ঢাকা , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মহানবী (সা.) এর আদর্শে শান্তি-সম্প্রীতির সমাজ গড়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর আসছে অন্যতম বিরল চন্দ্রগ্রহণ সালমান শাহ হত্যা মামলা: ডনকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের অপেক্ষায় সিআইডি নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা: নিহত ২২, নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক তিন বছরের প্রেম, ১০ দিনের সংসার; তালাকের জেরে কলেজছাত্রীর হাত বিচ্ছিন্ন, আটক শায়ন এক বছরে অস্ত্র উৎপাদন দ্বিগুণ করেছে ইরান দেশে সারের কোনো সংকট নেই: ত্রাণমন্ত্রী শিক্ষাকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের মূল চালিকাশক্তি করার আহ্বান মাহদী আমিনের ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর গুজব ‘আমার বাচ্চা ফেরত দিন, না হলে উঠবো না’- পাকিস্তানে হাসপাতালে ১৪ নবজাতকের মৃত্যু নিয়ে যা জানা যাচ্ছে

শিগগিরই শুরু হচ্ছে মায়েদের হাতে রান্না করা মিড-ডে মিলের পাইলট প্রকল্প: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৪৬:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

শ্রীলঙ্কা ও ভারতের তামিলনাড়ুর অভিজ্ঞতা অনুসরণ করে বাংলাদেশেও মায়েদের সম্পৃক্ততায় শিশুদের জন্য রান্না করা খাবার সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

বুধবার (২৬ আগস্ট) চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহিদ সাটু হলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচি নিয়ে আয়োজিত প্রধান শিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন ও মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, স্থানীয় বাজার থেকে শাকসবজি, ডিম, মাছসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করে মায়েদের মাধ্যমে রান্না ও সরবরাহের বিভিন্ন মডেল পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হবে। পদ্ধতি যাই হোক, প্রতিটি শিশুর কাছে সঠিক সময়ে নিরাপদ, মানসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে জানান তিনি।

মিড-ডে মিল কর্মসূচিতে মাদারস কমিটির ভূমিকার প্রশংসা করে ববি হাজ্জাজ বলেন, মায়েদের সরাসরি নজরদারির কারণে অনিয়ম ও অভিযোগ কমেছে। খাবারের মান, সরবরাহ ও বিতরণে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি বিদ্যালয়ের মাদারস কমিটিকে আরও সক্রিয় করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, খাবারের গুণগত মান, গন্ধ বা স্বাদে কোনো সমস্যা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে খাবার প্রত্যাখ্যান করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো শিশু যেন বিদ্যালয়ের বাইরে না থাকে এবং প্রত্যেক শিশুকে মানসম্মত শিক্ষা দেওয়া—সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে শিক্ষক ও মাঠপর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

এ ছাড়া শিক্ষক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থায় পরিবর্তন, মূল্যায়নভিত্তিক পদোন্নতি, নতুন বদলি নীতি এবং পেশাগত উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। দুর্গম এলাকার শিক্ষকদের জন্য নির্দিষ্ট বিদ্যালয়ভিত্তিক দুর্গম ভাতা চালুর বিষয়েও নতুন নীতিমালায় ব্যবস্থা রাখার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষক সংকট নিরসনে শূন্য পদ পূরণ, প্রধান শিক্ষক নিয়োগ এবং বিদ্যালয়গুলোতে প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করার কাজ এগিয়ে চলছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। নদীভাঙন ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিদ্যালয়ের জন্য স্থানান্তরযোগ্য অবকাঠামোর মডেল নিয়েও কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মহানবী (সা.) এর আদর্শে শান্তি-সম্প্রীতির সমাজ গড়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর

শিগগিরই শুরু হচ্ছে মায়েদের হাতে রান্না করা মিড-ডে মিলের পাইলট প্রকল্প: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৪৬:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

শ্রীলঙ্কা ও ভারতের তামিলনাড়ুর অভিজ্ঞতা অনুসরণ করে বাংলাদেশেও মায়েদের সম্পৃক্ততায় শিশুদের জন্য রান্না করা খাবার সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

বুধবার (২৬ আগস্ট) চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহিদ সাটু হলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচি নিয়ে আয়োজিত প্রধান শিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন ও মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, স্থানীয় বাজার থেকে শাকসবজি, ডিম, মাছসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করে মায়েদের মাধ্যমে রান্না ও সরবরাহের বিভিন্ন মডেল পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হবে। পদ্ধতি যাই হোক, প্রতিটি শিশুর কাছে সঠিক সময়ে নিরাপদ, মানসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে জানান তিনি।

মিড-ডে মিল কর্মসূচিতে মাদারস কমিটির ভূমিকার প্রশংসা করে ববি হাজ্জাজ বলেন, মায়েদের সরাসরি নজরদারির কারণে অনিয়ম ও অভিযোগ কমেছে। খাবারের মান, সরবরাহ ও বিতরণে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি বিদ্যালয়ের মাদারস কমিটিকে আরও সক্রিয় করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, খাবারের গুণগত মান, গন্ধ বা স্বাদে কোনো সমস্যা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে খাবার প্রত্যাখ্যান করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো শিশু যেন বিদ্যালয়ের বাইরে না থাকে এবং প্রত্যেক শিশুকে মানসম্মত শিক্ষা দেওয়া—সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে শিক্ষক ও মাঠপর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

এ ছাড়া শিক্ষক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থায় পরিবর্তন, মূল্যায়নভিত্তিক পদোন্নতি, নতুন বদলি নীতি এবং পেশাগত উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। দুর্গম এলাকার শিক্ষকদের জন্য নির্দিষ্ট বিদ্যালয়ভিত্তিক দুর্গম ভাতা চালুর বিষয়েও নতুন নীতিমালায় ব্যবস্থা রাখার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষক সংকট নিরসনে শূন্য পদ পূরণ, প্রধান শিক্ষক নিয়োগ এবং বিদ্যালয়গুলোতে প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করার কাজ এগিয়ে চলছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। নদীভাঙন ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিদ্যালয়ের জন্য স্থানান্তরযোগ্য অবকাঠামোর মডেল নিয়েও কাজ চলছে বলে জানান তিনি।