ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বেনজীরকে ফেরাতে ইউএইর জবাবের অপেক্ষায় বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিকাশ দোকানে ডাকাতি: প্রধান আসামি মামুন গ্রেফতার মেসির প্রশংসায় বিনয়ী মেদিনা, বললেন—‘অধিনায়কের জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত’ অপারেশন সিঁদুর: নিহত সেনাদের তালিকা প্রকাশ ভারতের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার আলোচনায় পাশে থাকবে চীন শাহজালাল (র.) মাজারের দানের অর্থে স্বচ্ছতা আনতে কমিটি, এক মাসের মধ্যে সুপারিশ সরকারি হাসপাতালে সন্তান জন্ম দিলেই মিলবে এক গ্রাম সোনার আংটি, ব্যতিক্রমী উদ্যোগে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী বিজয় হরমুজ প্রণালি থেকে বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলার আয় করবে ইরান নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে ফেলে হত্যা, ভাইরাল ভিডিওতে তোলপাড় মাদক নির্মূলে ব্যবস্থা না নিলে এমপি পদ ছাড়ব, গোলাবাড়িতে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লংমার্চের হুঁশিয়ারি

“শর্ষের ভেতরে ভূত রেখে সংস্কার হবে না”— সালাহউদ্দিন আহমেদের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:২১:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫
  • ৩৩৪ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, শুধুমাত্র ‘সংস্কার’ বললেই হবে না, আগে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে প্রকৃত সংস্কার আনতে হবে। “শর্ষের ভেতরে ভূত রেখে সংস্কার হবে না”—এ মন্তব্য করে তিনি বিতর্কিত উপদেষ্টাদের অপসারণের দাবি জানান।

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন:

“আপনার উপদেষ্টা পরিষদ নিরপেক্ষ নয়। সেখানে এমন কিছু উপদেষ্টা রয়েছেন যারা ছাত্র উপদেষ্টা পরিচয়ে আসলে একটি দলের হয়ে কাজ করছেন। কেউ আবার ২০ বছর বিদেশে থেকে এখন এসে দেশ উদ্ধার করতে চান। এদের বিতর্কিত ভূমিকার কারণে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আস্থা ও সমন্বয়ের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। তারা ফ্যাসিবাদের দোসর, তাদের দিয়ে কোনো সংস্কার সম্ভব নয়।”

তিনি আরও বলেন,

“চ্যারিটি বিগিনস অ্যাট হোম। আপনি (প্রধান উপদেষ্টা) আগে নিজের উপদেষ্টা পরিষদে সংস্কার আনুন, তারপর অন্যদের সংস্কারের কথা বলুন। যদি নিজেই সংস্কার করতে না পারেন, তবে আমাদের বলুন। আমরা জনগণের সমর্থনে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে তা বাস্তবায়ন করব। সব সংস্কার এক সপ্তাহ থেকে এক মাসের মধ্যে করা সম্ভব।”

তিনি বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রশাসনিক কমিশন ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের প্রস্তাব তুলে ধরেন।

“জুডিশিয়ারি সংস্কারে তো প্রায়ই ঐকমত্য হয়ে গেছে। সেখানে দেরি না করে এগিয়ে যাওয়া দরকার। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে আরও কার্যকর করতে হবে এবং বিচারপতি নিয়োগের জন্য একটি স্বচ্ছ আইন প্রণয়ন করতে হবে।”

তিনি বলেন, বিএনপি যে সংস্কারের দাবি তুলছে, তা শুধু কথার ফেনা নয় বরং বাস্তবসম্মত ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির ওপর দাঁড়ানো।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বেনজীরকে ফেরাতে ইউএইর জবাবের অপেক্ষায় বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

“শর্ষের ভেতরে ভূত রেখে সংস্কার হবে না”— সালাহউদ্দিন আহমেদের

আপডেট সময় ০৯:২১:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, শুধুমাত্র ‘সংস্কার’ বললেই হবে না, আগে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে প্রকৃত সংস্কার আনতে হবে। “শর্ষের ভেতরে ভূত রেখে সংস্কার হবে না”—এ মন্তব্য করে তিনি বিতর্কিত উপদেষ্টাদের অপসারণের দাবি জানান।

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন:

“আপনার উপদেষ্টা পরিষদ নিরপেক্ষ নয়। সেখানে এমন কিছু উপদেষ্টা রয়েছেন যারা ছাত্র উপদেষ্টা পরিচয়ে আসলে একটি দলের হয়ে কাজ করছেন। কেউ আবার ২০ বছর বিদেশে থেকে এখন এসে দেশ উদ্ধার করতে চান। এদের বিতর্কিত ভূমিকার কারণে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আস্থা ও সমন্বয়ের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। তারা ফ্যাসিবাদের দোসর, তাদের দিয়ে কোনো সংস্কার সম্ভব নয়।”

তিনি আরও বলেন,

“চ্যারিটি বিগিনস অ্যাট হোম। আপনি (প্রধান উপদেষ্টা) আগে নিজের উপদেষ্টা পরিষদে সংস্কার আনুন, তারপর অন্যদের সংস্কারের কথা বলুন। যদি নিজেই সংস্কার করতে না পারেন, তবে আমাদের বলুন। আমরা জনগণের সমর্থনে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে তা বাস্তবায়ন করব। সব সংস্কার এক সপ্তাহ থেকে এক মাসের মধ্যে করা সম্ভব।”

তিনি বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রশাসনিক কমিশন ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের প্রস্তাব তুলে ধরেন।

“জুডিশিয়ারি সংস্কারে তো প্রায়ই ঐকমত্য হয়ে গেছে। সেখানে দেরি না করে এগিয়ে যাওয়া দরকার। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে আরও কার্যকর করতে হবে এবং বিচারপতি নিয়োগের জন্য একটি স্বচ্ছ আইন প্রণয়ন করতে হবে।”

তিনি বলেন, বিএনপি যে সংস্কারের দাবি তুলছে, তা শুধু কথার ফেনা নয় বরং বাস্তবসম্মত ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির ওপর দাঁড়ানো।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান