ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী সম্পত্তি হস্তান্তর আইন বাতিল না করলে সব বিভাগীয় শহরে সমাবেশ-বিক্ষোভ শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্যের সঙ্গে ভারত সরকারের সম্পৃক্ততা নেই: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা যেকোনো দলের বৈধ প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন: মীর শাহে আলম গত ১৭ বছরে মতপ্রকাশের সুযোগ ছিল শুধু একজন ও একটি দলের: রিজভী ‘দেরি হওয়ার আগেই দেশে ফিরে যান’, মার্কিন সেনাদের ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি ভারতের মাটিতে নামলো রাশিয়ার ৩ সামরিক যুদ্ধবিমান বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অশালীন বক্তব্য, আদমজী কলেজ থেকে বহিষ্কার হতে পারে সেই সিফাত ফিলিস্তিনের প্রতি পুনর্সমর্থন ব্যক্ত করলো পাকিস্তান-তুরস্ক কক্সবাজারের ইনানী বনে দেখা মিলল বিরল মেঘলা চিতার, মিলেছে আরও ২১ প্রজাতির বন্যপ্রাণী

দেশের বাজারে পাওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:০৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
  • ৩৬০ বার পড়া হয়েছে

এবার বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টুথপেস্ট পরীক্ষা করে ২৬টিতেই মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর ক্ষুদ্র প্লাস্টিকের কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে প্লাস্টিকের কণা মিলেছে সর্বনিম্ন ২০টি থেকে সর্বোচ্চ ৩২০টি পর্যন্ত। পরীক্ষা করা টুথপেস্টগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেলে। পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো) দীর্ঘ এক বছর ধরে গবেষণা চালিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। 

রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীর লালমাটিয়ায় এসডোর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার বিস্তারিত ফলাফল তুলে ধরা হয়। সংস্থাটি জানায়, দেশজুড়ে ২ হাজার ৭৬০ জন ভোক্তার ওপর সমীক্ষা চালানোর পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি ল্যাবরেটরিতে স্টিরিওমাইক্রোস্কোপি ও ফুরিয়ার ট্র্যান্সফর্ম ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কোপি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা চালানো হয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, পরীক্ষা করা টুথপেস্টগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে উৎপাদিত ২৫টির ২২টিতে, ভারতে উৎপাদিত ৫টির ১টিতে, থাইল্যান্ডে উৎপাদিত ২টির ১টিতে এবং ভিয়েতনামে উৎপাদিত ২টি ব্র্যান্ডের দুটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক মিলেছে। আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, শিশুদের জন্য তৈরি বিশেষ ৬টি টুথপেস্টের ৪টিতেই ক্ষতিকর প্লাস্টিকের কণা শনাক্ত করা গেছে। ফলাফলে উল্লেখ করা হয়, প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে সবচেয়ে বেশি ৩২০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেলে। এ ছাড়া ক্লোজ আপ রেড হটএ ১৬০টি, ক্লোজ আপ মেন্থল ফ্রেশএ ১৬০টি, কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা স্ট্রবেরিতে ১৪০টি, সিগন্যাল গ্রিন টিতে ১২০টি, পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্টএ ১০০টি, হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ারএ ১০০টি এবং সেনসোডাইন ফ্রেশ মিন্টে ৮০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।

শিশুদের ব্যবহারের জন্য তৈরি টুথপেস্টের মধ্যে কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলায় ১৪০টি, মেরিল বেবি স্ট্রবেরিতে ৬০টি, মেরিল বেবি অরেঞ্জে ৪০টি এবং পেপসোডেন্ট কিড অরেঞ্জে ২০টি প্লাস্টিকের কণা ধরা পড়েছে। তবে সব টুথপেস্টে প্লাস্টিক কণা মেলেনি। গবেষণায় দেখা গেছে, দেশীয় ব্র্যান্ড জেনফ্রেশ, প্যারাস্যুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) এবং ক্লোজ আপ রেড হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজিতে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি শিশুদের জন্য বাইরে থেকে আমদানিকৃত কুডুমু অরেঞ্জেও ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক ধরা পড়েনি বলে নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী

দেশের বাজারে পাওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক

আপডেট সময় ০৩:০৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

এবার বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টুথপেস্ট পরীক্ষা করে ২৬টিতেই মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর ক্ষুদ্র প্লাস্টিকের কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে প্লাস্টিকের কণা মিলেছে সর্বনিম্ন ২০টি থেকে সর্বোচ্চ ৩২০টি পর্যন্ত। পরীক্ষা করা টুথপেস্টগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেলে। পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো) দীর্ঘ এক বছর ধরে গবেষণা চালিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। 

রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীর লালমাটিয়ায় এসডোর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার বিস্তারিত ফলাফল তুলে ধরা হয়। সংস্থাটি জানায়, দেশজুড়ে ২ হাজার ৭৬০ জন ভোক্তার ওপর সমীক্ষা চালানোর পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি ল্যাবরেটরিতে স্টিরিওমাইক্রোস্কোপি ও ফুরিয়ার ট্র্যান্সফর্ম ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কোপি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা চালানো হয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, পরীক্ষা করা টুথপেস্টগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে উৎপাদিত ২৫টির ২২টিতে, ভারতে উৎপাদিত ৫টির ১টিতে, থাইল্যান্ডে উৎপাদিত ২টির ১টিতে এবং ভিয়েতনামে উৎপাদিত ২টি ব্র্যান্ডের দুটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক মিলেছে। আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, শিশুদের জন্য তৈরি বিশেষ ৬টি টুথপেস্টের ৪টিতেই ক্ষতিকর প্লাস্টিকের কণা শনাক্ত করা গেছে। ফলাফলে উল্লেখ করা হয়, প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে সবচেয়ে বেশি ৩২০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেলে। এ ছাড়া ক্লোজ আপ রেড হটএ ১৬০টি, ক্লোজ আপ মেন্থল ফ্রেশএ ১৬০টি, কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা স্ট্রবেরিতে ১৪০টি, সিগন্যাল গ্রিন টিতে ১২০টি, পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্টএ ১০০টি, হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ারএ ১০০টি এবং সেনসোডাইন ফ্রেশ মিন্টে ৮০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।

শিশুদের ব্যবহারের জন্য তৈরি টুথপেস্টের মধ্যে কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলায় ১৪০টি, মেরিল বেবি স্ট্রবেরিতে ৬০টি, মেরিল বেবি অরেঞ্জে ৪০টি এবং পেপসোডেন্ট কিড অরেঞ্জে ২০টি প্লাস্টিকের কণা ধরা পড়েছে। তবে সব টুথপেস্টে প্লাস্টিক কণা মেলেনি। গবেষণায় দেখা গেছে, দেশীয় ব্র্যান্ড জেনফ্রেশ, প্যারাস্যুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) এবং ক্লোজ আপ রেড হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজিতে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি শিশুদের জন্য বাইরে থেকে আমদানিকৃত কুডুমু অরেঞ্জেও ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক ধরা পড়েনি বলে নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।