ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে ফি অর্ধেক নেওয়ার ঘোষণা দিলেন চিকিৎসক তিন দিনের সফরে ঢাকায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরকার পতনের পর আ. লীগ নেতাদের সঙ্গে কয়েক ধাপে মিটিং হান্নান মাসউদের সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব পাওয়ার তিন দিনের মাথায় অবসরের আবেদন কারাগারে গান-কবিতার আড্ডা, আইভীর কবিতায় সুর দেন মমতাজ আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রাঘাতে নিহত ৬, শোকের ছায়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘জনগণ ভাবছে সরকার ভোট নয়, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে নির্বাচিত’ যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, হামলা অব্যাহত ইসরায়েলের ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল নিখোঁজের ৬ দিন পর এভারেস্টে জীবিত উদ্ধার নেপালি শেরপা

গাজায় ফুরিয়ে গেছে কাফনের কাপড়, নিহতদের দাফনে দুর্ভোগ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:২৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫
  • ৬২১ বার পড়া হয়েছে

এবার গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের দাফনের জন্য প্রয়োজনীয় কাফনের কাপড় প্রায় ফুরিয়ে গেছে। মর্মান্তিক এই পরিস্থিতিতে নিহতদের স্বজনরা তাদের প্রিয়জনদের যথাযথভাবে শেষ বিদায় জানাতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। খবর আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আজ শনিবার (১৭ মে) সকাল থেকে গাজার হাসপাতালগুলোতে আহত ফিলিস্তিনিদের ঢল নেমেছে, যা তাদের ধারণক্ষমতার বাহিরে চলে গেছে। একদিকে চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব, অন্যদিকে মৃতদেহ সৎকারের জন্য কাফনের কাপড় ও সাবানের দুষ্প্রাপ্যতা— পুরো পরিস্থিতিকে আরও অমানবিক করে তুলেছে। হাসপাতালগুলোতে আর কোনো কাফন অবশিষ্ট নেই, ফলে হামলায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা তাদের প্রিয়জনদের জন্য যথাযথ দাফনের ব্যবস্থা করতে পারছেন না।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে গাজা শহরের পূর্বাঞ্চলে নির্বিচারে ঘরবাড়ি ধ্বংস করছে ইসরায়েলি বাহিনী। সেখানকার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। বিস্ফোরণের তীব্র শব্দে কেঁপে উঠছে চারিদিক, আর ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন অসংখ্য মানুষ।

গ্লিয়া ইন্টারন্যাশনালের মেডিকেল স্বেচ্ছাসেবক আফিফ নেসৌলি জানিয়েছেন, গাজার পরিস্থিতি ক্রমশ আরও ভয়াবহ হচ্ছে। উত্তর গাজায় সহিংসতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালগুলোতে আহতদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ঔষধ ও সরঞ্জামের অভাবে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

দীর্ঘদিনের অবরোধের কারণে এমনিতেই গাজার মানুষ চরম খাদ্য সংকটে ভুগছেন। তার ওপর এই লাগাতার হামলায় পরিস্থিতি আরও অসহনীয় হয়ে উঠেছে। ক্ষুধার্ত শিশুরা ময়লাযুক্ত রুটি ও মাটি থেকে কুড়ানো চাল খেতে বাধ্য হচ্ছে। শুক্রবার ভোর থেকে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১১৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এরপর হাজার হাজার মানুষকে তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য করা হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে ফি অর্ধেক নেওয়ার ঘোষণা দিলেন চিকিৎসক

গাজায় ফুরিয়ে গেছে কাফনের কাপড়, নিহতদের দাফনে দুর্ভোগ

আপডেট সময় ১২:২৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

এবার গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের দাফনের জন্য প্রয়োজনীয় কাফনের কাপড় প্রায় ফুরিয়ে গেছে। মর্মান্তিক এই পরিস্থিতিতে নিহতদের স্বজনরা তাদের প্রিয়জনদের যথাযথভাবে শেষ বিদায় জানাতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। খবর আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আজ শনিবার (১৭ মে) সকাল থেকে গাজার হাসপাতালগুলোতে আহত ফিলিস্তিনিদের ঢল নেমেছে, যা তাদের ধারণক্ষমতার বাহিরে চলে গেছে। একদিকে চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব, অন্যদিকে মৃতদেহ সৎকারের জন্য কাফনের কাপড় ও সাবানের দুষ্প্রাপ্যতা— পুরো পরিস্থিতিকে আরও অমানবিক করে তুলেছে। হাসপাতালগুলোতে আর কোনো কাফন অবশিষ্ট নেই, ফলে হামলায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা তাদের প্রিয়জনদের জন্য যথাযথ দাফনের ব্যবস্থা করতে পারছেন না।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে গাজা শহরের পূর্বাঞ্চলে নির্বিচারে ঘরবাড়ি ধ্বংস করছে ইসরায়েলি বাহিনী। সেখানকার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। বিস্ফোরণের তীব্র শব্দে কেঁপে উঠছে চারিদিক, আর ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন অসংখ্য মানুষ।

গ্লিয়া ইন্টারন্যাশনালের মেডিকেল স্বেচ্ছাসেবক আফিফ নেসৌলি জানিয়েছেন, গাজার পরিস্থিতি ক্রমশ আরও ভয়াবহ হচ্ছে। উত্তর গাজায় সহিংসতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালগুলোতে আহতদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ঔষধ ও সরঞ্জামের অভাবে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

দীর্ঘদিনের অবরোধের কারণে এমনিতেই গাজার মানুষ চরম খাদ্য সংকটে ভুগছেন। তার ওপর এই লাগাতার হামলায় পরিস্থিতি আরও অসহনীয় হয়ে উঠেছে। ক্ষুধার্ত শিশুরা ময়লাযুক্ত রুটি ও মাটি থেকে কুড়ানো চাল খেতে বাধ্য হচ্ছে। শুক্রবার ভোর থেকে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১১৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এরপর হাজার হাজার মানুষকে তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য করা হয়েছে।