চীন ও ভারতকে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী এবং বিশ্বের প্রধান উন্নয়নশীল দেশ ও উদীয়মান অর্থনীতির প্রতিনিধি হিসেবে উল্লেখ করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সুস্থ ও স্থিতিশীল উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।
মঙ্গলবার বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত চীন-ভারত সীমান্তবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধিদের ২৫তম বৈঠকে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত কুমার দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এ সময় সীমান্ত ইস্যু ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ও খোলামেলা আলোচনা হয়।
ওয়াং ই বলেন, চীন-ভারত সম্পর্কের গুরুত্ব শুধু দ্বিপক্ষীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়, এর রয়েছে বৈশ্বিক ও কৌশলগত তাৎপর্য। পারস্পরিক যোগাযোগ ও সমন্বয় বাড়িয়ে মতপার্থক্য দূর করতে এবং দুই দেশকে সুপ্রতিবেশী, বন্ধুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিক লাভজনক অংশীদার হিসেবে গড়ে তুলতে চায় চীন।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত ইস্যুতে সংলাপ, শান্তি, আলোচনা ও সহযোগিতাকেই প্রধান ধারা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
অন্যদিকে অজিত দোভাল বলেন, ভারত ও চীনকে প্রতিযোগী নয়, অংশীদার হিসেবে দেখা উচিত। স্থিতিশীল, পূর্বানুমানযোগ্য ও দূরদর্শী সম্পর্ক দুই দেশের জনগণের পাশাপাশি এশিয়া ও বিশ্বের স্বার্থেও গুরুত্বপূর্ণ।
বৈঠকে সীমান্ত নির্ধারণ সংক্রান্ত আলোচনা এগিয়ে নেওয়া, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে মতবিনিময় হয়। ২০০৫ সালের রাজনৈতিক নির্দেশিকা অনুসরণ করে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে কাজ করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করে দুই পক্ষ।
এ ছাড়া, ২০২৭ সালে ভারতে চীন-ভারত সীমান্তবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধিদের ২৬তম বৈঠক আয়োজনের বিষয়ে সম্মত হয়েছে দুই দেশ।
সূত্র: সিএমজি

ডেস্ক রিপোর্ট 





















