ঢাকা , শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইউক্রেন যুদ্ধে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবছেন পুতিন ভেনেজুয়েলার মজুদ ৬৫০০ কোটি ব্যারেল তেলের নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র আজাদ কাশ্মীরের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইফতিখার গিলানি এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণে রেকর্ডসংখ্যক আবেদন নেপালের বন্যায় ভারতের জন্যও বড় সতর্কবার্তা ইউক্রেন যুদ্ধে প্রতি মাসে ৬ হাজার সেনা হারাচ্ছে রাশিয়া এবার অর্থনৈতিক সংকট সমাধানে মার্কিন ডলার বর্জনের ডাক দিলেন মোজতবা খামেনি সংসদে হাসনাতের বক্তব্য ঘিরে মধ্যরাতে উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া, এনসিপির কর্মসূচি প্রতিহতের ঘোষণা যুদ্ধে ‘শেষ উপায়’ হিসেবে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবছেন পুতিন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশে ফিরলেন টাইগাররা

যুদ্ধে ‘শেষ উপায়’ হিসেবে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবছেন পুতিন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৫:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ইউক্রেন যুদ্ধেশেষ উপায়হিসেবে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ক্রেমলিনের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ এ তথ্য জানিয়েছে। খবর এনডিটিভির। কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র হলো স্বল্পপাল্লার পরমাণু অস্ত্র, যা পুরো শহর বা দেশ ধ্বংসের বদলে যুদ্ধক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে ব্যবহারের জন্য তৈরি। এটি কৌশলগত অস্ত্রের চেয়ে আকারে ছোট হলেও এর সক্ষমতা অত্যন্ত ব্যাপক এবং বিশাল এলাকা পরমাণু বিকিরণে দূষিত করতে সক্ষম।

তবে পুতিনকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার না করার বিষয়ে সতর্ক করেছে চীন ও ভারত। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ইউরোপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, ইউক্রেনে কোনও অবস্থাতেই কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা না ভাবতে মস্কোকে কড়া বার্তা দিয়েছে বেইজিং। আপাতত কিয়েভসহ অন্যান্য শহরের অবকাঠামোগত লক্ষ্যবস্তুতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা করছে রাশিয়া। অন্যদিকে, রাশিয়ার অর্থনীতিকে অচল করে দিতে তাদের ভূখণ্ডের আরও গভীরে দীর্ঘপাল্লার ড্রোন হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে ইউক্রেন। তেল শোধনাগারের পাশাপাশি বড় বড় ইকমার্স প্রতিষ্ঠানের গুদামগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে তারা।

যেহেতু ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো থেকে অস্ত্র ও গোয়েন্দা তথ্য নিয়ে ইউক্রেন রাশিয়ায় হামলা চালাচ্ছে, তাই মস্কো এখন ইউক্রেনীয় এসব হামলাকে ন্যাটো সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সরাসরি আক্রমণ হিসেবেই দেখছে। রাশিয়ার অর্থনীতিতে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার প্রভাবকে পাত্তা না দিয়ে সম্প্রতি পুতিন বলেছেন, ইউক্রেন নিজেই এইপ্যান্ডোরাস বক্স’ (বিপদের পথ) খুলেছে। একই সঙ্গে তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাতগুলোতেপাল্টা আঘাতের জন্য প্রস্তুত থাকারহুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

আরেক মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ন্যাটো জোটের কোনও সদস্যরাষ্ট্রে হামলা না চালাতে রাশিয়াকে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই সতর্কবার্তা দিতে চলতি সপ্তাহে মস্কো সফর করেছেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী আগামী বছরগুলোতে ন্যাটো জোটের কোনও সদস্যদেশের বিরুদ্ধে সীমিত সামরিক অভিযান চালিয়ে তাদের প্রতিক্রিয়া যাচাই করতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এসব প্রতিবেদন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে মস্কো। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘অনেক ভীতিকর গল্প প্রচার করা হচ্ছে। বাস্তবতার সঙ্গে এগুলোর কোনও সম্পর্ক নেই।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউক্রেন যুদ্ধে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবছেন পুতিন

যুদ্ধে ‘শেষ উপায়’ হিসেবে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবছেন পুতিন

আপডেট সময় ১০:৪৫:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

এবার ইউক্রেন যুদ্ধেশেষ উপায়হিসেবে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ক্রেমলিনের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ এ তথ্য জানিয়েছে। খবর এনডিটিভির। কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র হলো স্বল্পপাল্লার পরমাণু অস্ত্র, যা পুরো শহর বা দেশ ধ্বংসের বদলে যুদ্ধক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে ব্যবহারের জন্য তৈরি। এটি কৌশলগত অস্ত্রের চেয়ে আকারে ছোট হলেও এর সক্ষমতা অত্যন্ত ব্যাপক এবং বিশাল এলাকা পরমাণু বিকিরণে দূষিত করতে সক্ষম।

তবে পুতিনকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার না করার বিষয়ে সতর্ক করেছে চীন ও ভারত। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ইউরোপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, ইউক্রেনে কোনও অবস্থাতেই কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা না ভাবতে মস্কোকে কড়া বার্তা দিয়েছে বেইজিং। আপাতত কিয়েভসহ অন্যান্য শহরের অবকাঠামোগত লক্ষ্যবস্তুতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা করছে রাশিয়া। অন্যদিকে, রাশিয়ার অর্থনীতিকে অচল করে দিতে তাদের ভূখণ্ডের আরও গভীরে দীর্ঘপাল্লার ড্রোন হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে ইউক্রেন। তেল শোধনাগারের পাশাপাশি বড় বড় ইকমার্স প্রতিষ্ঠানের গুদামগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে তারা।

যেহেতু ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো থেকে অস্ত্র ও গোয়েন্দা তথ্য নিয়ে ইউক্রেন রাশিয়ায় হামলা চালাচ্ছে, তাই মস্কো এখন ইউক্রেনীয় এসব হামলাকে ন্যাটো সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সরাসরি আক্রমণ হিসেবেই দেখছে। রাশিয়ার অর্থনীতিতে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার প্রভাবকে পাত্তা না দিয়ে সম্প্রতি পুতিন বলেছেন, ইউক্রেন নিজেই এইপ্যান্ডোরাস বক্স’ (বিপদের পথ) খুলেছে। একই সঙ্গে তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাতগুলোতেপাল্টা আঘাতের জন্য প্রস্তুত থাকারহুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

আরেক মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ন্যাটো জোটের কোনও সদস্যরাষ্ট্রে হামলা না চালাতে রাশিয়াকে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই সতর্কবার্তা দিতে চলতি সপ্তাহে মস্কো সফর করেছেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী আগামী বছরগুলোতে ন্যাটো জোটের কোনও সদস্যদেশের বিরুদ্ধে সীমিত সামরিক অভিযান চালিয়ে তাদের প্রতিক্রিয়া যাচাই করতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এসব প্রতিবেদন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে মস্কো। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘অনেক ভীতিকর গল্প প্রচার করা হচ্ছে। বাস্তবতার সঙ্গে এগুলোর কোনও সম্পর্ক নেই।