ঢাকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ব্রিটিশরা না থাকলে আমেরিকানরা এখন ফরাসি ভাষায় কথা বলত: ট্রাম্পকে খোঁচা রাজা তৃতীয় চার্লসের হরমুজ প্রণালির জন্য ইরানকে টোল দিতে রাজি নয় মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে শুভেন্দুকে মারার চেষ্টা পিএসএলের ফাইনালে গতির ঝড় তুলতে পাকিস্তান যাচ্ছেন নাহিদ রানা ইরানকে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে পাকিস্তান স্কুলছাত্রী অদিতাকে নৃশংসভাবে হত্যা: সেই গৃহশিক্ষকের ফাঁসির আদেশ দেশের ৫ জেলায় বন্যার আশঙ্কা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য সুখবর, সহায়তার ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী প্রার্থনা করি, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক যেন আর ভালো না হয়: আসামের মুখ্যমন্ত্রী বরিশালে হাসপাতালের বেডে শুয়েই অশ্লীলতা দুই সমকামী তরুণীর

এবার ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বেবিচকের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী হাবিবুর গ্রেপ্তার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৩০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে

এবার কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ও রানওয়ে নির্মাণকাজে ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে দুদকের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

এদিকে দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত চলাকালে আজ আসামি হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হলো। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং আলামত নষ্ট বা সাক্ষীদের ওপর প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা থাকায় তাকে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানিয়েছে দুদক।

মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেনসাবেক সিনিয়র সচিব মুহিবুল হক, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সাবেক যুগ্ম সচিব জনেন্দ্রনাথ সরকার, বেবিচকের সাবেক চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল মালেক, অ্যারনেস ইন্টারন্যাশনালের মালিক লুৎফুল্লাহ মাজেদ, এমডি মাহবুব আনাম, সাবেক উপসচিব মো. শফিকুল ইসলাম এবং প্রকল্প পরিচালক মো. ইউনুস ভূঁইয়া।

এদিকে মামলার এজাহার অনুযায়ী, কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়। প্রচলিত ক্রয়প্রক্রিয়া ও বিধিবিধান লঙ্ঘন করে একটি চীনা কোম্পানিকে কার্যাদেশ প্রদানে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেন তারিক আহমেদ সিদ্দিকীসহ অন্য আসামিরা। পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিয়ে স্থানীয় এজেন্ট অ্যারোনেস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের সঙ্গে যোগসাজশে প্রকল্প থেকে অন্তত ১৫০ কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রিটিশরা না থাকলে আমেরিকানরা এখন ফরাসি ভাষায় কথা বলত: ট্রাম্পকে খোঁচা রাজা তৃতীয় চার্লসের

এবার ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বেবিচকের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী হাবিবুর গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৪:৩০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

এবার কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ও রানওয়ে নির্মাণকাজে ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে দুদকের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

এদিকে দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত চলাকালে আজ আসামি হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হলো। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং আলামত নষ্ট বা সাক্ষীদের ওপর প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা থাকায় তাকে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানিয়েছে দুদক।

মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেনসাবেক সিনিয়র সচিব মুহিবুল হক, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সাবেক যুগ্ম সচিব জনেন্দ্রনাথ সরকার, বেবিচকের সাবেক চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল মালেক, অ্যারনেস ইন্টারন্যাশনালের মালিক লুৎফুল্লাহ মাজেদ, এমডি মাহবুব আনাম, সাবেক উপসচিব মো. শফিকুল ইসলাম এবং প্রকল্প পরিচালক মো. ইউনুস ভূঁইয়া।

এদিকে মামলার এজাহার অনুযায়ী, কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়। প্রচলিত ক্রয়প্রক্রিয়া ও বিধিবিধান লঙ্ঘন করে একটি চীনা কোম্পানিকে কার্যাদেশ প্রদানে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেন তারিক আহমেদ সিদ্দিকীসহ অন্য আসামিরা। পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিয়ে স্থানীয় এজেন্ট অ্যারোনেস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের সঙ্গে যোগসাজশে প্রকল্প থেকে অন্তত ১৫০ কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।