ঢাকা , শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দিল্লিকে ৪ শর্ত দেওয়ার চিন্তা করছে ঢাকা বিরোধী দলের আন্দোলন দেশের জন্য ক্ষতি: পানিসম্পদ মন্ত্রী জাতিসংঘের প্রতিবেদন, ভারতে বাংলাভাষী মুসলিম, দলিত ও রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বাড়ার তথ্য, দিল্লির প্রতিবাদ আগে বিদ্যুতের জন্য ফোন চার্জ ‍দিতে পারতাম না: নয়ন এক মুসলিম দেশের ওপর হামলায় অন্য দেশের ভূমি ব্যবহার নয়: পেজেশকিয়ান জাতীয় চার নেতার মুরালকে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ আখ্যা দিয়ে অপসারণ করলেন ইউএনও গ্রামে সরবরাহ বাড়াতেই রাজধানীতে লোডশেডিং নেপালে বন্যা-ভূমিধস: অপুদের দেশে ফেরার প্রস্তুতি, আটকে আছেন তাসরিফ রাজধানীতে মিছিলের চেষ্টা, স্বেচ্ছাসেবক লীগের একজন আটক পুলিশের ধাওয়া খেয়ে মাইক্রোবাস পুকুরে, ভেসে উঠল ৯ বস্তা ভারতীয় গাঁজা

গ্রামে সরবরাহ বাড়াতেই রাজধানীতে লোডশেডিং

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:২৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

গ্রামের গ্রাহকদের অতিরিক্ত ভোগান্তি ও জনঅসন্তোষ কমাতে ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে লোডশেডিং ভাগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর ফলে গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীতেও বেড়েছে লোডশেডিং। বর্তমানে ঢাকা জোনে সর্বোচ্চ ৬০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। এলাকাভেদে দিনে ও রাতে দুই থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে গ্রাহকদের।

গত ১০ আগস্ট দেশের ইতিহাসে রেকর্ড ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছিল। এছাড়া গরমের সময় নিয়মিত দুই হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হয়েছে। যার বড় অংশের চাপ পড়েছে গ্রামের গ্রাহকদের ওপর। কোনো কোনো এলাকায় ১০ থেকে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন থাকতে হয়েছে তাদের।

এতে ক্ষোভ বাড়তে থাকে গ্রামাঞ্চলে। বিভিন্ন এলাকায় পল্লী বিদ্যুৎকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয় দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

এরপরই লোডশেডিংয়ের চাপ সব বিতরণ সংস্থার মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। গত প্রায় ১৫ দিন ধরে ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতেও নির্ধারিত হারে লোডশেডিং হচ্ছে।

বর্তমানে সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা সাড়ে ১৪ হাজার থেকে সাড়ে ১৭ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে। এর বিপরীতে এখনো দুই হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে।

বুধবার ঢাকা জোনে সর্বোচ্চ সাড়ে ৬ হাজার মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে লোডশেডিং হয়েছে ৫০০ থেকে ৬০০ মেগাওয়াট।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের দাবি, এখন লোডশেডিং সব বিতরণ সংস্থার মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হচ্ছে। ফলে গ্রামাঞ্চলে আগের তুলনায় বিদ্যুৎ সংকটের ভোগান্তি কিছুটা কমেছে। তবে এর বিপরীতে রাজধানীর গ্রাহকদের এখন নিয়মিত লোডশেডিংয়ের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দিল্লিকে ৪ শর্ত দেওয়ার চিন্তা করছে ঢাকা

গ্রামে সরবরাহ বাড়াতেই রাজধানীতে লোডশেডিং

আপডেট সময় ০৫:২৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

গ্রামের গ্রাহকদের অতিরিক্ত ভোগান্তি ও জনঅসন্তোষ কমাতে ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে লোডশেডিং ভাগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর ফলে গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীতেও বেড়েছে লোডশেডিং। বর্তমানে ঢাকা জোনে সর্বোচ্চ ৬০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। এলাকাভেদে দিনে ও রাতে দুই থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে গ্রাহকদের।

গত ১০ আগস্ট দেশের ইতিহাসে রেকর্ড ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছিল। এছাড়া গরমের সময় নিয়মিত দুই হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হয়েছে। যার বড় অংশের চাপ পড়েছে গ্রামের গ্রাহকদের ওপর। কোনো কোনো এলাকায় ১০ থেকে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন থাকতে হয়েছে তাদের।

এতে ক্ষোভ বাড়তে থাকে গ্রামাঞ্চলে। বিভিন্ন এলাকায় পল্লী বিদ্যুৎকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয় দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

এরপরই লোডশেডিংয়ের চাপ সব বিতরণ সংস্থার মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। গত প্রায় ১৫ দিন ধরে ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতেও নির্ধারিত হারে লোডশেডিং হচ্ছে।

বর্তমানে সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা সাড়ে ১৪ হাজার থেকে সাড়ে ১৭ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে। এর বিপরীতে এখনো দুই হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে।

বুধবার ঢাকা জোনে সর্বোচ্চ সাড়ে ৬ হাজার মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে লোডশেডিং হয়েছে ৫০০ থেকে ৬০০ মেগাওয়াট।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের দাবি, এখন লোডশেডিং সব বিতরণ সংস্থার মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হচ্ছে। ফলে গ্রামাঞ্চলে আগের তুলনায় বিদ্যুৎ সংকটের ভোগান্তি কিছুটা কমেছে। তবে এর বিপরীতে রাজধানীর গ্রাহকদের এখন নিয়মিত লোডশেডিংয়ের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।