ঢাকা , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দেশে ফেরা বাদ দিন, শেখ হাসিনার কবরও বাংলাদেশে হবে না: সারজিস ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দল নেতার বিরুদ্ধে মহানবী (সা.) এর আদর্শে শান্তি-সম্প্রীতির সমাজ গড়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর আসছে অন্যতম বিরল চন্দ্রগ্রহণ সালমান শাহ হত্যা মামলা: ডনকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের অপেক্ষায় সিআইডি নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা: নিহত ২২, নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক তিন বছরের প্রেম, ১০ দিনের সংসার; তালাকের জেরে কলেজছাত্রীর হাত বিচ্ছিন্ন, আটক শায়ন এক বছরে অস্ত্র উৎপাদন দ্বিগুণ করেছে ইরান দেশে সারের কোনো সংকট নেই: ত্রাণমন্ত্রী শিক্ষাকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের মূল চালিকাশক্তি করার আহ্বান মাহদী আমিনের

আসছে অন্যতম বিরল চন্দ্রগ্রহণ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:৪২:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

মহাজাগতিক এক অপরূপ সৌন্দর্যের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। শিগগির আকাশে দেখা মিলবে এক অসাধারণ চন্দ্রগ্রহণের, যেখানে চাঁদের প্রায় ৯৬ শতাংশই ঢেকে যাবে পৃথিবীর ছায়ায়। এই বিরল ঘটনার ফলে আমাদের উপগ্রহটি এক গাঢ় রক্তিম বা লালচে আভা ধারণ করবে, যা মহাকাশপ্রেমীদের জন্য এক চোখজুড়ানো দৃশ্য তৈরি করবে।

 

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) এই চন্দ্রগ্রহণ ঘটবে। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বাসিন্দারা পুরো গ্রহণটি স্পষ্টভাবে উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। সব মিলিয়ে প্রায় এক বিলিয়ন বা ১০০ কোটি মানুষ পূর্ণাঙ্গভাবে এই দৃশ্য দেখতে পারবেন। এছাড়া ইউরোপ, আফ্রিকা ও পশ্চিম এশিয়ার কিছু অংশে আংশিকভাবে এটি দেখা যাবে। সব মিলিয়ে বিশ্বের প্রায় ৪৪ শতাংশ মানুষ এই মহাজাগতিক দৃশ্যটি প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পাবেন।

 

 

 

চন্দ্রগ্রহণ হলো একটি প্রাকৃতিক মহাজাগতিক প্রক্রিয়া, যা সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদের নির্দিষ্ট অবস্থানের ফলে ঘটে থাকে। যখন সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে একদম এক সরলরেখায় পৃথিবী চলে আসে, তখন পৃথিবীর বিশাল ছায়া চন্দ্রপৃষ্ঠে গিয়ে পড়ে। এই বিশেষ মহাজাগতিক অবস্থানটি কেবল পূর্ণিমার দিনেই ঘটা সম্ভব।

 

বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী, শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল ৭টা ২৩ মিনিট এই গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে ও শেষ হবে দুপুর ১টা ২ মিনিটে। যখন পৃথিবীর ছায়ায় চাঁদের সিংহভাগ ঢেকে যাবে, অর্থাৎ এই গ্রহণের চরম মুহূর্তটি (Peak Time) দেখা যাবে সকাল ১০ টা ১৩ মিনিটে।

 

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন অঞ্চলে দৃশ্যমানতা

 

গ্রহণ চলাকালীন সময়ে ওই অঞ্চলে দিন থাকার কারণে বাংলাদেশ থেকে এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে না। ঠিক একই কারণে অস্ট্রেলিয়া, অ্যান্টার্কটিকা ও ‘প্যাসিফিক রিম’ বা প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলীয় অঞ্চল থেকেও এটি দৃশ্যমান হবে না।

 

সূত্র: দ্য হিন্দু

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে ফেরা বাদ দিন, শেখ হাসিনার কবরও বাংলাদেশে হবে না: সারজিস

আসছে অন্যতম বিরল চন্দ্রগ্রহণ

আপডেট সময় ০৭:৪২:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

মহাজাগতিক এক অপরূপ সৌন্দর্যের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। শিগগির আকাশে দেখা মিলবে এক অসাধারণ চন্দ্রগ্রহণের, যেখানে চাঁদের প্রায় ৯৬ শতাংশই ঢেকে যাবে পৃথিবীর ছায়ায়। এই বিরল ঘটনার ফলে আমাদের উপগ্রহটি এক গাঢ় রক্তিম বা লালচে আভা ধারণ করবে, যা মহাকাশপ্রেমীদের জন্য এক চোখজুড়ানো দৃশ্য তৈরি করবে।

 

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) এই চন্দ্রগ্রহণ ঘটবে। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বাসিন্দারা পুরো গ্রহণটি স্পষ্টভাবে উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। সব মিলিয়ে প্রায় এক বিলিয়ন বা ১০০ কোটি মানুষ পূর্ণাঙ্গভাবে এই দৃশ্য দেখতে পারবেন। এছাড়া ইউরোপ, আফ্রিকা ও পশ্চিম এশিয়ার কিছু অংশে আংশিকভাবে এটি দেখা যাবে। সব মিলিয়ে বিশ্বের প্রায় ৪৪ শতাংশ মানুষ এই মহাজাগতিক দৃশ্যটি প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পাবেন।

 

 

 

চন্দ্রগ্রহণ হলো একটি প্রাকৃতিক মহাজাগতিক প্রক্রিয়া, যা সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদের নির্দিষ্ট অবস্থানের ফলে ঘটে থাকে। যখন সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে একদম এক সরলরেখায় পৃথিবী চলে আসে, তখন পৃথিবীর বিশাল ছায়া চন্দ্রপৃষ্ঠে গিয়ে পড়ে। এই বিশেষ মহাজাগতিক অবস্থানটি কেবল পূর্ণিমার দিনেই ঘটা সম্ভব।

 

বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী, শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল ৭টা ২৩ মিনিট এই গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে ও শেষ হবে দুপুর ১টা ২ মিনিটে। যখন পৃথিবীর ছায়ায় চাঁদের সিংহভাগ ঢেকে যাবে, অর্থাৎ এই গ্রহণের চরম মুহূর্তটি (Peak Time) দেখা যাবে সকাল ১০ টা ১৩ মিনিটে।

 

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন অঞ্চলে দৃশ্যমানতা

 

গ্রহণ চলাকালীন সময়ে ওই অঞ্চলে দিন থাকার কারণে বাংলাদেশ থেকে এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে না। ঠিক একই কারণে অস্ট্রেলিয়া, অ্যান্টার্কটিকা ও ‘প্যাসিফিক রিম’ বা প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলীয় অঞ্চল থেকেও এটি দৃশ্যমান হবে না।

 

সূত্র: দ্য হিন্দু