ঢাকা , মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না’ বাসের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত পদ্মা সেতুর রেলিং মেরামতে খরচ হবে ২ লাখ টাকা সীমান্ত নিরাপত্তা বাড়াতে সিলেটে উদ্বোধন হলো ‘ড্রোন ওয়ারফেয়ার’ স্কুল ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগকে ফেরাতে লংমার্চের ঘোষণা দিয়েছে জামায়াত-এনসিপি: রাশেদ খাঁন ভারতের কাছে আরও পাঁচটি এস-৪০০ বেচতে চায় রাশিয়া মক্কা জোটে যাওয়ার আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ এখনও আসেনি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মেসির অবসরের পরই রোনালদোকে ‘সর্বকালের সেরা’ ঘোষণা নেপাল-চীনে ভয়াবহ বন্যায় মৃত্যু ছাড়াল ১ হাজার ইরানের বিরুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা, প্রশ্ন শুনে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগসহ ৯ দাবি জামায়াতের

পুরো ইউক্রেনের দখল চান পুতিন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৪০:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫
  • ৭৬৬ বার পড়া হয়েছে

এবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এখন স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ইউক্রেনের সম্পূর্ণ ভূখণ্ডকে রাশিয়ার অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে চান তিনি। ২০২৫ সালের ২০ জুন সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে দেওয়া এক ভাষণে পুতিন বলেন, ‘আমি বহুবার বলেছি—রুশ ও ইউক্রেনীয়রা এক জাতি। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই বলছি, পুরো ইউক্রেনই আমাদের।’

এদিকে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, পুতিন আরও বলেন, ‘যেখানে রুশ সেনারা পা রাখে, সেই ভূখণ্ড রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত হয়। এটি কেবল একটি সামরিক কৌশল নয়, এটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ন্যায্যতার ভিত্তিতেই আমরা দেখি।’

পুতিনের এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ইউক্রেনীয় উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রিই সিবিহা তার জবাবে বলেন, ‘রুশ সেনারা যেখানে যায়, সেখানেই তারা সঙ্গে নিয়ে আসে মৃত্যু, ধ্বংস এবং বিভীষিকা।’ তিনি রাশিয়ার এই আগ্রাসনকে ২১ শতকের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হুমকি হিসেবে অভিহিত করেন।

এছাড়া ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় দাবি করেন, পুতিন এবার আর কোনো মুখোশ পরছেন না। তিনি শুধু ইউক্রেন নয়, বরং বেলারুশ, বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহ, মলদোভা, দক্ষিণ ককেশাস এবং এমনকি কাজাখস্তানের দিকেও নজর দিয়েছেন।

জেলেনস্কির এই মন্তব্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি ন্যাটো দেশগুলোকেও নতুন করে সতর্ক করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত জার্মানির সামরিক বাহিনীর একটি কৌশলগত প্রতিবেদনেও পুতিনের এই সম্প্রসারণবাদী মনোভাবকে ইউরোপীয় ভূখণ্ডের জন্য এক ‘অস্তিত্বগত হুমকি’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে, রাশিয়া ক্রমাগতভাবে ইউক্রেনের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে সেনা উপস্থিতি বাড়িয়ে যাচ্ছে এবং পশ্চিমা সহায়তা বন্ধ না হলে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না’

পুরো ইউক্রেনের দখল চান পুতিন

আপডেট সময় ০৪:৪০:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

এবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এখন স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ইউক্রেনের সম্পূর্ণ ভূখণ্ডকে রাশিয়ার অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে চান তিনি। ২০২৫ সালের ২০ জুন সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে দেওয়া এক ভাষণে পুতিন বলেন, ‘আমি বহুবার বলেছি—রুশ ও ইউক্রেনীয়রা এক জাতি। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই বলছি, পুরো ইউক্রেনই আমাদের।’

এদিকে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, পুতিন আরও বলেন, ‘যেখানে রুশ সেনারা পা রাখে, সেই ভূখণ্ড রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত হয়। এটি কেবল একটি সামরিক কৌশল নয়, এটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ন্যায্যতার ভিত্তিতেই আমরা দেখি।’

পুতিনের এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ইউক্রেনীয় উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রিই সিবিহা তার জবাবে বলেন, ‘রুশ সেনারা যেখানে যায়, সেখানেই তারা সঙ্গে নিয়ে আসে মৃত্যু, ধ্বংস এবং বিভীষিকা।’ তিনি রাশিয়ার এই আগ্রাসনকে ২১ শতকের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হুমকি হিসেবে অভিহিত করেন।

এছাড়া ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় দাবি করেন, পুতিন এবার আর কোনো মুখোশ পরছেন না। তিনি শুধু ইউক্রেন নয়, বরং বেলারুশ, বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহ, মলদোভা, দক্ষিণ ককেশাস এবং এমনকি কাজাখস্তানের দিকেও নজর দিয়েছেন।

জেলেনস্কির এই মন্তব্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি ন্যাটো দেশগুলোকেও নতুন করে সতর্ক করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত জার্মানির সামরিক বাহিনীর একটি কৌশলগত প্রতিবেদনেও পুতিনের এই সম্প্রসারণবাদী মনোভাবকে ইউরোপীয় ভূখণ্ডের জন্য এক ‘অস্তিত্বগত হুমকি’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে, রাশিয়া ক্রমাগতভাবে ইউক্রেনের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে সেনা উপস্থিতি বাড়িয়ে যাচ্ছে এবং পশ্চিমা সহায়তা বন্ধ না হলে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।