ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে চীন, গভীর পর্যবেক্ষণে ভারত আমাদের দেশে নিউটন-আইনস্টাইনের অভাব নেই: শিক্ষামন্ত্রী উজানের বৃষ্টিতে বাড়ছে নদীর পানি, প্লাবনের ঝুঁকিতে উত্তরাঞ্চল পাকিস্তানের হামলার নিহতের তথ্য নিয়ে নতুন বিতর্কে মোদি সরকার পাকিস্তানের হামলায় নিহত সেনাদের সংখ্যা গোপন করেছে মোদি সরকার দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ বাংলাদেশি প্রবাসীর মরদেহ ইনুর বিরুদ্ধে বহুল আলোচিত মামলার রায় আজ যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি মেনে চললে তেহরানও তা রক্ষা করবে: ইরানের রাষ্ট্রপতি   ‘পরের বিশ্বকাপে চেষ্টা করবেন’— সেই জ্যোতিষীকে কড়া খোঁচা নেইমারের চার বছর পর ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

নির্বাচন চাই না, ইউনূস সরকারকে চাই: পাগলা মসজিদের দানবাক্সের চিঠি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
  • ৩৬৪ বার পড়া হয়েছে

এবার পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া গেল এক চিঠি, যেখানে লেখা রয়েছে, ‘নির্বাচন চাই না, আমাদের দরকার ইউনুস সরকার।’ আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৭টায় পাগলা মসজিদের ১৪টি দানবাক্স খোলার পর ৩২ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। পরবর্তীতে মসজিদ কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় এনে টাকা গণনা করা হয়। এর সঙ্গে ছিল অসংখ্য চিঠি, যার মধ্যে একটির বিষয় ছিল নির্বাচনের প্রতি বিরোধিতা।

চিঠিতে লেখা ছিল, ‘হে পাগলা বাবা, তোমার দোয়ার বরকতে নির্বাচন চাই না, আমাদের দরকার ইউনুস সরকার। তুমি দোয়া কর যেন নির্বাচন না হয়। দোয়া রহিল, ইতি সাধারণ জনগণ।’ জানা গেছে, এবার ৪ মাস ১৮ দিন পর পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়। মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পার্শ্ববর্তী জামিয়া এমদাদিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রায় ৪০০ মানুষের একটি দল এই টাকার গণনার কাজে অংশ নেয়।

সাধারণত তিন মাস পর পর দানবাক্সগুলো খোলা হলেও এবার সময়ের ব্যবধান ছিল ৪ মাস ১৮ দিন। এ কারণে নতুন করে আরও দুটি দানবাক্স বসানো হয়েছে। এছাড়া, চলতি বছরের ১২ এপ্রিল ৪ মাস ১২ দিন পর পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলার সময় রেকর্ড পরিমাণ ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। সেই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কারও উদ্ধার হয়েছিল।

এই দানবাক্স খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক এরশাদুল আহমেদ, কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমত, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী এবং জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী। এছাড়াও বিপুল সংখ্যক সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে চীন, গভীর পর্যবেক্ষণে ভারত

নির্বাচন চাই না, ইউনূস সরকারকে চাই: পাগলা মসজিদের দানবাক্সের চিঠি

আপডেট সময় ০৩:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

এবার পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া গেল এক চিঠি, যেখানে লেখা রয়েছে, ‘নির্বাচন চাই না, আমাদের দরকার ইউনুস সরকার।’ আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৭টায় পাগলা মসজিদের ১৪টি দানবাক্স খোলার পর ৩২ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। পরবর্তীতে মসজিদ কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় এনে টাকা গণনা করা হয়। এর সঙ্গে ছিল অসংখ্য চিঠি, যার মধ্যে একটির বিষয় ছিল নির্বাচনের প্রতি বিরোধিতা।

চিঠিতে লেখা ছিল, ‘হে পাগলা বাবা, তোমার দোয়ার বরকতে নির্বাচন চাই না, আমাদের দরকার ইউনুস সরকার। তুমি দোয়া কর যেন নির্বাচন না হয়। দোয়া রহিল, ইতি সাধারণ জনগণ।’ জানা গেছে, এবার ৪ মাস ১৮ দিন পর পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়। মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পার্শ্ববর্তী জামিয়া এমদাদিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রায় ৪০০ মানুষের একটি দল এই টাকার গণনার কাজে অংশ নেয়।

সাধারণত তিন মাস পর পর দানবাক্সগুলো খোলা হলেও এবার সময়ের ব্যবধান ছিল ৪ মাস ১৮ দিন। এ কারণে নতুন করে আরও দুটি দানবাক্স বসানো হয়েছে। এছাড়া, চলতি বছরের ১২ এপ্রিল ৪ মাস ১২ দিন পর পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলার সময় রেকর্ড পরিমাণ ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। সেই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কারও উদ্ধার হয়েছিল।

এই দানবাক্স খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক এরশাদুল আহমেদ, কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমত, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী এবং জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী। এছাড়াও বিপুল সংখ্যক সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন।