ঢাকা , শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শিয়ালের মুখ থেকে শিশুকে জীবিত ফিরিয়ে আনলেন মা লিমন-বৃষ্টি হত্যায় শুধু হিশাম নয়, জড়িত ছিল আরও একজন ভুয়া অ্যাডিশনাল এসপি পরিচয়ে প্রতারণার দায়ে যুবক গ্রেফতার আরব আমিরাতকে ‘গুঁড়িয়ে দেওয়ার’ পরিকল্পনা সৌদিকে জানিয়েছিল ইরান জামায়াতের উদ্দেশ্য বাংলাদেশকে আবারও অস্থিতিশীল করা: মির্জা ফখরুল এবার শাপলা চত্বরে শহীদদের স্মরণে দেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা আল্লাহ আমাকে ভেতর থেকে বদলে দিয়েছেন: কারামুক্তির পর সিদ্দিক  পানি থেকে লাশ উদ্ধারের পর দেখা গেল ছেলেকে বুকে জড়িয়ে আছেন মা ইরানের সঙ্গে চলমান শত্রুতা শেষ: ট্রাম্প বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ৩ জেলার পাঁচ নদীর পানি

গাজায় ফুরিয়ে গেছে কাফনের কাপড়, নিহতদের দাফনে দুর্ভোগ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:২৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫
  • ৬০৭ বার পড়া হয়েছে

এবার গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের দাফনের জন্য প্রয়োজনীয় কাফনের কাপড় প্রায় ফুরিয়ে গেছে। মর্মান্তিক এই পরিস্থিতিতে নিহতদের স্বজনরা তাদের প্রিয়জনদের যথাযথভাবে শেষ বিদায় জানাতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। খবর আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আজ শনিবার (১৭ মে) সকাল থেকে গাজার হাসপাতালগুলোতে আহত ফিলিস্তিনিদের ঢল নেমেছে, যা তাদের ধারণক্ষমতার বাহিরে চলে গেছে। একদিকে চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব, অন্যদিকে মৃতদেহ সৎকারের জন্য কাফনের কাপড় ও সাবানের দুষ্প্রাপ্যতা— পুরো পরিস্থিতিকে আরও অমানবিক করে তুলেছে। হাসপাতালগুলোতে আর কোনো কাফন অবশিষ্ট নেই, ফলে হামলায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা তাদের প্রিয়জনদের জন্য যথাযথ দাফনের ব্যবস্থা করতে পারছেন না।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে গাজা শহরের পূর্বাঞ্চলে নির্বিচারে ঘরবাড়ি ধ্বংস করছে ইসরায়েলি বাহিনী। সেখানকার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। বিস্ফোরণের তীব্র শব্দে কেঁপে উঠছে চারিদিক, আর ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন অসংখ্য মানুষ।

গ্লিয়া ইন্টারন্যাশনালের মেডিকেল স্বেচ্ছাসেবক আফিফ নেসৌলি জানিয়েছেন, গাজার পরিস্থিতি ক্রমশ আরও ভয়াবহ হচ্ছে। উত্তর গাজায় সহিংসতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালগুলোতে আহতদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ঔষধ ও সরঞ্জামের অভাবে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

দীর্ঘদিনের অবরোধের কারণে এমনিতেই গাজার মানুষ চরম খাদ্য সংকটে ভুগছেন। তার ওপর এই লাগাতার হামলায় পরিস্থিতি আরও অসহনীয় হয়ে উঠেছে। ক্ষুধার্ত শিশুরা ময়লাযুক্ত রুটি ও মাটি থেকে কুড়ানো চাল খেতে বাধ্য হচ্ছে। শুক্রবার ভোর থেকে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১১৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এরপর হাজার হাজার মানুষকে তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য করা হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিয়ালের মুখ থেকে শিশুকে জীবিত ফিরিয়ে আনলেন মা

গাজায় ফুরিয়ে গেছে কাফনের কাপড়, নিহতদের দাফনে দুর্ভোগ

আপডেট সময় ১২:২৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

এবার গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের দাফনের জন্য প্রয়োজনীয় কাফনের কাপড় প্রায় ফুরিয়ে গেছে। মর্মান্তিক এই পরিস্থিতিতে নিহতদের স্বজনরা তাদের প্রিয়জনদের যথাযথভাবে শেষ বিদায় জানাতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। খবর আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আজ শনিবার (১৭ মে) সকাল থেকে গাজার হাসপাতালগুলোতে আহত ফিলিস্তিনিদের ঢল নেমেছে, যা তাদের ধারণক্ষমতার বাহিরে চলে গেছে। একদিকে চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব, অন্যদিকে মৃতদেহ সৎকারের জন্য কাফনের কাপড় ও সাবানের দুষ্প্রাপ্যতা— পুরো পরিস্থিতিকে আরও অমানবিক করে তুলেছে। হাসপাতালগুলোতে আর কোনো কাফন অবশিষ্ট নেই, ফলে হামলায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা তাদের প্রিয়জনদের জন্য যথাযথ দাফনের ব্যবস্থা করতে পারছেন না।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে গাজা শহরের পূর্বাঞ্চলে নির্বিচারে ঘরবাড়ি ধ্বংস করছে ইসরায়েলি বাহিনী। সেখানকার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। বিস্ফোরণের তীব্র শব্দে কেঁপে উঠছে চারিদিক, আর ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন অসংখ্য মানুষ।

গ্লিয়া ইন্টারন্যাশনালের মেডিকেল স্বেচ্ছাসেবক আফিফ নেসৌলি জানিয়েছেন, গাজার পরিস্থিতি ক্রমশ আরও ভয়াবহ হচ্ছে। উত্তর গাজায় সহিংসতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালগুলোতে আহতদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ঔষধ ও সরঞ্জামের অভাবে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

দীর্ঘদিনের অবরোধের কারণে এমনিতেই গাজার মানুষ চরম খাদ্য সংকটে ভুগছেন। তার ওপর এই লাগাতার হামলায় পরিস্থিতি আরও অসহনীয় হয়ে উঠেছে। ক্ষুধার্ত শিশুরা ময়লাযুক্ত রুটি ও মাটি থেকে কুড়ানো চাল খেতে বাধ্য হচ্ছে। শুক্রবার ভোর থেকে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১১৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এরপর হাজার হাজার মানুষকে তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য করা হয়েছে।