ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার সময় ছেলের গায়ে ছিল গেঞ্জি, পরে দেখি শার্ট: সিদ্ধার্থের বাবা এবার সাভারে ওরস বন্ধের দাবি ‘তৌহিদি জনতার’, নেতৃত্বে বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত ২০২৭ সালের রমজানের সম্ভাব্য তারিখ ৬ অথবা ৭ ফেব্রুয়ারি বাবার মরদেহ বারান্দায়, সাড়ে তিন হাত জায়গা নিয়ে ২ ভাইয়ের মারামারি হাঁস-মুরগির দোকানে ম্যারেজ মিডিয়ার অফিস ওমরাহর জন্য স্ত্রীর জমানো টাকায় ৫৬ বছরের রাস্তা সংস্কার সন্তান জন্ম দিলেই মিলবে ৬৭ লাখ টাকা, ঘোষণা সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার আগে বলে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’, পরে বলে ‘গিভ মি ইওর প্ল্যান’: হাসনাত আব্দুল্লাহ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: এমপি শওকতুল ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত, আলোচিত সেই মাদরাসা শিক্ষকই শিশুটির বাবা

পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার সময় ছেলের গায়ে ছিল গেঞ্জি, পরে দেখি শার্ট: সিদ্ধার্থের বাবা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:২৬:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

রংপুরে পুলিশের হাতে আটক সিদ্ধার্থ দাসকে গণমাধ্যমের সামনে হাজির করার পর তার পরনের পোশাক নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের দাবি, আটকের সময় সিদ্ধার্থের গায়ে কেবল একটি গেঞ্জি ছিল এবং পুলিশের দেখানো ওই নকশার কোনো শার্ট তার কখনোই ছিল না। তবে যে পুলিশ কর্মকর্তার পোশাকের সঙ্গে আটক যুবকের শার্টের হুবহু মিল পাওয়া গেছে, সেই ডিবি কর্মকর্তা বিষয়টিকে নিছক ‘কাকতালীয়’ ঘটনা বলে দাবি করেছেন।

 

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে পরিবারের সদস্যরা জানান, আটকের সময় সিদ্ধার্থের শরীরে ওই শার্ট ছিল না। স্বজনদের বক্তব্য অনুযায়ী, গত শনিবার রাতে গণপতির বাড়িতে পুলিশসহ স্থানীয়দের উপস্থিতির পর রোববার ভোররাতে পুলিশ গিয়ে সিদ্ধার্থের খোঁজ করে। পরে চাচার বাড়ি থেকে ঘুমন্ত অবস্থায় ডেকে এনে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

 

 

সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস বলেন, ‘আটকের সময় ওর গায়ে কেবল একটি গেঞ্জি ছিল। পরে পুলিশ যখন সাংবাদিকদের সামনে আনল, তখন তার গায়ে ওই শার্ট দেখা গেছে। ওই ধরনের শার্ট তাকে কখনোই পরতে দেখিনি।’ প্রায় একই তথ্য জানিয়ে সিদ্ধার্থের বড় ভাই পার্থ দাস বলেন, ‘আমার ভাইয়ের কখনোই এমন নকশার কোনো শার্ট ছিল না। কীভাবে সে এই শার্ট পরল, তা পুলিশই ভালো বলতে পারবে।’

 

এর আগে রোববার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই পোশাক নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্তের সময় ধারণ করা বিভিন্ন স্থানীয় গণমাধ্যমের লাইভ ভিডিওতে রংপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কর্মকর্তা সনাতন চক্রবর্তীকে একটি নির্দিষ্ট প্রিন্টের শার্ট পরিহিত অবস্থায় দেখা যায়। পরবর্তীতে তার হাতে আটক মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে যখন বাইরে আনা হয়, তখন সিদ্ধার্থের গায়েও একই নকশার হুবহু মিল থাকা শার্ট দেখা যায়। একজন অভিযুক্ত ও তদন্তকারী কর্মকর্তার পোশাকের এমন অভিন্নতা সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর সন্দেহের জন্ম দেয়।

 

