ঢাকা , শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চট্টগ্রামে নওফেলের বাসভবনে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা, সিসিটিভিতে ৭ যুবক জিপিএস ব্যবহার ছাড়াই মার্কিন ঘাঁটিতে নিখুঁত হামলা চালান ইরানি পাইলটরা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবারকে নতুন ঘর দেবেন প্রধানমন্ত্রী মেয়েদের আপত্তিকর ছবি তুলে লন্ডনে বয়ফ্রেন্ডের কাছে পাঠাতেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ড. ইউনূসের চেয়ে ‘হাজারগুণ ভালো’ দেশ চালাচ্ছেন তারেক রহমান: কাদের সিদ্দিকী সকাল না হতেই মর্মান্তিক দুই দুর্ঘটনা, ঝরে গেল ১৫ প্রাণ মৃত্যুর পর যদি সন্তানেরা না করে, তাই জীবিত অবস্থায় নিজের চল্লিশার আয়োজন করলেন বৃদ্ধ অন্ধকারে মোজতবা খামেনির সঙ্গে বৈঠক, আসল মানুষ কিনা প্রশ্ন পেজেশকিয়ানের সিঙ্গারার লোভ দেখিয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের মিছিলে নিলেন যুবলীগ নেতা মসজিদের ইমামকে ওমরাহ উপহার, আবেগে ভাসল বিদায়ের মুহূর্ত

পুরো ইউক্রেনের দখল চান পুতিন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৪০:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫
  • ৭৪৩ বার পড়া হয়েছে

এবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এখন স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ইউক্রেনের সম্পূর্ণ ভূখণ্ডকে রাশিয়ার অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে চান তিনি। ২০২৫ সালের ২০ জুন সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে দেওয়া এক ভাষণে পুতিন বলেন, ‘আমি বহুবার বলেছি—রুশ ও ইউক্রেনীয়রা এক জাতি। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই বলছি, পুরো ইউক্রেনই আমাদের।’

এদিকে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, পুতিন আরও বলেন, ‘যেখানে রুশ সেনারা পা রাখে, সেই ভূখণ্ড রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত হয়। এটি কেবল একটি সামরিক কৌশল নয়, এটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ন্যায্যতার ভিত্তিতেই আমরা দেখি।’

পুতিনের এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ইউক্রেনীয় উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রিই সিবিহা তার জবাবে বলেন, ‘রুশ সেনারা যেখানে যায়, সেখানেই তারা সঙ্গে নিয়ে আসে মৃত্যু, ধ্বংস এবং বিভীষিকা।’ তিনি রাশিয়ার এই আগ্রাসনকে ২১ শতকের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হুমকি হিসেবে অভিহিত করেন।

এছাড়া ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় দাবি করেন, পুতিন এবার আর কোনো মুখোশ পরছেন না। তিনি শুধু ইউক্রেন নয়, বরং বেলারুশ, বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহ, মলদোভা, দক্ষিণ ককেশাস এবং এমনকি কাজাখস্তানের দিকেও নজর দিয়েছেন।

জেলেনস্কির এই মন্তব্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি ন্যাটো দেশগুলোকেও নতুন করে সতর্ক করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত জার্মানির সামরিক বাহিনীর একটি কৌশলগত প্রতিবেদনেও পুতিনের এই সম্প্রসারণবাদী মনোভাবকে ইউরোপীয় ভূখণ্ডের জন্য এক ‘অস্তিত্বগত হুমকি’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে, রাশিয়া ক্রমাগতভাবে ইউক্রেনের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে সেনা উপস্থিতি বাড়িয়ে যাচ্ছে এবং পশ্চিমা সহায়তা বন্ধ না হলে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে নওফেলের বাসভবনে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা, সিসিটিভিতে ৭ যুবক

পুরো ইউক্রেনের দখল চান পুতিন

আপডেট সময় ০৪:৪০:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

এবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এখন স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ইউক্রেনের সম্পূর্ণ ভূখণ্ডকে রাশিয়ার অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে চান তিনি। ২০২৫ সালের ২০ জুন সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে দেওয়া এক ভাষণে পুতিন বলেন, ‘আমি বহুবার বলেছি—রুশ ও ইউক্রেনীয়রা এক জাতি। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই বলছি, পুরো ইউক্রেনই আমাদের।’

এদিকে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, পুতিন আরও বলেন, ‘যেখানে রুশ সেনারা পা রাখে, সেই ভূখণ্ড রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত হয়। এটি কেবল একটি সামরিক কৌশল নয়, এটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ন্যায্যতার ভিত্তিতেই আমরা দেখি।’

পুতিনের এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ইউক্রেনীয় উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রিই সিবিহা তার জবাবে বলেন, ‘রুশ সেনারা যেখানে যায়, সেখানেই তারা সঙ্গে নিয়ে আসে মৃত্যু, ধ্বংস এবং বিভীষিকা।’ তিনি রাশিয়ার এই আগ্রাসনকে ২১ শতকের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হুমকি হিসেবে অভিহিত করেন।

এছাড়া ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় দাবি করেন, পুতিন এবার আর কোনো মুখোশ পরছেন না। তিনি শুধু ইউক্রেন নয়, বরং বেলারুশ, বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহ, মলদোভা, দক্ষিণ ককেশাস এবং এমনকি কাজাখস্তানের দিকেও নজর দিয়েছেন।

জেলেনস্কির এই মন্তব্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি ন্যাটো দেশগুলোকেও নতুন করে সতর্ক করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত জার্মানির সামরিক বাহিনীর একটি কৌশলগত প্রতিবেদনেও পুতিনের এই সম্প্রসারণবাদী মনোভাবকে ইউরোপীয় ভূখণ্ডের জন্য এক ‘অস্তিত্বগত হুমকি’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে, রাশিয়া ক্রমাগতভাবে ইউক্রেনের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে সেনা উপস্থিতি বাড়িয়ে যাচ্ছে এবং পশ্চিমা সহায়তা বন্ধ না হলে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।