ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নতুন সরকার আসার পরেও ঘুস খাওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে: হাসনাত আবদুল্লাহ কর্মকর্তার টেবিলে জীবন্ত কুকুর ছেড়ে অভিনব প্রতিবাদ! নাসিকে তুমুল শোরগোল স্ত্রীসহ আসিফ মাহমুদের দেশ-বিদেশের সম্পদের তথ্য চাইল দুদক লংমার্চে বাধা দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল না করার আহ্বান জামায়াত সেক্রেটারির কুকুরের উৎপাত নিয়ে ৬ মাসেও ব্যবস্থা নেই, কর্মকর্তার টেবিলে কুকুর ছেড়ে প্রতিবাদ ব্যক্তি মালিকানার গাছ কাটতেও লাগবে সরকারি অনুমোদন, অমান্য করলেই মামলা ভারতের স্বাদহীন ইলিশকে ‘দেশি’ বলে বিক্রি করায় আড়তদারকে জরিমানা ‘আপনারা বেশি দিন ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না’, শ্রমিক দল নেতার মরদেহ উদ্ধার ব্রিকসের পর একাধিক বিশ্বনেতা অসুস্থ হওয়ার খবর নিয়ে যা বলছে ভারত চলতি মাসেই শেখ হাসিনার দেশে আসা উচিত, পুলিশ কিছুই করতে পারবে না: মন্তব্য ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

মুক্তিযোদ্ধাকে যারা জুতার মালা পরায়, তাদের পরিণতিও একই হবে: কাদের সিদ্দিকী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২০:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫
  • ৪২৩ বার পড়া হয়েছে

এবার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বক্ষেত্রে সম্মানিত করতে হবে জানিয়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, ‘আজ যারা মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় জুতার মালা পরায়, তাদেরও একই পরিণতি বরণ করতে হবে।’

গতকাল শনিবার (২৮ জুন) বিকালে টাঙ্গাইল শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে কাদেরিয়া বাহিনীর প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু মোহাম্মদ এনায়েত করিমের স্মরণসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধকে যারা গন্ডগোলের বছর বলেন, হানাদার বাহিনীকে যারা পাকবাহিনী বলেন, এগুলো গ্রহণযোগ্য নয়। মুক্তিযোদ্ধাদের অমুক্তিযোদ্ধা বা ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বলার সুযোগ নেই। যত দিন মুক্তিযোদ্ধারা বেঁচে থাকবেন, তাদের সম্মান করতে হবে। তাদের সম্মানী লাখ টাকা হতে পারে।’

কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, ‌‘মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ছেলেখেলা মেনে নেওয়া হবে না। আর কোনও যাচাই-বাছাই মেনে নেওয়া হবে না। যারা যাচাই-বাছাই করবে, তাদের বয়স কত? আজ যারা মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় জুতার মালা পরায়, তাদেরও একই পরিণতি বরণ করতে হবে। আমার শুরু করা উচিত ছিল জয়বাংলা বলে। আমি শুরু করলাম জয়বাংলা বলে। জয়বাংলা দেশের স্লোগান, মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান। আওয়ামী লীগ ভুল করেছে, দলীয় রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছে। জয়বাংলা বাংলাদেশের স্লোগান। আমরা সর্বক্ষেত্রে জয়বাংলা বলবো, জয় বঙ্গবন্ধু বলবো। বাংলাদেশ আর বঙ্গবন্ধু কখনও বিচ্ছিন্ন নয়, বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের কথা ভাবা যায় না।’

আমরা মানুষকে মূল্যায়ন করতে শিখিনি, টাঙ্গাইলবাসীও টাঙ্গাইলবাসীকে মূল্যায়ন করতে শেখেনি উল্লেখ করে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বলেন, ‘মাওলানা ভাসানী, শামছুল হক, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, আবদুল মান্নান, শাহজাহান সিরাজের মতো আরও অনেককে ভুলতে বসেছি। লতিফ সিদ্দিকী আর কাদের সিদ্দিকীর পর টাঙ্গাইলের পরিচয় দেওয়ার আর কেউ থাকবে না।’

