ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘আর্জেন্টিনাবিরোধী প্রচারণায় টাকা ঢেলেছে ব্রাজিলসহ আরও দুই দেশ’ হজের খরচ কমাতে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা: বিমান প্রতিমন্ত্রী অর্থ আত্মসাতের মাম’লায় আত্মগোপনে থেকেও বেতন তুলেছেন মাদরাসা সুপার আইনের শাসন থাকলে অপ’রাধী’চক্র গড়ে উঠত না: রিজভী মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সুসংবাদ, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আসেনি বাবা-মা, নিজের বন্ডে নিজেই সই করলেন আহত আলিফ আদালতের নির্দেশে ৭ মাসের সন্তান ফিরে পেল ১৩ বছরের কিশোরী মা টিফিনের রুটিতে ব্লেড নিয়ে তদন্ত, বরখাস্ত হলেন শিক্ষিকা চোখ হারানো আলিফকে দেখতে যাচ্ছেন এনসিপি নেতারা এবার গোলাপগঞ্জে সারজিস আলমের গাড়িতে হামলা

আসেনি বাবা-মা, নিজের বন্ডে নিজেই সই করলেন আহত আলিফ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:২০:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

এবার হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মসূচিতে গত ২৮ জুলাই হামলার ঘটনায় চোখে রডের আঘাতে গুরুতর আহত জাতীয় ছাত্রশক্তির নবীগঞ্জ উপজেলা সংগঠক আলিফ চৌধুরী (১৯) এক চোখের অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। তবে অপারেশনের আগে তার বাবামা বা অন্য কোনো অভিভাবক না আসায় নিজেকেই নিজের অপারেশনের বন্ডে স্বাক্ষর করতে হয় আলিফকে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে (এনআইওএইচ) সম্পন্ন হওয়া এ অপারেশনের পরও তার আঘাতপ্রাপ্ত চোখের দৃষ্টিশক্তি ফেরানো সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এনসিপির সহযোগী সংগঠন নারী শক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ বিষয়ে তিনি লিখেন, আলিফের অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলো, তার বাম চোখের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। একটা চোখ চিরতরে আলো হারালো। ডান চোখটা ভালো আছে। এখন পোস্ট অপারেটিভ অবজারভেশনে থাকবে।

ওদিকে অপারেশনের আগে দেওয়া এক পোস্টে মনিরা শারমিন ফেসবুক পোস্টে লিখেছিলেন, আলিফকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে গেল। বন্ড সই করতে হবে। ওরা মা বাবা কেউ আসে নাই। ও নিজেই নিজের অভিভাবক। বন্ডে লেখা, বাম চোখের ইনজুরি আছে। দৃষ্টিশক্তি হারানোর সম্ভাবনা আছে। অপারেশন করতে কি রাজি? আমি ভয় পাচ্ছিলাম। তখন পর্যন্ত সে জানে না তার দৃষ্টিশক্তি হারানোর সম্ভাবনা আছে। জানলে মন দুর্বল করে কিনা? কিন্তু লিগ্যাল বিষয়, জানাতেই হবে।

নারীশক্তির এ নেত্রী আরও বলেছিলেন, সে জানার পর বলল, কোথায় সই করতে হবে? দেন। আমি ভয় পাচ্ছি না। হাসনাত, আসিফ ভাই যারাই দেখা করতে চাইছে, তাদের অপারেশনের পর দেখা করতে বইলেন, যাতে ভালভাবে দেখতে পাই। সবশেষে মনিরা শারমিন লিখেছিলেন, ছেলেটার ব্যক্তিত্বের কঠোরতার কাছে হেরে গেলাম। পাহাড়সম সাহস ছেলেটার। খোদা, চিকিৎসাবিজ্ঞান যাতে ভুল হয়। তার দুই চোখেরই দৃষ্টিশক্তি থাকুক।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আর্জেন্টিনাবিরোধী প্রচারণায় টাকা ঢেলেছে ব্রাজিলসহ আরও দুই দেশ’

আসেনি বাবা-মা, নিজের বন্ডে নিজেই সই করলেন আহত আলিফ

আপডেট সময় ০৪:২০:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

এবার হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মসূচিতে গত ২৮ জুলাই হামলার ঘটনায় চোখে রডের আঘাতে গুরুতর আহত জাতীয় ছাত্রশক্তির নবীগঞ্জ উপজেলা সংগঠক আলিফ চৌধুরী (১৯) এক চোখের অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। তবে অপারেশনের আগে তার বাবামা বা অন্য কোনো অভিভাবক না আসায় নিজেকেই নিজের অপারেশনের বন্ডে স্বাক্ষর করতে হয় আলিফকে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে (এনআইওএইচ) সম্পন্ন হওয়া এ অপারেশনের পরও তার আঘাতপ্রাপ্ত চোখের দৃষ্টিশক্তি ফেরানো সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এনসিপির সহযোগী সংগঠন নারী শক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ বিষয়ে তিনি লিখেন, আলিফের অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলো, তার বাম চোখের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। একটা চোখ চিরতরে আলো হারালো। ডান চোখটা ভালো আছে। এখন পোস্ট অপারেটিভ অবজারভেশনে থাকবে।

ওদিকে অপারেশনের আগে দেওয়া এক পোস্টে মনিরা শারমিন ফেসবুক পোস্টে লিখেছিলেন, আলিফকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে গেল। বন্ড সই করতে হবে। ওরা মা বাবা কেউ আসে নাই। ও নিজেই নিজের অভিভাবক। বন্ডে লেখা, বাম চোখের ইনজুরি আছে। দৃষ্টিশক্তি হারানোর সম্ভাবনা আছে। অপারেশন করতে কি রাজি? আমি ভয় পাচ্ছিলাম। তখন পর্যন্ত সে জানে না তার দৃষ্টিশক্তি হারানোর সম্ভাবনা আছে। জানলে মন দুর্বল করে কিনা? কিন্তু লিগ্যাল বিষয়, জানাতেই হবে।

নারীশক্তির এ নেত্রী আরও বলেছিলেন, সে জানার পর বলল, কোথায় সই করতে হবে? দেন। আমি ভয় পাচ্ছি না। হাসনাত, আসিফ ভাই যারাই দেখা করতে চাইছে, তাদের অপারেশনের পর দেখা করতে বইলেন, যাতে ভালভাবে দেখতে পাই। সবশেষে মনিরা শারমিন লিখেছিলেন, ছেলেটার ব্যক্তিত্বের কঠোরতার কাছে হেরে গেলাম। পাহাড়সম সাহস ছেলেটার। খোদা, চিকিৎসাবিজ্ঞান যাতে ভুল হয়। তার দুই চোখেরই দৃষ্টিশক্তি থাকুক।