ঢাকা , রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘আমি গ্রেপ্তার হইনি, আমি কোথাও চাঁদাবাজিও করি নাই’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৫৭:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫
  • ১৪২৩ বার পড়া হয়েছে

এবার রাজধানীর গুলশানে চাঁদা আদায়ের সময় হাতেনাতে আটক হন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়কসহ কয়েকজন। শনিবার সন্ধ্যার পর তাদের আটক করা হয়। এই চাঁদাবাজির ঘটনায় গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের কেন্দ্রীয় দুই নেতাকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা হলেন- ঘটনার মূল হোতা আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান রিয়াদ ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক জানে আলম অপু।

এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন তাদের তিন নেতাকে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করেছে। গতকাল (শনিবার) এ ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দেন গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক জানে আলম অপু। পোস্টে তিনি বলেন, ‘প্রথমত আমি গ্রেপ্তার হইনি, দ্বিতীয়ত আমি কোথাও চাঁদাবাজিও করি নাই। আজকের গুলশানের ঘটনায় আমি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনোভাবেই জড়িত ছিলাম না।

’ এছাড়া চাঁদাবাজির ঘটনার ভিডিওর ব্যাখ্যা মিডিয়ার সামনে দেবে বলেও তিনি জানান। জানে আলম অপু তার দেওয়া পোস্টে আরো বলেন, ‘প্রচণ্ড মানসিক চাপে আছি, এত এত মানুষের কল, মেসেজ, সোশাল মিডিয়ায় লেখালেখি, সব মিলিয়ে বেশ কঠিন পরিস্থিতিতে পরলাম। কিছু মিডিয়ার আংশিক নিউজ প্রচারের ফলে আমাকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। আমাকে একটু স্থির হবার সুযোগ দিন প্লিজ, আমি আপনাদের সব প্রশ্নের উত্তর দেব এবং আমার দ্বারা যদি অপরাধ ঘটে থাকে তাহলে আমি তার জন্য প্রাপ্য শাস্তি মাথা পেতে নেব।

বিস্তারিত জানাব খুব শিগগির, একটু সময় দিন প্লিজ।’ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের আলাদা দুটি জরুরি নোটিশে বলা হয়েছে, কতিপয় ব্যক্তি সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজি করতে গেলে সেখানে গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ, কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক জানে আলম অপু ও সদস্য আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমানের সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পায়।

নোটিশে আরো বলা হয় ‘গঠনতন্ত্রের ধারা ৩.১ অনুযায়ী, সংগঠনের ভাবমূর্তি ও শৃঙ্খলার পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা এবং চাঁদাবাজির সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্টতার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রাপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সংসদের আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার ও সদস্যসচিব জাহিদ আহসানের নির্দেশনায় দুইজনকে গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের সব পর্যায়ের দায়িত্ব ও সদস্যপদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো। একই সঙ্গে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ অনুরোধ জানায়।’ এদিকে এ ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৩ জনকে স্থায়ী বহিষ্কার করেছে সংগঠনটি। রাতেই এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আমি গ্রেপ্তার হইনি, আমি কোথাও চাঁদাবাজিও করি নাই’

আপডেট সময় ০২:৫৭:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

এবার রাজধানীর গুলশানে চাঁদা আদায়ের সময় হাতেনাতে আটক হন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়কসহ কয়েকজন। শনিবার সন্ধ্যার পর তাদের আটক করা হয়। এই চাঁদাবাজির ঘটনায় গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের কেন্দ্রীয় দুই নেতাকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা হলেন- ঘটনার মূল হোতা আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান রিয়াদ ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক জানে আলম অপু।

এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন তাদের তিন নেতাকে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করেছে। গতকাল (শনিবার) এ ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দেন গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক জানে আলম অপু। পোস্টে তিনি বলেন, ‘প্রথমত আমি গ্রেপ্তার হইনি, দ্বিতীয়ত আমি কোথাও চাঁদাবাজিও করি নাই। আজকের গুলশানের ঘটনায় আমি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনোভাবেই জড়িত ছিলাম না।

’ এছাড়া চাঁদাবাজির ঘটনার ভিডিওর ব্যাখ্যা মিডিয়ার সামনে দেবে বলেও তিনি জানান। জানে আলম অপু তার দেওয়া পোস্টে আরো বলেন, ‘প্রচণ্ড মানসিক চাপে আছি, এত এত মানুষের কল, মেসেজ, সোশাল মিডিয়ায় লেখালেখি, সব মিলিয়ে বেশ কঠিন পরিস্থিতিতে পরলাম। কিছু মিডিয়ার আংশিক নিউজ প্রচারের ফলে আমাকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। আমাকে একটু স্থির হবার সুযোগ দিন প্লিজ, আমি আপনাদের সব প্রশ্নের উত্তর দেব এবং আমার দ্বারা যদি অপরাধ ঘটে থাকে তাহলে আমি তার জন্য প্রাপ্য শাস্তি মাথা পেতে নেব।

বিস্তারিত জানাব খুব শিগগির, একটু সময় দিন প্লিজ।’ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের আলাদা দুটি জরুরি নোটিশে বলা হয়েছে, কতিপয় ব্যক্তি সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজি করতে গেলে সেখানে গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ, কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক জানে আলম অপু ও সদস্য আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমানের সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পায়।

নোটিশে আরো বলা হয় ‘গঠনতন্ত্রের ধারা ৩.১ অনুযায়ী, সংগঠনের ভাবমূর্তি ও শৃঙ্খলার পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা এবং চাঁদাবাজির সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্টতার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রাপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সংসদের আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার ও সদস্যসচিব জাহিদ আহসানের নির্দেশনায় দুইজনকে গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের সব পর্যায়ের দায়িত্ব ও সদস্যপদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো। একই সঙ্গে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ অনুরোধ জানায়।’ এদিকে এ ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৩ জনকে স্থায়ী বহিষ্কার করেছে সংগঠনটি। রাতেই এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।