ইরান তার দুই ছেলের একজনকে হত্যার চেষ্টা করেছিল বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ বা বিস্তারিত তথ্য দেননি। মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) ইসরায়েলের চ্যানেল ১৪–কে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি এই অভিযোগ করেন।
আসন্ন নির্বাচনে নেতানিয়াহুর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ও সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনার সময় এই প্রসঙ্গটি উঠে আসে। আইজেনকটকে নিরাপত্তা দিতে দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেট রাজি হয়নি বলে যে খবর বেরিয়েছে, তা নিয়ে কথা বলার সময় নেতানিয়াহু তার পূর্ণ নিরাপত্তার পক্ষে মত দেন। তিনি বলেন, ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা হলে ইরানিরা তাদের পরিকল্পনায় সফল হতে পারে।
নেতানিয়াহুর দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তবে ঠিক কোন ছেলেকে নিশানা করা হয়েছিল, তা তিনি স্পষ্টভাবে বলেননি। তার বড় ছেলে ৩৫ বছর বয়সী ইয়াইর ২০২৪ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে অবস্থান করছেন এবং শিন বেটের নিরাপত্তায় আছেন বলে জানা যায়। মায়ামিতে তার অবস্থান এবং সরকারি খরচে নিরাপত্তা দেওয়া নিয়ে ইসরায়েলে বেশ সমালোচনা রয়েছে।
নেতানিয়াহুর এই বক্তব্যের পর ইসরায়েলি সাংবাদিক অমিত সেগাল জানান, এই হামলার চেষ্টার বিষয়টি কয়েক মাস আগেই জানা গিয়েছিল, তবে তা প্রকাশের ওপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা ছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর তার ছেলে মোজতবা খামেনি নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। মোজতবা নিজেও ওই হামলায় আহত হন এবং তার পরিবারের একাধিক সদস্যকে হারান। পরবর্তীতে এক বার্তায় তিনি তার বাবার হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন। সূত্র: ফ্রান্স ২৪

ডেস্ক রিপোর্ট 





















