ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দীর্ঘ ১৯ ঘণ্টা ধরে পুশ ইনের চেষ্টা, ব্যর্থ হয়ে ১৭ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ একসঙ্গে র‍্যালি করলেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকরা, বিতরণ হলো খেজুর-সেভেন আপ একটানা ৪১ দিন জামাতে নামাজ পড়ায় ৯ শিশু পেল সাইকেল উপহার ‘খুনিদের সঙ্গে আঁতাত করে আইভীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে’ : পাটওয়ারী আর্জেন্টিনার জার্সি পরলেই অর্ধেক ফি, বিশ্বকাপ উপলক্ষে চিকিৎসকের বিশেষ ঘোষণা জন্মদিনের দিনই ঝুলন্ত মরদেহ, রহস্য ঘনীভূত বিমানবন্দর লোডারের মৃত্যুতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা, পুলিশের কাছ থেকে বিএনপি নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি আবারও আ. লীগের ফাঁদে পড়েছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন বাংলাদেশে যৌথ ড্রোন কারখানা গড়তে চায় তুরস্ক

আমি মুক্তিযোদ্ধা, কিন্তু আওয়ামী লীগ আমার নাম কেটে দিয়েছে: সংসদ সদস্য

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:০৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

গত ২০০৯ সালে গঠিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সাতক্ষীরা৪ আসন থেকে নির্বাচিত জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। একই সঙ্গে তার এইহারানো গৌরবফিরিয়ে পাবেন কিনা সে প্রশ্নও উত্থাপন করেছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে প্রশ্নোত্তর পর্বে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের কাছে এই প্রশ্ন রাখেন গাজী নজরুল।

এক সম্পূরক প্রশ্নে গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। ২০০৬ সালের পর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর আমার নামটা তারা মুক্তিযোদ্ধাদের খাতা থেকে নামটা কেটে দিয়েছিল। আজ পর্যন্ত আমি এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত আছি। মুক্তিযোদ্ধার গৌরব থেকে আমি বঞ্চিত।

তিনি বলেন, এলাকার সবাই আমাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জানে, আপনিও জানেন মাননীয় স্পিকার। আমি মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে প্রশ্ন করতে চাই, আমি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি মেজর জলিল সাহেবের নেতৃত্বে নবম সেক্টরে, এই হারানো গৌরব আমি ফিরে পাব কিনা? আমার কাগজপত্র যতদূর সম্ভব গচ্ছিত আছে, আমি দেখাব ইনশাআল্লাহ। আমি আশা করছি, আমার মত আরও যারা নিগৃহীতের শিকার হয়েছেন, আমাদের তালিকাভুক্ত করে নিবেন কিনা?

প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, ওনার যে কাগজপত্র আছে, সে কাগজপত্রগুলো মন্ত্রণালয়ে জমা দিলে মন্ত্রণালয় এ নিয়ে কাজ করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। অতীতে যারাই বিরোধী দল করতাম, তাদেরই মুক্তিযুদ্ধের সনদ নিয়ে হয়রানি করা হত, সুনামও নষ্ট করা হত। এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে। ওনার কাগজপত্রাদি পরীক্ষানিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করব।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দীর্ঘ ১৯ ঘণ্টা ধরে পুশ ইনের চেষ্টা, ব্যর্থ হয়ে ১৭ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

আমি মুক্তিযোদ্ধা, কিন্তু আওয়ামী লীগ আমার নাম কেটে দিয়েছে: সংসদ সদস্য

আপডেট সময় ০৫:০৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

গত ২০০৯ সালে গঠিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সাতক্ষীরা৪ আসন থেকে নির্বাচিত জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। একই সঙ্গে তার এইহারানো গৌরবফিরিয়ে পাবেন কিনা সে প্রশ্নও উত্থাপন করেছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে প্রশ্নোত্তর পর্বে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের কাছে এই প্রশ্ন রাখেন গাজী নজরুল।

এক সম্পূরক প্রশ্নে গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। ২০০৬ সালের পর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর আমার নামটা তারা মুক্তিযোদ্ধাদের খাতা থেকে নামটা কেটে দিয়েছিল। আজ পর্যন্ত আমি এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত আছি। মুক্তিযোদ্ধার গৌরব থেকে আমি বঞ্চিত।

তিনি বলেন, এলাকার সবাই আমাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জানে, আপনিও জানেন মাননীয় স্পিকার। আমি মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে প্রশ্ন করতে চাই, আমি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি মেজর জলিল সাহেবের নেতৃত্বে নবম সেক্টরে, এই হারানো গৌরব আমি ফিরে পাব কিনা? আমার কাগজপত্র যতদূর সম্ভব গচ্ছিত আছে, আমি দেখাব ইনশাআল্লাহ। আমি আশা করছি, আমার মত আরও যারা নিগৃহীতের শিকার হয়েছেন, আমাদের তালিকাভুক্ত করে নিবেন কিনা?

প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, ওনার যে কাগজপত্র আছে, সে কাগজপত্রগুলো মন্ত্রণালয়ে জমা দিলে মন্ত্রণালয় এ নিয়ে কাজ করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। অতীতে যারাই বিরোধী দল করতাম, তাদেরই মুক্তিযুদ্ধের সনদ নিয়ে হয়রানি করা হত, সুনামও নষ্ট করা হত। এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে। ওনার কাগজপত্রাদি পরীক্ষানিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করব।