ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। সংগঠনটি বলেছে, দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ও স্বাধিকার আন্দোলনের সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে “কোচিং সেন্টার” ও “চা-চপ-সিগারেট বিশ্ববিদ্যালয়” ধরনের মন্তব্য শুধু দায়িত্বজ্ঞানহীনই নয়, বরং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গবেষক সমাজের প্রতি চরম অবমাননা।
এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের ঢাবি শাখার সভাপতি ও ডাকসু এজিএস মুহা. মহিউদ্দিন খান এবং সেক্রেটারি কাজী আশিক বলেন, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে “প্লেজারাইজড” বলে অবজ্ঞা করে দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। তারা অভিযোগ করেন, যারা দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে দলীয় রাজনীতির চারণভূমিতে পরিণত করেছে, তারাই এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সীমিত বাজেট, আবাসন সংকট ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষকরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে চলেছেন। স্ট্যানফোর্ড ও এলসেভিয়ারের বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় ঢাবির শিক্ষকদের উপস্থিতি প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যকে “বিদ্বেষপ্রসূত ও বাস্তবতাবিবর্জিত” হিসেবে প্রমাণ করে বলেও দাবি করে সংগঠনটি।
নেতৃবৃন্দ বলেন, অধিকাংশ শিক্ষার্থী নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসে সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও নিজেদের মেধা ও শ্রম দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছে। অথচ সরকার শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়ে এখন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের হেয় করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
ছাত্রশিবির অবিলম্বে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























