ঢাকা , শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জাতিসংঘের প্রতিবেদন, ভারতে বাংলাভাষী মুসলিম, দলিত ও রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বাড়ার তথ্য, দিল্লির প্রতিবাদ আগে বিদ্যুতের জন্য ফোন চার্জ ‍দিতে পারতাম না: নয়ন এক মুসলিম দেশের ওপর হামলায় অন্য দেশের ভূমি ব্যবহার নয়: পেজেশকিয়ান জাতীয় চার নেতার মুরালকে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ আখ্যা দিয়ে অপসারণ করলেন ইউএনও গ্রামে সরবরাহ বাড়াতেই রাজধানীতে লোডশেডিং নেপালে বন্যা-ভূমিধস: অপুদের দেশে ফেরার প্রস্তুতি, আটকে আছেন তাসরিফ রাজধানীতে মিছিলের চেষ্টা, স্বেচ্ছাসেবক লীগের একজন আটক পুলিশের ধাওয়া খেয়ে মাইক্রোবাস পুকুরে, ভেসে উঠল ৯ বস্তা ভারতীয় গাঁজা ৬ বছর ধরে বিধবার ভাতা তুলছেন ইউপি সদস্য বিদেশি উদ্ধারকারী দল পাঠানোর পরিবর্তে অর্থ সহায়তা চায় নেপাল

জাতীয় চার নেতার মুরালকে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ আখ্যা দিয়ে অপসারণ করলেন ইউএনও

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জের মাধবপুরে ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ সংলগ্ন জগদীশপুরের মুক্তিযোদ্ধা চত্বর থেকে জাতীয় চার নেতা—সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানের ছবি অপসারণের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অনুদানে নির্মিত মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে জাতীয় চার নেতার মুরালাকৃতির ছবি স্থাপন করা ছিল। তবে প্রায় এক মাস আগে মাধবপুরের তৎকালীন ইউএনও জাহিদ বিন কাসেমের নির্দেশে ছবিগুলোকে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ আখ্যা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর ক্ষোভ তৈরি হলেও ইউএনও বদলি হওয়ার পর প্রকাশ্যে প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা। একই সঙ্গে অপসারণ করা ছবিগুলো পুনরায় স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতারা।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস শহীদ বলেন, কোনো যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে জাতীয় চার নেতার ছবি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন তিনি।

এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রতিবাদ জানিয়েছেন মাধবপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. অলিদ মিয়া। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘ছবিগুলো কি খুব সমস্যা করছিল এই সরকারকে?’

স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় জাতীয় চার নেতার গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ঐতিহাসিক নেতাদের যথাযথ সম্মান দেওয়া উচিত। তাদের ছবি সরিয়ে ফেলার মতো সংস্কৃতি চালু হলে ভবিষ্যতে সবাই এর শিকার হতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ বিষয়ে মাধবপুরের বর্তমান ইউএনও মেহেদী হাসানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘের প্রতিবেদন, ভারতে বাংলাভাষী মুসলিম, দলিত ও রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বাড়ার তথ্য, দিল্লির প্রতিবাদ

জাতীয় চার নেতার মুরালকে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ আখ্যা দিয়ে অপসারণ করলেন ইউএনও

আপডেট সময় ০৫:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

হবিগঞ্জের মাধবপুরে ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ সংলগ্ন জগদীশপুরের মুক্তিযোদ্ধা চত্বর থেকে জাতীয় চার নেতা—সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানের ছবি অপসারণের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অনুদানে নির্মিত মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে জাতীয় চার নেতার মুরালাকৃতির ছবি স্থাপন করা ছিল। তবে প্রায় এক মাস আগে মাধবপুরের তৎকালীন ইউএনও জাহিদ বিন কাসেমের নির্দেশে ছবিগুলোকে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ আখ্যা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর ক্ষোভ তৈরি হলেও ইউএনও বদলি হওয়ার পর প্রকাশ্যে প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা। একই সঙ্গে অপসারণ করা ছবিগুলো পুনরায় স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতারা।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস শহীদ বলেন, কোনো যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে জাতীয় চার নেতার ছবি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন তিনি।

এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রতিবাদ জানিয়েছেন মাধবপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. অলিদ মিয়া। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘ছবিগুলো কি খুব সমস্যা করছিল এই সরকারকে?’

স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় জাতীয় চার নেতার গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ঐতিহাসিক নেতাদের যথাযথ সম্মান দেওয়া উচিত। তাদের ছবি সরিয়ে ফেলার মতো সংস্কৃতি চালু হলে ভবিষ্যতে সবাই এর শিকার হতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ বিষয়ে মাধবপুরের বর্তমান ইউএনও মেহেদী হাসানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।