পোশাকের এই অভিন্নতা নিয়ে ডিবির কর্মকর্তা সনাতন চক্রবর্তী জানান, বিষয়টি সম্পূর্ণ কাকতালীয় ছাড়া আর কিছুই নয়। তার ভাষ্যমতে, ‘ওই শার্ট রংপুরে আমিসহ আরও দুই শ জনের আছে। একই ধরনের পোশাক অনেকেরই থাকতে পারে। এটাকে পুঁজি করে মূল ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার অপচেষ্টা চলছে।’ তিনি দাবি করেন, আটকের পর যখন অভিযুক্তদের কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়, তখনও সিদ্ধার্থের গায়ে ওই শার্টটিই ছিল।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার সময় ছেলের গায়ে ছিল গেঞ্জি, পরে দেখি শার্ট: সিদ্ধার্থের বাবা

পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার সময় ছেলের গায়ে ছিল গেঞ্জি, পরে দেখি শার্ট: সিদ্ধার্থের বাবা

আপডেট সময় ০১:২৬:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

রংপুরে পুলিশের হাতে আটক সিদ্ধার্থ দাসকে গণমাধ্যমের সামনে হাজির করার পর তার পরনের পোশাক নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের দাবি, আটকের সময় সিদ্ধার্থের গায়ে কেবল একটি গেঞ্জি ছিল এবং পুলিশের দেখানো ওই নকশার কোনো শার্ট তার কখনোই ছিল না। তবে যে পুলিশ কর্মকর্তার পোশাকের সঙ্গে আটক যুবকের শার্টের হুবহু মিল পাওয়া গেছে, সেই ডিবি কর্মকর্তা বিষয়টিকে নিছক ‘কাকতালীয়’ ঘটনা বলে দাবি করেছেন।

 

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে পরিবারের সদস্যরা জানান, আটকের সময় সিদ্ধার্থের শরীরে ওই শার্ট ছিল না। স্বজনদের বক্তব্য অনুযায়ী, গত শনিবার রাতে গণপতির বাড়িতে পুলিশসহ স্থানীয়দের উপস্থিতির পর রোববার ভোররাতে পুলিশ গিয়ে সিদ্ধার্থের খোঁজ করে। পরে চাচার বাড়ি থেকে ঘুমন্ত অবস্থায় ডেকে এনে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

 

 

সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস বলেন, ‘আটকের সময় ওর গায়ে কেবল একটি গেঞ্জি ছিল। পরে পুলিশ যখন সাংবাদিকদের সামনে আনল, তখন তার গায়ে ওই শার্ট দেখা গেছে। ওই ধরনের শার্ট তাকে কখনোই পরতে দেখিনি।’ প্রায় একই তথ্য জানিয়ে সিদ্ধার্থের বড় ভাই পার্থ দাস বলেন, ‘আমার ভাইয়ের কখনোই এমন নকশার কোনো শার্ট ছিল না। কীভাবে সে এই শার্ট পরল, তা পুলিশই ভালো বলতে পারবে।’

 

এর আগে রোববার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই পোশাক নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্তের সময় ধারণ করা বিভিন্ন স্থানীয় গণমাধ্যমের লাইভ ভিডিওতে রংপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কর্মকর্তা সনাতন চক্রবর্তীকে একটি নির্দিষ্ট প্রিন্টের শার্ট পরিহিত অবস্থায় দেখা যায়। পরবর্তীতে তার হাতে আটক মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে যখন বাইরে আনা হয়, তখন সিদ্ধার্থের গায়েও একই নকশার হুবহু মিল থাকা শার্ট দেখা যায়। একজন অভিযুক্ত ও তদন্তকারী কর্মকর্তার পোশাকের এমন অভিন্নতা সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর সন্দেহের জন্ম দেয়।

 

পোশাকের এই অভিন্নতা নিয়ে ডিবির কর্মকর্তা সনাতন চক্রবর্তী জানান, বিষয়টি সম্পূর্ণ কাকতালীয় ছাড়া আর কিছুই নয়। তার ভাষ্যমতে, ‘ওই শার্ট রংপুরে আমিসহ আরও দুই শ জনের আছে। একই ধরনের পোশাক অনেকেরই থাকতে পারে। এটাকে পুঁজি করে মূল ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার অপচেষ্টা চলছে।’ তিনি দাবি করেন, আটকের পর যখন অভিযুক্তদের কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়, তখনও সিদ্ধার্থের গায়ে ওই শার্টটিই ছিল।