ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাংলাদেশ পেরিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও আলোচিত ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রাশিয়ার কাছে হস্তান্তর করতে চায় ইরান ডোনাল্ড লুর চাপে সরানো হয়েছিল ইমরান খানকে, গোপন তথ‍্য ফাঁস মোটরসাইকেল মালিকদের থেকে যেভাবে অগ্রিম আয়কর আদায় করা হবে সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে না পারলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পশ্চিমবঙ্গ কোরবানি বন্ধের চেষ্টা হলে লাখো মানুষ নিয়ে প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি: হুমায়ুন কবির শেখ হাসিনার প্রতি আমাদের ইনসাফ থাকবে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা এবারের হজে খুতবা অনুবাদ করা হবে বাংলাসহ ৫০টি ভাষায় হাম পরিস্থিতি শিখিয়েছে, আজকের দায়িত্বহীনতা ভবিষ্যতের সংকট: তথ্যমন্ত্রী ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর: অর্থমন্ত্রী

নির্বাচনের পর বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরো জোরদার করবে পাকিস্তান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৬৯ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকার সঙ্গে সক্রিয় যোগাযোগ বাড়াতে আগ্রহী ইসলামাবাদ। এমন মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। গত শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) ইসলামাবাদে বছরের সমাপ্ত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সফর নিয়ে এক বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

ইসহাক দার চলতি বছরের আগস্টে বাংলাদেশ সফর করেছিলেন, যা ১৩ বছরের মধ্যে প্রথম পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর ছিল। সর্বশেষ ২০১২ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রব্বানী খার বাংলাদেশ সফর করেছিলেন।এই সফরকে আন্তঃদ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন করে পুনরুজ্জীবিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হয়, বিশেষত সেই সময়ে যখন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গত বছরকার রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর নতুন করে গঠনমূলক আলোচনার দিকে এগোচ্ছে।

সম্মেলনে ইসহাক দার বাংলাদেশের কথা উল্লেখ করে বলেন, তারা আমাদের ভাই, এবং আগামী মাসগুলোতে সম্পর্ক আরো উন্নত হবে।’ দার বলেন, বাংলাদেশ সফরকালে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে তার বৈঠকগুলো ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ হয়েছে। এ সময় তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করেন।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো দাবি করেন, অতীতের আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এবং তার আগের সরকারের অধীনে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক খুব একটা ভালো ছিল না। তবে ভবিষ্যতে সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক নতুনভাবে এগিয়ে নেয়া সম্ভব হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ পেরিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও আলোচিত ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষ

নির্বাচনের পর বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরো জোরদার করবে পাকিস্তান

আপডেট সময় ১১:০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকার সঙ্গে সক্রিয় যোগাযোগ বাড়াতে আগ্রহী ইসলামাবাদ। এমন মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। গত শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) ইসলামাবাদে বছরের সমাপ্ত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সফর নিয়ে এক বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

ইসহাক দার চলতি বছরের আগস্টে বাংলাদেশ সফর করেছিলেন, যা ১৩ বছরের মধ্যে প্রথম পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর ছিল। সর্বশেষ ২০১২ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রব্বানী খার বাংলাদেশ সফর করেছিলেন।এই সফরকে আন্তঃদ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন করে পুনরুজ্জীবিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হয়, বিশেষত সেই সময়ে যখন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গত বছরকার রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর নতুন করে গঠনমূলক আলোচনার দিকে এগোচ্ছে।

সম্মেলনে ইসহাক দার বাংলাদেশের কথা উল্লেখ করে বলেন, তারা আমাদের ভাই, এবং আগামী মাসগুলোতে সম্পর্ক আরো উন্নত হবে।’ দার বলেন, বাংলাদেশ সফরকালে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে তার বৈঠকগুলো ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ হয়েছে। এ সময় তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করেন।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো দাবি করেন, অতীতের আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এবং তার আগের সরকারের অধীনে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক খুব একটা ভালো ছিল না। তবে ভবিষ্যতে সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক নতুনভাবে এগিয়ে নেয়া সম্ভব হবে।