ঢাকা , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রেসিডেন্সি ‘বিপজ্জনক পেশা’, জানলে নির্বাচন করতাম না: ট্রাম্প শিক্ষার্থীরা ভাইরাল হতে চায়: শিক্ষামন্ত্রী ক্ষমতার অপব্যবহার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: আইজিপি তারেক রহমানের আমন্ত্রণে বাংলাদেশে এসেছিলেন বিল গেটস: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হোটেলের অতিথি সেজে ট্রাম্পকে হত্যার অপেক্ষায় ছিলেন শিক্ষক অ্যালেন আম্মারের অশ্লীলতা কি পারিবারিক ঐতিহ্য?: প্রশ্ন ছাত্রদল নেত্রীর ট্রাম্প প্রশাসনকে উপেক্ষা করে মাদুরোর পক্ষে রায় দিল নিউইয়র্ক আদালত মারা গেলেন সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার মিলন গত ১৭ বছর কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে কোনও কাজ হয়নি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সব তাস যুক্তরাষ্ট্রের হাতেই, ইরান কথা বলতে চাইলে শুধু ‘ফোন’ করলেই হবে: ট্রাম্প

মুক্তিযোদ্ধাকে যারা জুতার মালা পরায়, তাদের পরিণতিও একই হবে: কাদের সিদ্দিকী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২০:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫
  • ৩৪৭ বার পড়া হয়েছে

এবার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বক্ষেত্রে সম্মানিত করতে হবে জানিয়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, ‘আজ যারা মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় জুতার মালা পরায়, তাদেরও একই পরিণতি বরণ করতে হবে।’

গতকাল শনিবার (২৮ জুন) বিকালে টাঙ্গাইল শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে কাদেরিয়া বাহিনীর প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু মোহাম্মদ এনায়েত করিমের স্মরণসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধকে যারা গন্ডগোলের বছর বলেন, হানাদার বাহিনীকে যারা পাকবাহিনী বলেন, এগুলো গ্রহণযোগ্য নয়। মুক্তিযোদ্ধাদের অমুক্তিযোদ্ধা বা ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বলার সুযোগ নেই। যত দিন মুক্তিযোদ্ধারা বেঁচে থাকবেন, তাদের সম্মান করতে হবে। তাদের সম্মানী লাখ টাকা হতে পারে।’

কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, ‌‘মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ছেলেখেলা মেনে নেওয়া হবে না। আর কোনও যাচাই-বাছাই মেনে নেওয়া হবে না। যারা যাচাই-বাছাই করবে, তাদের বয়স কত? আজ যারা মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় জুতার মালা পরায়, তাদেরও একই পরিণতি বরণ করতে হবে। আমার শুরু করা উচিত ছিল জয়বাংলা বলে। আমি শুরু করলাম জয়বাংলা বলে। জয়বাংলা দেশের স্লোগান, মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান। আওয়ামী লীগ ভুল করেছে, দলীয় রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছে। জয়বাংলা বাংলাদেশের স্লোগান। আমরা সর্বক্ষেত্রে জয়বাংলা বলবো, জয় বঙ্গবন্ধু বলবো। বাংলাদেশ আর বঙ্গবন্ধু কখনও বিচ্ছিন্ন নয়, বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের কথা ভাবা যায় না।’

আমরা মানুষকে মূল্যায়ন করতে শিখিনি, টাঙ্গাইলবাসীও টাঙ্গাইলবাসীকে মূল্যায়ন করতে শেখেনি উল্লেখ করে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বলেন, ‘মাওলানা ভাসানী, শামছুল হক, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, আবদুল মান্নান, শাহজাহান সিরাজের মতো আরও অনেককে ভুলতে বসেছি। লতিফ সিদ্দিকী আর কাদের সিদ্দিকীর পর টাঙ্গাইলের পরিচয় দেওয়ার আর কেউ থাকবে না।’

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমান কেউ কখনও কাউকে অসম্মান করেননি। আর আমরা তাদের অসম্মান করে কথা বলি। শেখ হাসিনা কাউকে মানুষ মনে করতেন না, সম্মান করতেন না। তাই তাকে এই পরিণতি ভোগ করতে হচ্ছে। আমরা যদি মানুষকে যার যার অবস্থান থেকে মূল্যায়ন না করি, সম্মান না করি, তাহলে একই পরিণতি হবে।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেসিডেন্সি ‘বিপজ্জনক পেশা’, জানলে নির্বাচন করতাম না: ট্রাম্প

মুক্তিযোদ্ধাকে যারা জুতার মালা পরায়, তাদের পরিণতিও একই হবে: কাদের সিদ্দিকী

আপডেট সময় ১০:২০:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

এবার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বক্ষেত্রে সম্মানিত করতে হবে জানিয়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, ‘আজ যারা মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় জুতার মালা পরায়, তাদেরও একই পরিণতি বরণ করতে হবে।’

গতকাল শনিবার (২৮ জুন) বিকালে টাঙ্গাইল শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে কাদেরিয়া বাহিনীর প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু মোহাম্মদ এনায়েত করিমের স্মরণসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধকে যারা গন্ডগোলের বছর বলেন, হানাদার বাহিনীকে যারা পাকবাহিনী বলেন, এগুলো গ্রহণযোগ্য নয়। মুক্তিযোদ্ধাদের অমুক্তিযোদ্ধা বা ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বলার সুযোগ নেই। যত দিন মুক্তিযোদ্ধারা বেঁচে থাকবেন, তাদের সম্মান করতে হবে। তাদের সম্মানী লাখ টাকা হতে পারে।’

কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, ‌‘মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ছেলেখেলা মেনে নেওয়া হবে না। আর কোনও যাচাই-বাছাই মেনে নেওয়া হবে না। যারা যাচাই-বাছাই করবে, তাদের বয়স কত? আজ যারা মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় জুতার মালা পরায়, তাদেরও একই পরিণতি বরণ করতে হবে। আমার শুরু করা উচিত ছিল জয়বাংলা বলে। আমি শুরু করলাম জয়বাংলা বলে। জয়বাংলা দেশের স্লোগান, মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান। আওয়ামী লীগ ভুল করেছে, দলীয় রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছে। জয়বাংলা বাংলাদেশের স্লোগান। আমরা সর্বক্ষেত্রে জয়বাংলা বলবো, জয় বঙ্গবন্ধু বলবো। বাংলাদেশ আর বঙ্গবন্ধু কখনও বিচ্ছিন্ন নয়, বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের কথা ভাবা যায় না।’

আমরা মানুষকে মূল্যায়ন করতে শিখিনি, টাঙ্গাইলবাসীও টাঙ্গাইলবাসীকে মূল্যায়ন করতে শেখেনি উল্লেখ করে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বলেন, ‘মাওলানা ভাসানী, শামছুল হক, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, আবদুল মান্নান, শাহজাহান সিরাজের মতো আরও অনেককে ভুলতে বসেছি। লতিফ সিদ্দিকী আর কাদের সিদ্দিকীর পর টাঙ্গাইলের পরিচয় দেওয়ার আর কেউ থাকবে না।’

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমান কেউ কখনও কাউকে অসম্মান করেননি। আর আমরা তাদের অসম্মান করে কথা বলি। শেখ হাসিনা কাউকে মানুষ মনে করতেন না, সম্মান করতেন না। তাই তাকে এই পরিণতি ভোগ করতে হচ্ছে। আমরা যদি মানুষকে যার যার অবস্থান থেকে মূল্যায়ন না করি, সম্মান না করি, তাহলে একই পরিণতি হবে।’