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমান কেউ কখনও কাউকে অসম্মান করেননি। আর আমরা তাদের অসম্মান করে কথা বলি। শেখ হাসিনা কাউকে মানুষ মনে করতেন না, সম্মান করতেন না। তাই তাকে এই পরিণতি ভোগ করতে হচ্ছে। আমরা যদি মানুষকে যার যার অবস্থান থেকে মূল্যায়ন না করি, সম্মান না করি, তাহলে একই পরিণতি হবে।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন সরকার আসার পরেও ঘুস খাওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

মুক্তিযোদ্ধাকে যারা জুতার মালা পরায়, তাদের পরিণতিও একই হবে: কাদের সিদ্দিকী

আপডেট সময় ১০:২০:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

এবার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বক্ষেত্রে সম্মানিত করতে হবে জানিয়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, ‘আজ যারা মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় জুতার মালা পরায়, তাদেরও একই পরিণতি বরণ করতে হবে।’

গতকাল শনিবার (২৮ জুন) বিকালে টাঙ্গাইল শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে কাদেরিয়া বাহিনীর প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু মোহাম্মদ এনায়েত করিমের স্মরণসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধকে যারা গন্ডগোলের বছর বলেন, হানাদার বাহিনীকে যারা পাকবাহিনী বলেন, এগুলো গ্রহণযোগ্য নয়। মুক্তিযোদ্ধাদের অমুক্তিযোদ্ধা বা ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বলার সুযোগ নেই। যত দিন মুক্তিযোদ্ধারা বেঁচে থাকবেন, তাদের সম্মান করতে হবে। তাদের সম্মানী লাখ টাকা হতে পারে।’

কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, ‌‘মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ছেলেখেলা মেনে নেওয়া হবে না। আর কোনও যাচাই-বাছাই মেনে নেওয়া হবে না। যারা যাচাই-বাছাই করবে, তাদের বয়স কত? আজ যারা মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় জুতার মালা পরায়, তাদেরও একই পরিণতি বরণ করতে হবে। আমার শুরু করা উচিত ছিল জয়বাংলা বলে। আমি শুরু করলাম জয়বাংলা বলে। জয়বাংলা দেশের স্লোগান, মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান। আওয়ামী লীগ ভুল করেছে, দলীয় রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছে। জয়বাংলা বাংলাদেশের স্লোগান। আমরা সর্বক্ষেত্রে জয়বাংলা বলবো, জয় বঙ্গবন্ধু বলবো। বাংলাদেশ আর বঙ্গবন্ধু কখনও বিচ্ছিন্ন নয়, বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের কথা ভাবা যায় না।’

আমরা মানুষকে মূল্যায়ন করতে শিখিনি, টাঙ্গাইলবাসীও টাঙ্গাইলবাসীকে মূল্যায়ন করতে শেখেনি উল্লেখ করে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বলেন, ‘মাওলানা ভাসানী, শামছুল হক, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, আবদুল মান্নান, শাহজাহান সিরাজের মতো আরও অনেককে ভুলতে বসেছি। লতিফ সিদ্দিকী আর কাদের সিদ্দিকীর পর টাঙ্গাইলের পরিচয় দেওয়ার আর কেউ থাকবে না।’

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমান কেউ কখনও কাউকে অসম্মান করেননি। আর আমরা তাদের অসম্মান করে কথা বলি। শেখ হাসিনা কাউকে মানুষ মনে করতেন না, সম্মান করতেন না। তাই তাকে এই পরিণতি ভোগ করতে হচ্ছে। আমরা যদি মানুষকে যার যার অবস্থান থেকে মূল্যায়ন না করি, সম্মান না করি, তাহলে একই পরিণতি হবে।’