ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সিঙ্গাপুর-দুবাইয়ে একাধিক কোম্পানি, অনুমতির তথ্য নেই: স্মার্ট টেকনোলজিসের এমডি জহিরুল ইসলামকে ঘিরে অভিযোগ বিদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণ নিয়ে প্রশ্ন প্রযুক্তি ব্যবসার আড়ালে স্মার্ট টেকনোলজির অর্থপাচারের অভিযোগ ঢাকার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে দুই জেলার অংশ এআইতে আর্জেন্টিনার জার্সি বদলে ব্রাজিল, শেষমেশ শোকজ এসআই মহাকাশ থেকে হামলার সক্ষমতা অর্জনের পরিকল্পনায় ইসরায়েল: কাটজ মাত্র ১ মিলিয়ন ডলারের বাজেট, বক্স অফিসে ৩৪৪ মিলিয়ন আয় ভারতীয় ভূখণ্ডে চীনা সেনা, দখলের অভিযোগ বিস্তৃত এলাকা জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস রূপপুরে আরও অনিয়ম, ২৭ কোটির যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছিল ২১৪ কোটিতে রুমিন ফারহানাকে নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ মন্তব্য

রূপপুরে আরও অনিয়ম, ২৭ কোটির যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছিল ২১৪ কোটিতে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আবাসন প্রকল্পে ‘বালিশ–কাণ্ড’-এর পর এবার সামনে এলো নতুন অনিয়মের অভিযোগ। আবাসন এলাকা গ্রিন সিটি-র ১১টি ভবনের বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের যন্ত্রপাতি ও জেনারেটর কেনায় বড় ধরনের অনিয়মের তথ্য পেয়েছে মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) কার্যালয়।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি হিসাবে যেসব যন্ত্রপাতির মূল্য ছিল প্রায় ২৭ কোটি টাকা, সেগুলো কিনতে ব্যয় দেখানো হয়েছে ২১৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৮৭ কোটি টাকা

সিএজির ভাষ্য, গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্ধারিত দর ও দাপ্তরিক প্রাক্কলনের তুলনায় অস্বাভাবিক বেশি দামে এসব যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে, যা সরকারের বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়েছে।

এর আগে রূপপুর প্রকল্পে বালিশ, আসবাবপত্র ও নির্মাণসামগ্রী কেনা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ আলোচনায় এসেছিল। এবার বিদ্যুৎ সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রেও দরপত্র প্রণয়ন, দর মূল্যায়ন, কার্যাদেশ, বিল অনুমোদন ও অর্থ পরিশোধ—প্রায় প্রতিটি ধাপেই অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে নিরীক্ষা বিভাগ।

সিএজির এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কয়েকটি যন্ত্রপাতির দাম সরকারি দরের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি নির্ধারণ করা হয়েছিল। নিয়ম না মেনে দর যাচাই ও মূল্যায়নের কারণেই এই আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া এবং অতিরিক্ত ব্যয় হওয়া অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত আনার সুপারিশ করেছে সিএজি কার্যালয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সিঙ্গাপুর-দুবাইয়ে একাধিক কোম্পানি, অনুমতির তথ্য নেই: স্মার্ট টেকনোলজিসের এমডি জহিরুল ইসলামকে ঘিরে অভিযোগ বিদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণ নিয়ে প্রশ্ন

রূপপুরে আরও অনিয়ম, ২৭ কোটির যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছিল ২১৪ কোটিতে

আপডেট সময় ০৪:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আবাসন প্রকল্পে ‘বালিশ–কাণ্ড’-এর পর এবার সামনে এলো নতুন অনিয়মের অভিযোগ। আবাসন এলাকা গ্রিন সিটি-র ১১টি ভবনের বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের যন্ত্রপাতি ও জেনারেটর কেনায় বড় ধরনের অনিয়মের তথ্য পেয়েছে মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) কার্যালয়।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি হিসাবে যেসব যন্ত্রপাতির মূল্য ছিল প্রায় ২৭ কোটি টাকা, সেগুলো কিনতে ব্যয় দেখানো হয়েছে ২১৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৮৭ কোটি টাকা

সিএজির ভাষ্য, গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্ধারিত দর ও দাপ্তরিক প্রাক্কলনের তুলনায় অস্বাভাবিক বেশি দামে এসব যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে, যা সরকারের বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়েছে।

এর আগে রূপপুর প্রকল্পে বালিশ, আসবাবপত্র ও নির্মাণসামগ্রী কেনা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ আলোচনায় এসেছিল। এবার বিদ্যুৎ সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রেও দরপত্র প্রণয়ন, দর মূল্যায়ন, কার্যাদেশ, বিল অনুমোদন ও অর্থ পরিশোধ—প্রায় প্রতিটি ধাপেই অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে নিরীক্ষা বিভাগ।

সিএজির এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কয়েকটি যন্ত্রপাতির দাম সরকারি দরের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি নির্ধারণ করা হয়েছিল। নিয়ম না মেনে দর যাচাই ও মূল্যায়নের কারণেই এই আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া এবং অতিরিক্ত ব্যয় হওয়া অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত আনার সুপারিশ করেছে সিএজি কার্যালয়।