনুযায়ী দুপুর ১২টায় আমরা ভারতীয় কনস্যুলেটগুলো বন্ধ করার কর্মসূচি পালন করব, যাতে বাংলাদেশে ছাত্রনেতাদের বিরুদ্ধে ভারতের সরকারের হত্যার পরিকল্পনাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরা যায় এবং মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার বিষয়টি বিশ্ববাসীর সামনে আসে।’

তিনি বলেন, ‘শিখস ফর জাস্টিস বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের গুপ্তহত্যার পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরতে যাচ্ছে। ভারত ইতোমধ্যেই ওসমান হাদিকে হত্যা করেছে। আমরা কর্মসূচি হিসেবে ভারতীয় দূতাবাসগুলো বন্ধ করে দেওয়ার ডাক দিয়েছি। কারণ এগুলোকে আমরা ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র-এর কেন্দ্র বলে মনে করি। এখান থেকেই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করা হয়।’

এই শিখ নেতা বলেন, ‘একইভাবে আমরা ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে দায়ী করছি। তিনিই ওসমান হাদিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন, হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছেন। এই দূতাবাস থেকেই হত্যাকাণ্ড, গুপ্তচরবৃত্তি ও নজরদারির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ কারণে আমরা ঢাকা, ইসলামাবাদ, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন, যুক্তরাজ্যের লন্ডন, ইতালির মিলান, কানাডার টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভার এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি থেকে একযোগে কর্মসূচির ডাক দিচ্ছি।’