ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মাত্র ১ মিলিয়ন ডলারের বাজেট, বক্স অফিসে ৩৪৪ মিলিয়ন আয় ভারতীয় ভূখণ্ডে চীনা সেনা, দখলের অভিযোগ বিস্তৃত এলাকা জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস রূপপুরে আরও অনিয়ম, ২৭ কোটির যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছিল ২১৪ কোটিতে রুমিন ফারহানাকে নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ মন্তব্য বিশ্বকাপের আলোচনায় কেপ ভার্দে, বাড়ছে মুসলিম সম্প্রদায়  ভারতীয় নাগরিক হয়েও প্রধান শিক্ষকের পদে দীপক চন্দ্র, রয়েছে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের পেছনের পরিকল্পনা সরকার খতিয়ে দেখছে: তথ্য উপদেষ্টা যুদ্ধ থামিয়ে ইসরায়েলকে গাজা পুনর্গঠনে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ছোট্ট দ্বীপদেশ কেপ ভার্দেতে ইসলামের নীরব পদচারণা

আমি নিজের ইচ্ছা জনতার ওপর চাপিয়ে দেই না, তাদের ইচ্ছা কি দেখি: প্রধান উপদেষ্টা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫
  • ৩৩১ বার পড়া হয়েছে

সম্প্রতি মালয়েশিয়া সফরে গিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা বার্নামাকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। বার্তাসংস্থাটি শনিবার (১৬ আগস্ট) সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ প্রকাশ করেছে। এতে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়া, সংস্কারের মাধ্যমে পরিবর্তন আনা, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে করা তার মন্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।

ড. ইউনূস বলেন, “আমি নই, এটা হলো সাধারণ মানুষ যারা পরিবর্তন চায়। তারা যেভাবে পরিবর্তন চায় আমি তাদের সেভাবে শুধুমাত্র সাহায্য করছি।” এছাড়া নিজের কোনো ইচ্ছা সাধারণ জনতার ওপর চাপিয়ে দেন না বলেও জানান তিনি। প্রফেসর ইউনূস বলেন, “আমি নিজের কোনো কিছু চাপিয়ে দেই না। আমি সাধারণ মানুষের ইচ্ছা কি সেটি দেখার জন্য অপেক্ষা করি। তখন আমি এটি হতে সাহায্য করি।”

নিজেকে নেতা নয়, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টার একজন তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে মনে করেন বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তবে গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে বিশাল চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে সেটি স্বীকার করেছেন তিনি। প্রফেসর ইউনূস বলেন, “অনেক সমস্যা রয়েছে। অনেকে এ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়। বাংলাদেশ থেকে যে রাজনৈতিক উপাদান উৎখাত হয়েছে, সেগুলো পুরো ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।”

স্বৈরাচারী শাসন ও ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশে অনেকে ১০-১৫ বছর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। কিন্তু এবার সেই সুযোগ আসবে। সবাই তাদের নিজস্ব ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে তিনি বলেন, “কল্পনা করুন, ১৮ বছর বয়স, ভোট দেওয়ার জন্য উদ্দীপ্ত। কিন্তু আপনার ভোট দেওয়ার কোনো সুযোগ আসেনি, কারণ এমন কোনো নির্বাচন কখনো হয়নি। তারা গত ১৫ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো ভোট দেবে।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মাত্র ১ মিলিয়ন ডলারের বাজেট, বক্স অফিসে ৩৪৪ মিলিয়ন আয়

আমি নিজের ইচ্ছা জনতার ওপর চাপিয়ে দেই না, তাদের ইচ্ছা কি দেখি: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১১:১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫

সম্প্রতি মালয়েশিয়া সফরে গিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা বার্নামাকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। বার্তাসংস্থাটি শনিবার (১৬ আগস্ট) সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ প্রকাশ করেছে। এতে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়া, সংস্কারের মাধ্যমে পরিবর্তন আনা, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে করা তার মন্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।

ড. ইউনূস বলেন, “আমি নই, এটা হলো সাধারণ মানুষ যারা পরিবর্তন চায়। তারা যেভাবে পরিবর্তন চায় আমি তাদের সেভাবে শুধুমাত্র সাহায্য করছি।” এছাড়া নিজের কোনো ইচ্ছা সাধারণ জনতার ওপর চাপিয়ে দেন না বলেও জানান তিনি। প্রফেসর ইউনূস বলেন, “আমি নিজের কোনো কিছু চাপিয়ে দেই না। আমি সাধারণ মানুষের ইচ্ছা কি সেটি দেখার জন্য অপেক্ষা করি। তখন আমি এটি হতে সাহায্য করি।”

নিজেকে নেতা নয়, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টার একজন তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে মনে করেন বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তবে গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে বিশাল চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে সেটি স্বীকার করেছেন তিনি। প্রফেসর ইউনূস বলেন, “অনেক সমস্যা রয়েছে। অনেকে এ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়। বাংলাদেশ থেকে যে রাজনৈতিক উপাদান উৎখাত হয়েছে, সেগুলো পুরো ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।”

স্বৈরাচারী শাসন ও ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশে অনেকে ১০-১৫ বছর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। কিন্তু এবার সেই সুযোগ আসবে। সবাই তাদের নিজস্ব ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে তিনি বলেন, “কল্পনা করুন, ১৮ বছর বয়স, ভোট দেওয়ার জন্য উদ্দীপ্ত। কিন্তু আপনার ভোট দেওয়ার কোনো সুযোগ আসেনি, কারণ এমন কোনো নির্বাচন কখনো হয়নি। তারা গত ১৫ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো ভোট দেবে।”