ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘খুনিদের সঙ্গে আঁতাত করে আইভীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে’ : পাটওয়ারী আর্জেন্টিনার জার্সি পরলেই অর্ধেক ফি, বিশ্বকাপ উপলক্ষে চিকিৎসকের বিশেষ ঘোষণা জন্মদিনের দিনই ঝুলন্ত মরদেহ, রহস্য ঘনীভূত বিমানবন্দর লোডারের মৃত্যুতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা, পুলিশের কাছ থেকে বিএনপি নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি আবারও আ. লীগের ফাঁদে পড়েছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন বাংলাদেশে যৌথ ড্রোন কারখানা গড়তে চায় তুরস্ক তুরস্ক বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু: জামায়াত আমির ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোনে মার্কিন নৌবহরকে সতর্কবার্তা দিল ইরান লালমনিরহাটের তিন সীমান্তে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি-জনতার বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ

“শর্ষের ভেতরে ভূত রেখে সংস্কার হবে না”— সালাহউদ্দিন আহমেদের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:২১:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫
  • ৩০৯ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, শুধুমাত্র ‘সংস্কার’ বললেই হবে না, আগে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে প্রকৃত সংস্কার আনতে হবে। “শর্ষের ভেতরে ভূত রেখে সংস্কার হবে না”—এ মন্তব্য করে তিনি বিতর্কিত উপদেষ্টাদের অপসারণের দাবি জানান।

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন:

“আপনার উপদেষ্টা পরিষদ নিরপেক্ষ নয়। সেখানে এমন কিছু উপদেষ্টা রয়েছেন যারা ছাত্র উপদেষ্টা পরিচয়ে আসলে একটি দলের হয়ে কাজ করছেন। কেউ আবার ২০ বছর বিদেশে থেকে এখন এসে দেশ উদ্ধার করতে চান। এদের বিতর্কিত ভূমিকার কারণে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আস্থা ও সমন্বয়ের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। তারা ফ্যাসিবাদের দোসর, তাদের দিয়ে কোনো সংস্কার সম্ভব নয়।”

তিনি আরও বলেন,

“চ্যারিটি বিগিনস অ্যাট হোম। আপনি (প্রধান উপদেষ্টা) আগে নিজের উপদেষ্টা পরিষদে সংস্কার আনুন, তারপর অন্যদের সংস্কারের কথা বলুন। যদি নিজেই সংস্কার করতে না পারেন, তবে আমাদের বলুন। আমরা জনগণের সমর্থনে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে তা বাস্তবায়ন করব। সব সংস্কার এক সপ্তাহ থেকে এক মাসের মধ্যে করা সম্ভব।”

তিনি বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রশাসনিক কমিশন ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের প্রস্তাব তুলে ধরেন।

“জুডিশিয়ারি সংস্কারে তো প্রায়ই ঐকমত্য হয়ে গেছে। সেখানে দেরি না করে এগিয়ে যাওয়া দরকার। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে আরও কার্যকর করতে হবে এবং বিচারপতি নিয়োগের জন্য একটি স্বচ্ছ আইন প্রণয়ন করতে হবে।”

তিনি বলেন, বিএনপি যে সংস্কারের দাবি তুলছে, তা শুধু কথার ফেনা নয় বরং বাস্তবসম্মত ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির ওপর দাঁড়ানো।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘খুনিদের সঙ্গে আঁতাত করে আইভীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে’ : পাটওয়ারী

“শর্ষের ভেতরে ভূত রেখে সংস্কার হবে না”— সালাহউদ্দিন আহমেদের

আপডেট সময় ০৯:২১:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, শুধুমাত্র ‘সংস্কার’ বললেই হবে না, আগে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে প্রকৃত সংস্কার আনতে হবে। “শর্ষের ভেতরে ভূত রেখে সংস্কার হবে না”—এ মন্তব্য করে তিনি বিতর্কিত উপদেষ্টাদের অপসারণের দাবি জানান।

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন:

“আপনার উপদেষ্টা পরিষদ নিরপেক্ষ নয়। সেখানে এমন কিছু উপদেষ্টা রয়েছেন যারা ছাত্র উপদেষ্টা পরিচয়ে আসলে একটি দলের হয়ে কাজ করছেন। কেউ আবার ২০ বছর বিদেশে থেকে এখন এসে দেশ উদ্ধার করতে চান। এদের বিতর্কিত ভূমিকার কারণে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আস্থা ও সমন্বয়ের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। তারা ফ্যাসিবাদের দোসর, তাদের দিয়ে কোনো সংস্কার সম্ভব নয়।”

তিনি আরও বলেন,

“চ্যারিটি বিগিনস অ্যাট হোম। আপনি (প্রধান উপদেষ্টা) আগে নিজের উপদেষ্টা পরিষদে সংস্কার আনুন, তারপর অন্যদের সংস্কারের কথা বলুন। যদি নিজেই সংস্কার করতে না পারেন, তবে আমাদের বলুন। আমরা জনগণের সমর্থনে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে তা বাস্তবায়ন করব। সব সংস্কার এক সপ্তাহ থেকে এক মাসের মধ্যে করা সম্ভব।”

তিনি বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রশাসনিক কমিশন ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের প্রস্তাব তুলে ধরেন।

“জুডিশিয়ারি সংস্কারে তো প্রায়ই ঐকমত্য হয়ে গেছে। সেখানে দেরি না করে এগিয়ে যাওয়া দরকার। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে আরও কার্যকর করতে হবে এবং বিচারপতি নিয়োগের জন্য একটি স্বচ্ছ আইন প্রণয়ন করতে হবে।”

তিনি বলেন, বিএনপি যে সংস্কারের দাবি তুলছে, তা শুধু কথার ফেনা নয় বরং বাস্তবসম্মত ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির ওপর দাঁড়ানো।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান