ঢাকা , সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত: দীনেশ ত্রিবেদী টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার সুযোগ বাংলাদেশের, সামনে যে সমীকরণ হরমুজকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করার ঘোষণা ট্রাম্পের, আদৌ কি তা সম্ভব? জ্বালানি ছাড়াই বিদ্যুৎ উৎপাদন: বগুড়ায় ফ্লাইহুইল প্রযুক্তির সফল পরীক্ষা ঢাবির ফজলুল হক মুসলিম হলে সংঘর্ষ, ভিপি-জিএসসহ আহত ৬ ইরানের সামরিক নীতি আক্রমণাত্মক করার ঘোষণা আইআরজিসির জিম্বাবুয়েতে ফেরিডুবি: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৪ জনে  কাল থেকে রাজধানীতে চলবে বিআরটিসির ‘মহিলা বাস’, চালক-কন্ডাক্টরও নারী অসুস্থ সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, পা অবশ হওয়ায় চলাফেরা সীমিত ৯০০ কর্মী ছাঁটাই করা সিইও এবার নিজেই হারালেন চাকরি

‘জামায়াত নেতারা স্বীকৃত রাজাকার, সাকা চৌধুরী হাসিনার রোষানলের শিকার’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪১:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫
  • ১০২০ বার পড়া হয়েছে

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে জুলাই বিপ্লবের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিবির আয়োজিত অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতাদের সাথে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছবি প্রদর্শনীতে থাকায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়।

এদিকে বিবৃতিতে বলা হয়, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) প্রাঙ্গণে ইসলামী ছাত্রশিবির কর্তৃক আয়োজিত এক প্রদর্শনীতে তাদের সংগঠনের কিছু স্বীকৃত গণহত্যাকারী রাজাকারের ছবির পাশাপাশি ২০১৩ সালে শাহবাগ আন্দোলনের নামে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের মদদপুষ্ট মব জাস্টিস এবং স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার শিকার বিএনপি নেতা মরহুম সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছবি প্রদর্শন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত ‘আমরাই ৩৬ জুলাই: আমরা থামব না’ শীর্ষক ৩ দিন ব্যাপী এ আয়োজনে জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী, দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী, আলী আহসান মুজাহিদ, মীর কাশেম আলী, কামরুজ্জামান চৌধুরীর সাথে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছবিও প্রদর্শনীতে রাখে ছাত্রশিবির। তাদের সবাইকে সাবেক স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদ্ণ্ড দেওয়া হয়, যাকে বিচারিক হত্যাকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করা হয় প্রদর্শনীতে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, “মহান মুক্তিযুদ্ধের পবিত্র স্মৃতিবাহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে সর্বপ্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত জাতীয় পতাকা উত্তোলন হয়েছিল, সেই ঐতিহাসিক প্রাঙ্গণে গণহত্যাকারী রাজাকারদের ছবি সাঁটিয়ে শিবির যে জবরদস্তিমূলক ‘স্বীকৃতি’ প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা চালিয়েছে, তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত: দীনেশ ত্রিবেদী

‘জামায়াত নেতারা স্বীকৃত রাজাকার, সাকা চৌধুরী হাসিনার রোষানলের শিকার’

আপডেট সময় ১০:৪১:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে জুলাই বিপ্লবের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিবির আয়োজিত অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতাদের সাথে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছবি প্রদর্শনীতে থাকায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়।

এদিকে বিবৃতিতে বলা হয়, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) প্রাঙ্গণে ইসলামী ছাত্রশিবির কর্তৃক আয়োজিত এক প্রদর্শনীতে তাদের সংগঠনের কিছু স্বীকৃত গণহত্যাকারী রাজাকারের ছবির পাশাপাশি ২০১৩ সালে শাহবাগ আন্দোলনের নামে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের মদদপুষ্ট মব জাস্টিস এবং স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার শিকার বিএনপি নেতা মরহুম সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছবি প্রদর্শন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত ‘আমরাই ৩৬ জুলাই: আমরা থামব না’ শীর্ষক ৩ দিন ব্যাপী এ আয়োজনে জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী, দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী, আলী আহসান মুজাহিদ, মীর কাশেম আলী, কামরুজ্জামান চৌধুরীর সাথে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছবিও প্রদর্শনীতে রাখে ছাত্রশিবির। তাদের সবাইকে সাবেক স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদ্ণ্ড দেওয়া হয়, যাকে বিচারিক হত্যাকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করা হয় প্রদর্শনীতে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, “মহান মুক্তিযুদ্ধের পবিত্র স্মৃতিবাহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে সর্বপ্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত জাতীয় পতাকা উত্তোলন হয়েছিল, সেই ঐতিহাসিক প্রাঙ্গণে গণহত্যাকারী রাজাকারদের ছবি সাঁটিয়ে শিবির যে জবরদস্তিমূলক ‘স্বীকৃতি’ প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা চালিয়েছে, তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে।”